পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাগজ জমা দিতে গিয়ে ঘুষ ছাড়া কাগজ জমা নেওয়া হয় না। কোন কিছু ভুল না থাকার পরও ভুল দেখিয়ে টাকা দাবি করে। বাঙ্গরা বাজার থানা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাগজ জমা দিতে গিয়ে ঘুষ ছাড়া কাগজ জমা নেওয়া হয় না। কোন কিছু ভুল না থাকার পরও ভুল দেখিয়ে টাকা দাবি করে। বাঙ্গরা বাজার থানা।
আমি যখন নামজারি করতে ভুমি অফিসে যাই ওনারা বলে কাগজ পত্র জমা দেন পরে আসিয়েন। পরে আসতে আসতে ৬ মাস আসলাম। তার পরেও হয়নাই। পরে বলি কি বেপার ভাই হবেনা। ওনি বলে ভাই টাকা দিলে আজকেই হবে। আমি কত দিতে হবে ওনি বলে ২০.০০০ টাকা। পরে ১৫৫০০ টাকা নেয়। দিনে দিনে নামজারি হয়ে যায়। রাত ৮ টায় বলে তোমার কাগজ নিয়ে যাও।
গ্রীক সাইপ্রাস আসা প্রত্যেকটি স্টুডেন্ট কে আগে থেকে করা লাগে এয়ারপোর্টে কন্টাক, অন্যথায় এয়ারপোর্টে করা হয় হয়রানি ও কখনো ফ্লাইট বাতিল ও হয়, এতে করে প্রতি স্টুডেন্ট থেকে ৩০-৫০ হাজার টাকা কন্ট্রাক্ট করে তাদের একটা সিরিয়াল নাম্বার দেয়া হয়, ওইটা ইমিগ্রেশন অফওসারকে কানে কানে বল্লেই আর কিছু লাগে না।
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বিল উত্তোলন করতে গেলে আমার কাছে এই টাকা চাওয়া হয়।যেহেতু এই টাকা ছাড়া বিল ছাড় করবে না আর আমার টাকাটা খুব দরকার তাই আমি দাবিকৃত ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
এলজিডি এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যেসব ঠিকাদাররা কাজ করে তাদেরকে প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে কম করে সাত /আট পার্সেন্ট করে অফিসে ঘুষ দিতে হয়। এককোটি টাকার কাজে তাদেরকে কমকরে ৭ লাখ টাকা ঘুষ দিতেই হয়। এ টাকা নির্বাহী প্রকৌশলী সহকারী প্রকৌশলী উপসহকারী প্রকৌশলীকে ধাপে ধাপে দিতে হয়।
ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হলে অনলাইন করতে হয় খতিয়ান ।এই কাজের জন্য আপনি খুশি হয়ে যদি নাস্তা বাবদ কিছু দেন সেটা ভিন্ন ।কিন্তু কাজ করার পরে আমার পকেটে প্রায় 5000 টাকা ছিল তা দেখে 1500 টাকা ছাড়া নিবে না ।
নাগরিক সনদপত্র কড়তে গিয়েছিলাম তারপরে। ফর্ম লিখে দিতে ২০০ টাকা চায় সেটা দিয়ে অন্য আরেকজনের কাছে পাঠায় কাগজটা জমা দিতে সেখানে সেও আবার ২০০ টাকা চাই।মোট ৪০০ টাকা দিয়ে পাঁচ দিন পরে নাগরিক সনদপত্র হাতে পাই।
পাসপোর্ট নিয়ে নিয়েছিল। পাসপোর্টএ সিল মারার সময়। আমি তখন স্টুডেন্ট টাকা ছিলো না অল্প কিছু টাকা নিয়ে অনার্স শেষ করে ঘুরতে যাচ্ছিলাম । আমি বলেছিলাম আমি বেকার মানুষ এখন ও কোন কাজ করি না আমার কাছে বেশি টাকা নেই । তারা বলছিল টাকা নেই তো ভারতে যাচ্ছ কেন। কত গালাগালি ও দিয়েছিল । এর বিচার চাই। আমার ৫০০ টাকা ফেরত চাই।
পাসপোর্ট করতে দিয়েছিলাম ভেরিফিকেশন এর জন্য থানা থেকে কল করে পরে আমার সব কিছু ঠিক ছিল তবুও ১০০০ দাবী করে আমি মানা করায় এটা ভুল ওটা ভুল টাকা দিতে হবে না হলে হবে না কিনতু আমার সব কিছু ঠিক ছিল তারপর কি করার ১০০০ টাকা দেই
We went passport office but passport rejected our application due to color id card and student id card but we have black white id card. When we leave the passport office, a person of their as agent contact with me and he wants 4000 tk for passports and provide an token number. When we again submitted same file with that token the passport officer didn't ask any queries and approved these files.
ময়মনসিংহ বিআরটিএ অফিসে ফিঙ্গার দিতে গিয়েছিলাম। আমার একটা ফিঙ্গারপ্রিন্ট এ সমস্যা ছিলো । আঙ্গুলের ছাপ নিচ্ছিলো না। তাদেরকে বললাম এখন করনীয় কি। তারা বললো বিআরটিএ হেড অফিসে যেতে হবে। রিকুয়েষ্ট করে বললাম আমার সব ঠিক আছে একটা আঙুলের ছাপ নিচ্ছে না বলে আমার আবেদন টা বাতিল হয়ে যাবে। তখন বললো তাদের করার কিছু নেই । তখন আমি বাধ্য হয়েই বের হতে যাচ্ছি এমন সময় তারা বললো কাউকে ধরেছেন কি? তখন আমি বুঝতে পারলাম দালালের কথা বলছে হয়তো । আমি বললাম যে আমি নিজেই আবেদন করছি আর আমি যথেষ্ট ড্রাইভিং পারি তো কাউকে ধরার তো প্রয়োজন নেই । তো বের হয়ে অনেকক্ষণ বসে রইলাম । একজনকে দেখলাম হাতে কাগজ নিয়ে ঘুরাঘুরি করছে । অনেকজনকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করছে । তখন তাকে গিয়ে বললাম এমন সমস্যা । তারপর সে বললো ৫ হাজার টাকা লাগবে এখুনি দিচ
আমি রাজশাহী পলিটেকনিকের একজন শিক্ষক। রাজশাহী পলিটেকনিকের 65 জন নব্যযোগদানকৃত শিক্ষকদের শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে দেওয়া এনক্রিমেন্টর অর্ডার হওয়ার পর টাকা পাওয়ার জন্য প্রত্যেককে ৮০০০ করে মোট ৫২০০০০টাকা এজি অফিস রাজশাহীকে দিতে হয়েছে । টাকাটা নিয়েছে এডিটর দাদা। এছাড়া চাকরিতে যোগদানের সময় আরো জনপ্রতি ৪০০০ টাকা করে মোট ২৬০০০০ দিতে হয়েছে পে ফিক্সেশন জন্য । সিনিয়র শিক্ষকদের কাছে শুনেছি এজ অফিস মানে ঘুষ। যে কোনো সেবা তথা টিএবিল, পে ফিক্সেশন, পেনশন, বকেয়া টাকা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ২০% করে দিতে হয় তাদেরকে।
সেবা ছিল মোটরসাইকেলের নামের পরিবর্তন নিস্তারা থেকে উপর তলা ফাইল কিনেই ২০০০ থেকে ৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
মিউটেশন করতে গেছিলাম, জমির হাল দাগ সব ঠিক ই আছে। তারপর ও দাবি করেছে। পরে টাকা দেয়ার পর মিউটেশন এপ্রুভ করেছে।
অভিযোগ দিতে গিয়ে তদন্তে আসার জন্য Asi/si তাকে গাড়ি ভাড়া সহ ৫০০০ টাকা দিতে হবে তবে এতেও সেবা পাওয়া যায় নি এভাবে ৩০থেকে ৩৫ হাজার টাকা চলে গেছে
আমার সব কিছুই ঠিক ছিলো আমি রেগুলার বাইক চালাই তার পরেও কাগজ নিয়ে ১০ মিনিট ধরে বসে থাকে আমি কোনো টাকা না দিতে চাইলে ২ টা মামলা দিয়ে দেয়
জমির নামজারি জন্য মহিলা নায়েব কাছে গেলে ৪ একর জমি নামজারি করতে ৫০০০০ টাকা নেয়। কখনো ৫০০০ টাকা আবার কখনো ১০০০০ টাকা এভাবে পুরো টাকা নিয়েছে
২০১৯ সালে ইউসুফপুর কৃষি উচ্চ বিদ্যালয় এ অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে প্রধান শিক্ষক উক্ত অর্থ গ্রহন করে । পরবর্তীতে ২০২৩ সালে উক্ত পদ থেকে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে অন্য চাকরি তে চলে আসে এতে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা হয় যে উক্ত অর্থের অর্ধেক এর একটু বেশি টাকা ফেরত দিবে । কিন্তু কিছু দিন অতিবাহিত হবার পরে শুধু ৫০ হাজার টাকা দিয়ে আর বাকি টাকা দেই নাই । কিন্তু প্রধান শিক্ষক উক্ত পদে আবার নিয়োগ দিয়ে ঠিকই আবারো অন্য ব্যাক্তি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহন করেছে ।
সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ফাইল হাত বদল হতো টাকার মাধ্যমে। কিন্তু এসিল্যান্ড কোনো টাকা দাবি করেন নি। টাকা দাবি করেছেন অফিসের কর্মীরা "অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে নাইব স্যার"
আমি একটি জমি খারিজ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি। তারপর ভূমি অফিসের নায়েব আমার আবেদন বাতিল করে দেন কারণ আমার দলিলে একাধিক দাগ নাম্বার ছিল। পরবর্তীতে উনার সাথে যোগাযোগ করলে আমাকে বিভিন্ন অযুহাত দিয়ে হয়রানি করে প্রায় ১ বছর পরে ৬০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আমার জমি খারিজ করে দেন।