ভূমির কর
ভূমির করে দিতে যাই তখন তারা চায় ১০০০ টাকা কিন্তু টাকা যখন দিয়ে দেই তখন তারা একটা রিসিভ দেয় সেখানে লেখা মাত্র ১৯১ টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূমির করে দিতে যাই তখন তারা চায় ১০০০ টাকা কিন্তু টাকা যখন দিয়ে দেই তখন তারা একটা রিসিভ দেয় সেখানে লেখা মাত্র ১৯১ টাকা।
আমি এখানে এক্সরে করাই এক্সরে রিপোর্ট নিতে গেছি বলে বকশিস দাও আমি বললাম কিসের দিব বললে বকশিশ না দিলে রিপোর্ট পাবেন না, আমি গেছিলাম চিকিৎসা নিতে ড্রেসিং করা দিও নাকি বক্স দিতে হয় ওখানে সেটা হল শ্যামলী নিটর হসপিটাল মানে হল পঙ্গু হাসপাতাল প্রত্যেকের কাছ থেকে ওরা চাই কিছু দিয়ে যান ওখানে পাবলিক গেছে সেবা নেওয়ার জন্য গরিব মানুষেরা তাদের কাছ থেকে হয়রানি করে টাকা নিচ্ছে অনেক মানুষ এরকম আমার কাছে কম আরো অনেকের কাছে অনেক কিছুই বলছে
শোরুমের মাধ্যমে আবেদন করি ১০ বছরের জন্য ২৩৫০০ টাকা নেয়। গাড়ি দেখানোর দিন বলে ডাটা এন্টি্র জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে,দিলাম আবার কাগজ নেওয়ার সময় নম্বর প্লেট চাইলে বলে ১ মাস পর ১১৭ নম্বর রুমে যাবেন নিতে না চাইলে ৪০০-৫০০ টাকা দিবেন সেদিনই নিবে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যায় পরিক্ষায় পাশ হওয়ার পরেও আমাকে পাশ করিয়ে দিওয়া হয়নি জখন আমি দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিলাম তখন আমাকে পাশ করিয়ে দিলো
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সচিব দুই বাচ্চার জন্য ৩০০ টাকা নেন
আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে যাই । আমার জামালপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসে। প্রথম দিন আমার কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও দেখলাম আমার ফাইলটা রিজেক্ট করে দেই । তার পর আশেপাশে কয় একজন কে দেখলাম কাগজ পত্র ঠিক নাই তার পরেও ওদের পাসপোর্ট হয়ে গেলো ।পরে বললাম তোমাদের টা কেমনে হয়তো। পরে বললো টাকা দেওয়া লাগে। পরের দিন ও টাকা না দেওয়ার কারণে রিজেক্ট করে দেয়। শেষ মেষ টাকা দেই ১৫০০ টাকা । পরে পাঁচ মিনিটের ভিতরে কাজ হয়ে যায়।
নামজারি আবেদন শেষে প্রতিবেদন এর জন্য তহসীল অফিসে যায় প্রায় সাড়ে দশটার দিকে,,,আমার কাগজ গুলো দেখে,, তার পরে বলে অফিস সহকারী কাছে নথি জমা দেন,,,তার পরে সে খানে গেলে আস্তে আস্তে বলে খরচ দিয়ে যান স্যার এর জন্য আর তা না দিলে স্যার রিপোর্ট দিবে না,,অনেক কথার কাটাকাটি হয় আমার সাথে,, এক পযায়ে গিয়ে আমি ৫০০ টাকা দিতে রাজি হয়,সে বলে স্যার মানবে না ১০০০ টাকা দিতে হবে, বাদ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিলাম,। ততক্ষণে বিকাল ৩:৩০ বাজে সারাটা দিন অফিসে থাকা লাগছে,,, যদি টাকাটা প্রথমেই দিয়ে দিতাম তাহলে ১২ টার আগেই আমার কাজ হয়ে যেতো
আমার জন্ম নিবন্ধন এ সমস্যা ছিলো তারা যখন করেছিলো ইস্যুর তারিখ দেয়নি এজন্য কোন কিছুই করতে পারতেছিলাম না তাদের কাছে গেলে তারা সংশোধন এর জন্য ৪০০০টাকা দাবি করে আমাকে দিতে হয় কারণ আমার অনেক প্রয়োজন ছিলো
