জিরো ট্যাক্স রিটার্ন
এক বছর হল জিরো ট্যাক্স জমা দিয়েছি উনি কোন কাগজপত্র আমাকে রিটার্ন স্ক্রিপ দেয় নাই। আমাকে আজ না কাল ঘোরাঘুরি করায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক বছর হল জিরো ট্যাক্স জমা দিয়েছি উনি কোন কাগজপত্র আমাকে রিটার্ন স্ক্রিপ দেয় নাই। আমাকে আজ না কাল ঘোরাঘুরি করায়।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে আমার বাবা ও তিন চাচার পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে অভিযোগের সম্মুখীন হই। অনলাইনে সঠিকভাবে আবেদন করার পরও রিসেপশন থেকে বিভিন্ন ভুল দেখিয়ে আবেদনগুলো ফেরত দেওয়া হয়। পরে একজন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকের জন্য ১,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার পর একই আবেদনগুলো কোনো আপত্তি ছাড়াই গ্রহণ করা হয়। টাকা দেওয়ার আগে যেসব ভুল দেখানো হয়েছিল, টাকা দেওয়ার পর একই আবেদনপত্রে আর কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত ও যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
গতকাল আমার ডকুমেন্ট ছিল ছয়টি। তাই ৯০০ টাকা পেমেন্ট করতে হয়েছে। এটা চট্টগ্রামের সবাই জানে। ইমপোর্ট নিয়ে আলোচনা করলাম না। একটি রপ্তানি কার্যক্রম করার জন্য ছি নাম্বার পড়ে সফটওয়্যার থেকে । ১০৭২ cpc হলে ১৫০ টাকা প্রতি ডকুমেন্টটি দিতে হয়। প্রতিদিন অন্তত ১০ হাজারি নাম্বার পরে ১৫০ গুন ১০ হাজার কত টাকা হিসাব কর। Cpc ১০০০ হলে ১০০০ থেকে ১৫ হাজার পর্যন্ত টাকা লাগে। সিপিসি হাজার এক চল্লিশ হলে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগে। এটা আমরা প্রতিদিন পেমেন্ট করি। আমরা করতে বাধ্য। এটা চট্টগ্রাম কাস্টমার কমিশনার মহোদয় জানে। সব ডিপোর্ট কাস্টমসের টাকা কাস্টমসের পিউন দিয়ে কালেকশন করা হয়।
২০২১ সালে পাসপোর্ট ফেরিফেকেশনের নামে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । এবং তা আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই। আমার জেলা শহের কোর্টে ডিএসবির এক এসআই আমার কাছ থেকে তা নেয় তার নাম
মূষক -৯.১ জমা করতে গেলে দিতে হয়। প্রেতি মাসে
জেলা বিচারক বিভাগ আমার বাবার বিরুদ্ধে রায় দেয় আপীল বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের ঘুষখোর বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খেয়ে রায় দেয় জামিন দেয়। আমার বাবা নির্দোষ তাকে ফাসিয়ে এতগুলো টাকা ভিলেজ পলিটিক্স, স্থানীয় প্রশাসন বলতে থানা এদের কথা বাদই দিলাম শুধু বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খাইছে। আমার বাবার চাকরি থেকে সাস্পেন্ড হইছিলেন। যাক শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত রায় না পেয়েই ২০২৩ সালে মারা যান।
জমি দলিল করার জন বিক্রেতা মিউটেশন করতে জায় কিন্তু টাকা ছাডা উনি মিউটেশন করে দিবে না, আমি ছিলাম ক্রেতা তাই আমি বাদ্ধ হয়ে টাকা দিয়া মিউটেশন করে পরে দলিল করে নেই
সরকারি কাজের বিল তুলতে গিয়ে বললো ১% করে দিতে হবে একাউন্ট সেকশনের জন্য। নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য ২% মোট ৩% টাকা চট্টগ্রাম গণপূর্ত ই এম বিভাগ ২ এর ক্যাশিয়ারকে পরিশোধ করতে হয়েছে কারণ সে আমার প্রাপ্য চেক দিচ্ছিলো না।
আমার মা হার্ট এর রোগী উনাকে সোহোরাওর্য়াদীর পাশে হৃদরোগ হাসপাতোলে নিয়ে যাওয়া হয় হার্টে রিং পরানোর জন্য প্রায় দেড় মাস হাসপাতালে থাকতে হয়।টিকেট থেকে শুরু করে,বেড,পানি,মেডিসিন,অপারেশন সব কিছুতে টাকা দেয়া লাগে।ওয়াড বয়,মহিলা সবার ব্যবহার প্রচন্ড খারাপ।আমার মা খুব অসুস্থ দেখেও টাকা না দেয়ার জন্য ধরেও নাই।অপারেশন শেষ হবার পরেও জায়গায় জায়গায় টাকা দিতে হইছে। ট্রলি,হুইল চেয়ার সব কিছুতে।অপারেশন শেষে বয়রা ক্যথ খোলে ব্যন্ড্যাজ খোলে হাজার টাকা না দিয়ে ভয় দেখায় কেউ রোগী দেখবেনা। এদের আগেও ধরা হইছে টিভিতে নিউজ হইছে কিছুই হয় নাই।টয়লেট এবং পরিবেশ সবই খারাপ ।আমাদের জায়গায় জায়গায় টাকা দিয়ে সেবা নিতে হইছে।জানিনা এর শেষ কোথায়।
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলাম। তারা চালান কেটে দিবে এরকম বলে চালান ও পেপারস রেখে দিছে৷ ভালো কথা কিন্তু টাকা তাদের কাছে দিলে ভালো এরকম বুঝপড়া শুরু করলো। পরে আমার বন্ধুকে নিয়ে গেলাম, সে জিজ্ঞাসা করলো কত টাকা? স্ট্রেট ফরওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করায় তার সাথে খারাপ আচারণ করছে দায়িত্বরত কর্মকর্তা। পরবর্তী দিন আমাকে যেতে বলে আমার কাছে থেকে সব মিলিয়ে ৩৫০০ টাকা নিয়েছে। যা চালান বাবদ খরচ বাদে ১২১৪ টাকা পড়েছে।
আমার বাবার পেনশনের টাকা ওনি ষখন তুলতে যান, তখন তার টাকা তারই তুলতে টাকা দিতে হবে, আসলে চা নাস্তা, খেতে ২৫ হাজার টাকা লাগে, 😅 এটাই আমাদের বাংলাদেশের system.
জানুয়ারি এর দিকে জমি রেজিস্ট্রি করতে ঘুষ দিতে হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল কোন ভাবেই যাতে রেজিস্ট্রি এর দিন পেছানো না হয়। কারণ, যিনি বিক্রি করবেন উনি তার পর দিনই বিদেশ চলে যাবেন।
আমার স্মার্টফোন টি চুরি হলে উদ্ধার বাবদ তারা ৫০০০ টাকা চায়। এমনকি যার কাছ থেকে উদ্ধার করে তার কাছেও টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিলে আমাকে ফোন দিয়ে দেয়
বদলি বিল, ট্রেনিং এর বিল, জিপিএফ লোন টাকা না দিলে পাস হবে না
Warish sonod ber korte giyechi, 3k taka cheyeche per warish sonod.
২০২১ সালে দুইজনের পাসপোর্ট করতে যাই। প্রথমে ভাবলাম, দালালকে ছাড়াই করবো। দেখলাম পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের একের পর এক অভিযোগ। এটা ঠিক নেই, ওটা ঠিক নাই। নামের ভুল, পেশা ভুল। একসময় পূরণ করা ফর্ম গুলো লাল কালি দিয়ে কেটে দিলো। ইশারা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলো দালাল ছাড়া কাজ হবে না। দুজনের জন্য ১৬০০x২= ৩২০০ টাকা চাইলো। বাধ্য হয়েই দিতে হলো। তারপর তথা কথিত কাগজ পত্রের ভুল নিমেষেই ঠিক হয়ে গেলো।
আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার সব কিছু ঠিক ছিল। কিন্তু লাস্টে এডি সারের এপ্রুভাল লাগবে। সে দেয় নাই। ৩ হাজার টাকা দাবি করে। যার ফলে আমাকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ওই বাইকে রেজিস্ট্রেশনটা সম্পন্ন করতে হয়।
আমি আমার জনি নাম জারির জন্য আবেদন করে গিয়েছিলাম ইব্রাহীমপুর ভূমি অফিসে যাওয়ার পরে বলতেছে কাজগে এই সমস্যা ঐ সমস্যা এটা ঠিক করেন এই ভাবে আমাকে তিন বার নাম জারির জন্য আবেদন করতে হয়েছে। তিনবার আবেদন করার পর ৯০০০ টাকা দেওয়া পরে ঐ কাজগে আর কোন সমস্যা নেই আমার নাম জারি হয়ে গেছে। এই ৯ হাজার টাকার সাথে তিনবার আবেদন করা আসা যাওয়া আরো ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
অনলাইনে খাজনা দেয়ার জন্য জমির খতিয়ান নুতুন করে যোগ করতে হয়। এতে হোল্ডিং নম্বর লাগে। সেই হোল্ডিং নম্বর ক্রিট করতে হয় ,ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাধারণত এই কাজটি করে থাকে। হোল্ডিং নম্বর ক্রিট ও অনলাইন করার জন্য রিকোয়েস্ট করলে তারা বলে যে সার্ভার ডাউন ,৫০০ টাকা খরচ দিয়ে যান । কাজ হয়ে যাবে।
আমাকে বলা হয়েছে টাকা না দিলে পাশ করানো হয় না।অবশ্য আমি একজন দালালের মাধ্যমে টাকা দিছি।টাকা ছাড়া কেউ BRTA টির সেবা পায় বলে আমার মনে হয় না।