Namjari
Jomi Namjari korta 25000 tk er necha korba na bolsa sonslisto officer ebon uni sara kou ai kaj korta parba na tai badho hoya gush dea kaj koraisi. Office er modha e tk cash nesa.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Jomi Namjari korta 25000 tk er necha korba na bolsa sonslisto officer ebon uni sara kou ai kaj korta parba na tai badho hoya gush dea kaj koraisi. Office er modha e tk cash nesa.
সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেললাইন প্রকল্প এর জমি অধিগ্রহণ প্রকল্প তে জমির মালিক দের থেকে প্রতি লাখ এ ৩.৫%--৪% করে সিরাজগঞ্জ শহরের ভুমি অফিস এর কর্মকর্তা রা ঘুষ নিচ্ছে। নাহলে তারা চেক দিচ্ছে না। কাগজ-পত্র থেকে শুরু করে সব কিছু ঠিক করা বাবদ এবং চেক হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকা তারা নিচ্ছে। এ টাকা সব কর্মকর্তাদের মাঝে ভাগ হয়। আমার মোট জমির টাকার পরিমান প্রায় ৩২ লাখ টাকা। সে হিসাবে ৪% করে আমার থেকে ১,২৮,০০০ টাকা দাবি করেছে। উক্ত টাকা না দিলে আমার কাগজ পত্র নিয়ে তারা কাজ করবে না। এবং চেক ও দিবে না বলেছে। এ টাকা এখন আমাকে দিতে হয়েছে।
নাম ভুলের কারনে পেনশন বন্দ ছিল।তা চালু করতে ২০০০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
শিক্ষক হিসেবে এমপিও ভুক্তির আবেদনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে দশ হাজার টাকা দিতে হয়। এই অর্থ তিনি শিক্ষা অফিসে ফাইল অনুমোদন, প্রতিষ্ঠানের কমিটির সভাপতির সাইন নেয়া, কম্পিউটারের দোকানের খরচ এবং তার জন্য খরচাপতির টাকা হিসেবে দাবি করেন। প্রথমে পনের হাজার টাকা দাবি করেন, তবে শেষে দশ হাজার টাকা দিতে হয়।
ন্যাশনাল ইনিস্টিউট অব বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ( জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউট) চানখারপুল, ঢাকা মেডিকেলে পাশে। প্রতি বার ড্রেসিং এ ওয়ার্ড বয় ২০০-৫০০ টাকা দাবি করে। আমি গতকাল ৫০০ টাকা বিকাশে পরিশোধ করেছি। এরপরও আবার আসছে, বলে বড় ভাই আমার বিষয়টা আরও দেখবে বলছে। এ দিকে আমার পকেটে খাবার কিনার টাকা শর্ট😑। আমি প্রমাণ রাখার জন্য বিকাশে পাঠিয়েছি। শুনেছি তাদের অনেকে ৩ লাখ টাকা দিয়ে out sourcing জব করছে। আমি চাইনা তাদের কোনো ক্ষতি হক। কিন্তু আমি চাই এরা কোনো অসহায় মানুষের গলা চেপে না ধরুক। আমার সামনে আগুনে পুড়া রোগী দুইবার প্লাস্টার করার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করে। আমি অসহায় পরিবারকে বলেছি, " ভালো ড্রেসিং এর জন্য আমরা এসব নির্যাতন সহ্য করতে বাধ্য " আফসোস আমরা অসহায় রোগী নিয়ে আসছি।
মাঠ পর্চা, মৌখিক ভাবে টাকা চাইছে, আমি পরিশোধ করছি।
কিছু বকেয়া বিল ছিলো, ঘুষ ছাড়া টাকা উত্তোলন করা যায়নি। শেষমেশ বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এরকম অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণকারী কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করে। রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখানো ব্যক্তিদের মাধ্যম ছাড়া সবাইকে ঘুষ প্রদান করতে হয়।
আমার নামজারি নামঞ্জুর করে দেন কারন জানতে চাইলে বলে যে রেকর্ড হতে আমি জমি কিনেছি ৪ শতক ভূমি অফিস বলতে চাই ও রেকর্ডে জমি নাই।প্রকৃত পক্ষে ওই রেকর্ডে ১৫.৬৭ শতাংশ জমি আছে এবং প্রকৃত মালিক তার ভোগদখলে আছে।
ভুমির নাম জারি টাকা না দিলে আবেদন বাতিল হয় তাই ঝামেলা্েএড়াতে দালালের মাধ্যমে টাকা দেই। দুরে থাকি বার বার অফিসে আসা সম্ভব হয়না তাই বাধ্যহয়ে টাকা দেই। অন্য একটা কাজের জন্য আমাকে ৫মাস ঘুরিয়ে কাজ করে দেয়নি।
আমার বাবা 2 years আগে একটি জমি সংক্রান্ত কাজে ভূমি অফিস e গেলে তারা সেই কাজের জন্য 300 টাকা দাবি করে শেষ পর্যন্ত আমার বাবা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিল
