lged বিল নেয়ার জন্য
lged একটিরাস্তাঘাট এর জন্য ঘুষ নেয় কিন্তু মসজিদ মন্দিরে টাকায় ও ভাগ বসায় এটা কোন কথা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
lged একটিরাস্তাঘাট এর জন্য ঘুষ নেয় কিন্তু মসজিদ মন্দিরে টাকায় ও ভাগ বসায় এটা কোন কথা
বাবা মারা জাওয়ার পর জমি আমাদের নামে নামজারি করতে গিয়েছিলাম।ওয়ারিশ সনদ উপস্থাপন করে আমাদের নামে নামজারির আবেদন করতে গেলে উনি বিরক্তি ভাব দেখিয়ে বলেন অন্যদিন আসতে।তারপরের দিন যাওয়ার পর বলেন অই সহকারী নায়েব মলিলা ভেরিফাই এর জন্য জমি দেখবে মাপবেন,জমির পরিমান কমও দেখাতে পারবে ওনারা তখন।তাছাড়া সরকারি এতগুলো লোক গেলেও ঐখানে আপনার খরচ আছে মানুষ দেখবে ইত্যাদি ইত্যাদি।তারচেয়ে বরং আপনি টাকা দিয়ে দেন সব আমরা করে দিব আপনার কোনো ঝামেলা নাই।আমার মা একজন শিক্ষক। মার স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে দুই দিন পর আবার যাই উনার কাছে।অনুনয় বিনয় করে ঐ টাকা ৮০০০ দিই।
প্রতি খতিয়ানে গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা প্রকার ভেদে ৫০ হাজার টাকা
আমাদের কাছ থেকে এক একটা জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য ৩০০ করে টাকা নেন তিনটার জন্য ৯০০ টাকা নিন কিন্তু সব কাজ ঠিকমতো করেন না এরপর কিছুদিন পরে আমার জন্ম নিবন্ধন এ তার করা কিছু ভুলের কারণে আমাকে আবারো কাজ করতে আসতে হয় তার কাছে সে তখনও আমার কাছে পুনরায় ৩০০ টাকা নেই তিনি এরকমভাবে সবার থেকেই সর্বনিম্ন ৩০০ থেকে সর্বস্ব ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকেন সরকার নির্ধারিত যে নাম জন্য আলাদা টাকা নির্ধারণ করার আছে বয়স পরিবর্তন করার জন্য আলাদা টাকা নির্ধারণ করা আছে এটার ধার ধারেনা সবার থেকে তার ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করে থাকেন এবং সকলকেই একের পর এক ঘোরাঘুরি করেন
আমার সন্তানের মাথা কেটে গেলে হাসপাতালের জরুরূী বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তারের সিরিয়াল পেতে।প্রথম দিনে ৫০ দ্বিতীয় দিনে ২০০ টাকা দেওয়া লাগে
দুরনিতি র আখড়া এলজিআরডি সরকারি ভবন টাংগাইল,,বিশেষ ভাবে বলতে গেলে জা দিয়া নাম,,অফিসিয়াল খরচ ৫ থেকে ৭ হাজার,,সেখানে,আমার মাত্র ৭লাখ টাকার একটা বিল উত্তোলন করতে সে একাই নিয়েছে ৩০০০০ টাকা,,আর প্রতেক টা টেবিল ফাইল সই করতে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ত লাগেই,,ভাই,, যে এই সরকারি ভবন গুলো তে যাতায়াত করছে সেই বুজে,,কেন এত টাকার টেন্ডারের কাজ সঠিক ভাবে,, কোন কন্টাক্টর,,করতে পারে না,,এর প্রতিকার অন্তত এই বাংলাদেশে সম্ভব না,,ধন্যবাদ
নামজারির কাজ আগাচ্ছে না তাই স্পিড মানি দিতে হয়েছে
জমি রেজিস্ট্রির জন্য ৫০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল, কারন মুল দলিলের পরিবর্তে ফটোকপি দেখানো হযেছিল।
ami amar protibeshir sathe jhogra haoar jonno thanay ovijog kori pore police ase basay ese bicarer ak prjay ese amake baire niye ase bole cha khabar taka dite pore amar kase 1 ;hajar taka ney
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য সব ডকুমেন্টস দেয়ার পরেও অফিস খরচের কথা বলে ১,০০০ টাকা নিয়েছে।
টাকা না দিলে নাজারি হবে না
দলিল লেখকের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল।বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি।