দলিলে নাম ঠিক আছে , আগে যে হাতে লেখা খতিয়ান ছিল সেটাতেও নাম ঠিক আছে কিন্তু কম্পিউটার প্রিন্টেড কপিতে খতিয়ানে নাম ভুল আসছে। এই নাম সংশোধনের জন্য একটা মামলা করতে হবে। ভুমি অফিস , ডিসি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র তুলে এনে এলাকা ভিত্তিক যে ভুমি অফিস আছে সেখানে ঐ কাগজ জমা দেওয়া হয় নাম সংশোধনের জন্য মামলা করবো বলে। কিন্তু নায়েব সাহেব ঐ পেপারে সাইন করবে না , ও সাইন করলে ঐ কাগজ বগুড়া এসিল্যান্ড অফিসে যাবে। এখন ঐ নায়েবের সাইন নিতে হলে নায়েব সাহেবকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে।। পরে ৭ হাজার টাকা দিয়ে তার সাইন নেয়া হয়। আমি বগুড়া চেলোপাড়ায় অবস্থিত রাজাপুর ও সাবগ্রাম ভুমি অফিসের কথা বলছি। বিশ্বাস না হলে করার কিছু নাই।
একটা সরকারি চাকুরির পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আমাকে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার মডেল থানার ডিএসবি এর সদস্য (আই গ্রেস এএসাই/এস পদমর্যাদার) ১০০০ টাকা দাবি করে। এবং এক প্রকার সেটা দিতে বাধ্য হই।
আমার মা র বদলিটা খুব দরকার ছিলো, বলা হয়েছিলো আপনার হাতে আর ১ মাস আছে না হলে আর বদলি হবে না, দিতে মন চায় নি কিন্তু বাধ্যে হয়ে দেওয়ার প্রয়োজন পরলো। তারপর নিজেকে আপরাধী মনে হয়।
চট্টগ্রামের চিটি গেইটে গাড়ি থেকে নামিয়ে পকেটে কিছু আছে বলে চেক করে কিছুই না পেয়ে পাশে এদের একটি রুমে নিয়ে আমাকে স্কান করে কিন্ত যখন তা ও ব্যর্থ হয় আমাকে বলে 300 টাকা দাও না হলে মাদক মামলা দিয়ে চালান দিবে
অঙ্গীভূত আনসার, পোস্টিং সিসি বাণিজ্য, ভালো জায়গায় পোস্টিং নিলে যেমন পাসপোর্ট অফিস ৫০০০০ টাকা ৬ মাস জন্য, দেওয়া লাগে, কক্সবাজার সদরে যে কোন গার্ড থাকতে গেলে ৬ মাস পর ৪০০০ টাকা দেওয়া লাগে, টাকা না দিলে পোস্টিং মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ, সীফুডস বা বোগাচত্ত্বর,খারাপ জায়গায় পোস্টিং টেকনাফ সোলারটেক এইদিকে হয়।
২০২৪ সালের দিকের কথা, আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করি, আমার এলাকার এক পুলিশ কর্মকর্তা কল করেন কিছু প্রশ্ন করেন উওর ঠিকঠাক দেই তারপর উনি টাকা দাবি করেন আমি রাজি হইনি পরে আরো সাপ্তাহ দিন পরে আবার কল দিয়ে বলেন আমি টাকা না দিলে উনি পাসপোর্ট আটকে দিবেন তাই বাধ্য হয়ে আমাকে ১৫০০ টাকা দিতে হইছে, আমার কাছে প্রমাণ আছে উনার বিকাশে যে টাকা পাটিয়ে আবার উনার হোয়াটসআপে স্কিনশট পাঠিয়ে ছিলাম
প্রতিমাসে ভ্যাট রির্টান জমা প্রদানকালে ৩৩০০০/- ঘুষ প্রদান করতে হয় অন্যথায় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিভিন্ন হয়রানি করে। এই বিষয় দুদকে মামলা করেও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।
যেখানে পাসপোর্ট করতে সরকারি ফিঃ ৫৭৫০ টাকা লাগে ধরলাম সবকিছুর খরচ সহ ৬০০০ টাকায় হওয়ার কথা কিন্তু আমাকে বলা হয় ১১০০০ হাজার বলা হয় অনেক কথাবার্তা বলার পর ৯০০০ টাকায় এসে স্থীর হই আমার কাছ থেকে প্রায় ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত নিচে তারা এই বলে নেয় যে পুলিশকে টাকা দিতে হবে ওরা নাকি ভেরিফিকেশনের জন্য নেয়। এখন আমি নিজে থেকে বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট বানিয়ে দিয়েছি আমার পরিবারের অনেককেই খরচ হইছে মাত্র ৫৮৩০ টাকার মতো।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মিউটেশন করতে গিয়েছিলাম, তখন তারা কাগজ যাচাই করে ৮৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিষোধ করার পর মিউটেশন না করেই পুরো টাকা নিয়ে নিয়েছে। এ ব্যাপারে অফিসারকে জিজ্ঞেস করলে বলে এখন নতুন নিয়ম হয়েছে মিউটেশন করা যাবে না। এ ব্যাপারে কোন সমস্যা করলে, কারো কাছে গেলে এমন কাজ করে দিবে যাতে আর যেন মিউটেশন না করতে পারি, তাই চুপ থাকতে বলেছে।
আমার বাবা বিদ্যুৎ অফিসে চাকরি করতো, রিটায়ার করছে,পেনশন বই নবায়ন করতে দেয়া হয়েছিল, নবায়ন শেষ হবার পর বাজে ঝামেলা, সেটা আনতে যায় আমার বাবা মা, যে অফিসার বইটা দেবে সে বই দেয়ার বিপরীতে ৫০০০ টাকা দাবী করে,আমার মা বা তো জানে না বই আনতে গেলে টাকা লাগবে, কাছে এতো টাকা ছিল না,তাই তারা টাকা দিতে পারেনি, আমার মা বা বই নিয়ে আসে এবং বলে আসে বাসায় গিয়ে টাকা টা আপনার বিকাশে পাঠিয়ে দেবো,কতো দেবো তা বলে নি,পরবর্তীতে বাসায় আসার পর আমাকে তারা বলে এভাবে ৫০০০ টাকা দাবী করা হয়েছিল ঘুষ হিসেবে, বিকাশ নাম্বারটি নিয়ে আসা হয়েছিল সে বিকাশ নাম্বারে আমি ৫০০ টাকা পঠিয়ে দেই। যেখানে একটি টাকাও লাগার কথা না সেখানে আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।আমার বাবা এখন বৃদ্ধ এই পেনশনের টাকা টা তার শেষ সম্বল, এই টাকা টা দিয়ে এখনো সে ইচ্ছেমতো
মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিস(এজি অফিস)সেগুনবাগিচা ঢাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ধীন পুলিশ সদস্যদের ডিএমপি টু বহি রেঞ্জ /বহি মেট্রো বদলী হয়,তেমনিভাবে ঐখান থেকে আবার ডিএমপিতে পোস্টিং হয় অনেকের।এসবি,সিআইডি বলতে গেলে পুলিশের যত বদলী হয় তখন এলপিসি সঠিক সময়ে পাঠানো হয় না,তারা আটকে রাখে।বেতন ৩-৪ মাস চলে যায় বেতন বন্ধ থাকে।কারণ এলপিসি কাজ করে না এজি অফিসে।এটা শুধু সেগুনবাগিচা না প্রত্যেকটা জেলায়ও এমন হয়।পুলিশের বদলী হলে তারা এলপিসি এক জায়গা থেকে বদলীর জায়গায় পাঠায় না,যতক্ষণ পর্যন্ত এজি অফিসকে ঘুষ না দেওয়া হয়।ঘুষ না দিলে বেতনও বন্ধ। এলপিসি কাজ শেষ না হলে বেতন হবে না।এই কারণে প্রত্যেক পুলিশ সদস্য ওদেরকে ১০০০-১৫০০০ ঘুষ দিয়ে এলপিসি কাজ করায়।আবার জিপিএফ হিসাব আনতে কিংবা পেইজ ভলিয়ম নাম্বার বসাতে গেলেও ঘুষ দিতে হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম । আবেদনের সপ্তাহখানেক পরে আমাকে ফোন দিয়ে জানায় কাগজপত্র নিয়ে আসার জন্য , কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার পরে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার জন্য চা পানির জন্য পনেরশো টাকা চায় । আমি বলেছিলাম যে সরকারি 500 টাকা তো আমি দিয়েছি। সে বলেছে দ্রুত কাজ করতে চাইলে এই টাকাটা দিতেই হবে না হলে কবে পাবেন জানি না। এবং রিপোর্ট খারাপ দিয়ে দেব।