আমাদের তিনজনের একসাথে চাকরি হয়েছিল কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছিল। সমস্ত কাগজপত্র রেডি করে ঢাকায় জমা দিতে যাওয়ার পরে সেখানে অফিসে ফাইল জমা দেই। পরে একজন কেরানী আমার সাথে যোগাযোগ করে এবং দেখা করতে বলে। দেখা করার পরে প্রতি ফাইল এর জন্য ১০ হাজার টাকা করে দাবী করেছে এটা পরিশোধ না করলে এমপিওভক্তি সহজে হবে না। কারণ ফাইল তাদের কাছে থাকে। পরের প্রিন্সিপালের সাথে পরামর্শ করে ১০ হাজার টাকা করে জমা দেই।
আমার বাবা একজন প্রাইমারি স্কুল এর শিক্ষক ছিলেন তার lpr চলতেছে বাবা যখন প্রভিডেন্ট ফান্ড, কল্যান টাস্ট ও পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ময়মনসিংহ উপজেলা শিক্ষা অফিস এ যায় তখন বাবা জানতে পারে এই খানে ঘুষ সারা কোনো কাজ হয়না কিন্তু বাবার হাতে টাকা ছিলো না টাকার খুব প্রয়োজন তারপর ওইখানে এক কর্মকর্তা বাবকে বলে আপনার কাজ করে দিব কিন্তু ধাপে ধাপে আমাদের টাকা দিতে হবে যখন যেখানে লাগে। পরে বাবা বাধ্য হয়ে রাজি হয় বর্তমানে বাবা বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা দিতে হচ্ছে যখন যেখানে লাগতেছে😰
আমাদের দাদার জমি অনেক বছর ধরে খাজনা দেয়া হয়নি । অনেক বছরের খাজনা দেয়ার জন্য ঘুষ নিয়েছে । ১০০০০ টাকা সামনে আরও দিতে হবে কারন জমি অনেক তাই ।
কল কারখানা সার্টিফিকেট নবায়ন করার জন্য প্রতি বছর ২০০০ টাকা করে ৬ বছরে ১২ হাজার টাকা দিয়েছিলাম, ২০২৪ সালে নতুন এক অফিসার আসলেন সেই লোক ১৫০০০ টাকা চাইলে আমি ৬০০০ টাকা তার হাতের মধ্যে দিলাম, কিন্তু সেই লোক ১৫০০০ টাকা ছাড়া করতে পারবেনা বলে টাকা ফেরত দিলেন, আমি বললাম প্রতি বছর ২০০০ টাকা ঘুষ দিতাম, কিন্তু হটাৎ ১৫০০০ টাকা কেন? জবাবে বললেন ৮ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে এখানে বদলি হয়ে আসলাম, টাকাটা তুলতে হবে, তাই রেট বেশী, আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
আমি বিআরটি তে গিয়েছিলাম লাইসেন্স করতে আমার সেখানে দশ হাজার টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স করে দিয়েছে এই টাকার বাহিরে যারা যায় তাদেরকে লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করতে দেওয়া হয় না
ঘটনা ২০২২ সালের জুন মাসের, সমবায় সমিতির নিবন্ধন বাতিল করার হুমকি দেন উপজেলা সমবায় অফিসার, হুমকি দিয়ে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অনেক অনুরোধ করার পরে আমরা ২৫ হাজার টাকা দেই|
বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় একটি জমির নামজারি/জমাখারিজ করতে গেলে প্রথমে তহসিল নায়েবকে ১-২০ হাজার টাকা, ভূমি অফিসের কানুনগো, অফিস সহকারী বা অফিস প্রধান, সার্ভেয়ার ও এ্যাসিল্যান্ডকে গুনতে হয় ৩-৩০০০০ টাকা, এরপর ডিসিআর ফি সরকার কর্তৃক ১১০০/- সাথে ভ্যাট ১১/-। তাছাড়া ১৫০ ধারা রিপোর্টে ১০-২০০০০০/- টাকা ঘুষ নেয়। এ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কলিগাতী, কলাতলা, চিতলমারী সদর ও চরবানিয়ারী ভূমি অফিসে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয়। তবে এসব ঘুষ জমির প্রকারভেদে বা জটিলতা দেখিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও সরকারকে ফাকি দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ৫০,০০০/- টাকার দাখিলা ২০০০০/- টাকা ঘুষ নিয়ে ৫০০/- টাকায় সমন্বয় করে সরকারকে ফাকি দিচ্ছে।
সরকারি ভাবে ফি কাজে অর্থ দাবি এবং অথ না দিলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ঘোরানো।
জমি অনলাইনে আবেদন করছি, তারা সমন্নয় করছে না তাই সরকারি টেক্স দিতে পারছি না। টাকা দিলে সমন্ন্য় হবে। পরে টাকা দিয়েছি অনলাইন হয়েছে।
Ami vat return form er sign ante gele uonara ei taka dabi kore,noyto uonara sign dibe na,or amar uopor aro boro Kono blame dibe.blackmail korese amake