আমি নিজে নিজে আবেদন করে জমা দিতে গিয়েছিলাম। তারা জমা নেয় নাই, কি কি নাকি ভুল আছে। পরে ডিজির সাথেও কথা বলেছিলাম। কোনো লাভ হয় নাই। পরের দিন যাওয়ার আগে ১৫০০ টাকা দিয়ে গিয়েছিলাম দালালের মাধ্যমে।ওইদিন আর কোনো সমস্যা ছাড়াই করে দিয়েছে।
সেনাবাহিনী থেকে নিয়মিত অবসর গ্রহণ এর সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের, জুনিয়র অডিটর ঘুষ দাবি করেন। আমরা ৭৫০জন + লোকজন থেকে ঘড়ে ৬০০০০ টাকা করে FPO office ar এস এস অধীক্ষক বা জুনিয়র অডিটর রাখা ঘুষ নিয়ে থাকেন।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ, ঢাকায় রোগী ভর্তির জন্য ১৬০০০/- টাকা দাবী করেন। গ্রামের সহজ সরল লোক হওয়ার ৫০০০/- টাকা পরিশোধ করে ২০ দিন পর জেনারেল সিটের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
হারানো সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য আবেদন করি,সরকারি সব ফি পরিশোধ করি,মাসখানেক ঘোরাঘুরির পর দায়িত্বরত অফিসার বলেন কলেজ অধ্যক্ষের সাইন লাগবে। কি সাইন,কোন পেপারে সাইন,বুঝতে চাইলাম,সে রেগেমেগে বলে "এতো কথা তো বিস্তারিত বলতে পারবো না ভাই,আমার অনেক কাজ আছে,এখানে বুঝানোর স্কুল খুলে বসি নাই।যেটা প্রসেস সেটা মেনে কাজ করতে হবে,আমি তো নিয়মের বাইরে না।"বের হয়ে যাচ্ছি,এমন সময় অফিস সহায়ক বললো,"ভাই আপনি কি শিশু?কিছু বোঝেন না?চায়ের বিল দিয়া সার্টিফিকেট নিয়া যান।হুদা ঘুরবেন ক্যা।প্রিন্সিপালের সাইন আনলে তহন আরেকটা কইবো।" ওনাকে চাহিদামতো ১০০০ টাকা দিলাম,সার্টিফিকেট নিয়ে আসলাম।
আমি আমার স্ত্রী কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে যাই সেখানে জরুরি বিভাগের ট্রলির জন্য ৩০০ টাকা দিতে হয়। আবার ওয়াডে গিয়ে ওয়াড বয়কে ২০০ টাকা দিতে হয়। অথচ এই সেবা গুলি আমাকে দেশের নাগরিক হিসেবে ফ্রী পাওয়ার কথা ছিল।
আমার বুলগেরিয়ার এম্বাসি ফেস করার জন্য ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন ডুকছি লাইনে দারায়ছি তারপর এক জন ছিবিল ড্রেসে আসলো বল্লো পাসপোর্ট দেখি আমি বললাম আপনি কে উনি আমার সাথে ওই খানে খারাপ ব্যাবহার করতেছে কেও কিছু বলতেছেনা তারপর পাসপোর্ট নিয়ে আমাকে বলতেছে লাইন থেকে বাহির হতে পরে আমাকে লাইন থেকে বাহির করে অন্ন জায়গায় নিয়ে দারা করে রাখছে পরে আমি উনাকে জিজ্ঞেস করলাম কি সমস্যা কি করতে হবে উনি বলতেছে স্যার এর কাছে জায়তে হবে আমি বললাম কোন স্যার আপনি আমার পাসপোর্ট দেন আমি যাচ্ছি কোন স্যার এর কাছে যায়তে হবে উনারা আমার পাসপোর্ট দিতেছেনা আর একজন আসলো বল্লো ৫০০০ হাজার টাকা দেন আমি সব করে দিতেছি আমি বললাম পাসপোর্ট দেন কার কাছে যেতে হবে আমি যাচ্ছি উনারা পাসপোর্ট দিতেছেনা অনেক সময় পড়ে উনাদের ২০০০ হাজার টাকা দিলাম
আমার অফিসের জনবলের যাতায়াত ভাতা পাই কিন্তু আমার অফিস প্রধান ১৫% দাবিবকরে কিন্তু আমি রাজি না হলে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হেরেজ করে। বাদ্য হয়ে আমার এবং আমার সহকর্মীদের যাতায়াত ভাতার ১৫% দিতে বাদ্য হই।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য সরকারি ফি ১৫১৫ টাকা,,কম্পিউটারে দোকানের আবেদন এর ফি ২০০ টাকা সব পরিশোধ করার পর,,থানায় জমা দেওয়ার জন্য পুলিশ আরো ১০০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা চায় এবং দিতে হয়,,না দিলে পেপার জমা ই নেয় না কেন,,বাড়তি ১০০০/১৫০০ টাকা নেওয়া কি ঘুস না।আমাী কাছে ও বাড়তি ১৫০০ টাকা নিয়েছে পুলিশ আমি এই টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছি,,আমি এটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই