Export promotion breu
যে কোন রপ্তানি সার্টিফিকেট দিনে দিনে নিতে প্রতি ফাইলে এই টাকা দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
যে কোন রপ্তানি সার্টিফিকেট দিনে দিনে নিতে প্রতি ফাইলে এই টাকা দিতে হয়।
আমি ভূমি অফিসে তিনবার খারিজের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি তিন বাড়ি নামঞ্জুর করা হয়েছে পরে বাধ্য হয়ে দালালের কাছে টাকা দিয়া দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে
সিটি কর্পোরেশন ৩৯ নং ওয়ার্ড। সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল ওয়ার্ড অফিসের কর্তব্যরত লোক আমার ফাইল নিজের কাছে রেখে দেন এবং অন্য একজন মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।পরবর্তীতে একজনের সাথে যোগাযোগের পর ২০০০ টাকা দাবী করেন।দাবীকৃত টাকা পরিশোধ করার এক দিনের মাথায় আমার বাবার মৃত্যু সনদ ইস্যু হয়।বর্তমানে ওয়ারিশ সনদের আবেদন পেন্ডিং আছে হয়তো এটিও ঘুষ ছাড়া হবে না।
বিদেশে পড়া লেখা করতে যাবো। তাই একটা পাসপোর্ট লাগবে। কিন্তু প্রথম বারের মতো পাসপোর্ট অফিসে ঢুকে আমি পুরাই অবাক। সকল কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও তারা বলতেছে ঠিক নেই। পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হতেই একজন এসে বললো আমাকে এতো টাকা দিন আমি সব করে দিচ্ছি। আমার যেহেতু আর্জেন্ট লাগবে তাই আর কিছু না ভেবে তাদের কাছে টাকা দিলাম, তারা মূলত ছিলো দালাল। তারা আবার আবেদন করলো এবং সেটা তাদের জিমেইল দিয়ে। এরপর ম্যাজিক এর মতো কেউ কিছু বললো না। কোনো বাধা আসলো না। তখন আমি বুঝতে পারলাম সেখানের আনসার সদস্য থেকে শুরু করে পুলিশ এবং বিভিন্ন কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত। ঠিক একই ঘটনা আমার ফ্রেন্ডের সাথেও ঘটেছিলো। দালাল ছাড়া তারা কোনো আবেদনই গ্রহণ করে না। অর্থাৎ ঘুষ দিবেন তো আপনার সকল কাজ হয়ে যাবে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য বাড়তি টাকা খোঁজা
বেতন শুরু করা। ফাইল আটকে রাখ ছিলো। আর ঘুরাচ্ছিলো।
১,০০,০০০/- বকেয়া বিলের জন্য ৩ দফায় ৩০ হাজার দিয়েও বিল হয় নি । অন্যদের বিল হয়েছে ।
For my foreign University scholarship application i needed to appostile my financial affidavit, they rejected it with comments that i need to go in person, i went to the law Ministry and they didnt allow me in without a pass asvper the protocal, i told my problem to one police in charge and asked for his help, he called one person who works in that section, he came and asked 3k for the task to complete, I requested him that its too much for me, he negotiated at 2.5 k.
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে, বাবার পেনশন মায়ের নামে করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যাই। অনেক দিন ঘুরে কাগজ পত্র ঠিকঠাক করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সিগনেচার নিতে আমাকে এই ঘুস প্রদান করতে হয়।
চট্টগ্রাম জজ আদালতে পেশকার আর এপিপি দের প্রতিদিন প্রতি মামলায় কমপক্ষে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দেয়া লাগে, আমি একটা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মামলা পরিচালনা করি। যা না দিলে মামলা টিক মতো আগায় না। পেশকার রা এক নম্বরের ঘুষখোর।
ফুড পেইন লাইসেন্স ৩০০ টন ক্যাপাসিটির করার জন্য তারা সরকারি জানান জমা সহ তাদের নিজের খরচ যেটাকে বাংলায় আপনি ঘুষ বলবেন সেটা সহ ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছিল এবং আমাকে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি তারপরও আবার লাইসেন্স হাতে পাওয়ার সময় তাদেরকে মিষ্টি খাওয়ার আরো কিছু টাকা দিতে হয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি ফি যেটা ট্রেড লাইসেন্স এ উল্লেখ থাকে ভ্যাট সহ সেটার বাইরে ইউনিয়ন পরিষদের কর নামে ১০০০ টাকা দাবি করা হয়। এবং এর জন্য একটা হাতে লেখা রসিদ ও প্রদান করে তারা। তবে যেহেতু এটা কোনও এ - চালান বা ই - চালান নয় হাতে লেখা বই, সেহেতু এই টাকা সরকারি কোষাগারে না গিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হবে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। পরে আমি সরকারি ফি ৩০০ এর বাইরে ১০০ টাকা এড করে মোট ৪০০ টাকা দিতেই ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করে দিয়েছে। যদি এ - চালান বা ই - চালান এ টাকা নিতো আমি বিনাবাক্যে দিয়ে দিতাম।
আমি ২০২৪ সালে আরামবাগ মিরপুরে একটি ফ্লাইট কিনেছিলাম আমার সারাজীবনের প্রবাসী সঞ্চয় দিয়ে। তেজগাঁও সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিসে সাব কালেক্টর ১২০০০০ টাকা ঘুষ খাবেন না হলে ২ বছরেও রেজিষ্ট্রেশন হবে না। দিলে ১ দিনেই পাবো। কি করবো বাধ্য হয়ে দিয়ে আসি। এইভাবেই ভুমি অফিসের সরকারি লোকজন কোটি কোটি টাকার মালিক হচ্ছে। আমরা কি করবো? কার কাছে যাবো। মুভিতে যে রকম হিরোর উদয় হয় আমাদের বাস্তব জিবনে কি এমন কেও আসবে না.... আল্লাহ আপনি আমাদের জন্য তাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান..
দালালের মাধ্যম ছাড়া এখানে কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পারবে না। এই দালাল বি আর টি এ কর্মকর্তা এবং কম্পিউটার অপারেটর ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের একটা সিন্ডিকেটের যুগ সাজসের ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়। আমার কাছ থেকে ১২০০০ টাকা নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। টাকা ছাড়া এমন কোন ব্যক্তি নাই যে এখান থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে আমি এটা হচ্ছে নরসিংদী বিআরটিএ
আমার শাশুড়ির জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য ধাপে ধাপে উপজেলা শিক্ষা অফিস চরভদ্রাসন ফরিদপুর ২১০০০ টাকা নেয় । এখনও পেনশন এর টাকা পাই নাই। তবে ওই টাকা দেওয়ার পর জিপিএফ এর টাকা পেয়েছি।
আমি একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে সরকারকে ২৪ বছর সেবা দিয়ে এসেছি। আমি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর আমার পেনশন এর কাগজ পত্র ক্লিয়ারেন্স নিতে যাওয়ার সময়, ফটিকছড়ি উপজেলা অডিট অফিসার আমার কাছে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার নাম উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। পরবর্তীতে তাকে ঘুষ দেওয়ার পর সে পেনশন এর কাগজপত্র ক্লিয়ার করে।
একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় আমার চাকরি হয়। সেই সংস্থা পুলিশ ভেরিফিকেশন পাঠায় আমার নিজ থানায়। সেখান থেকে কল দিয়ে আমাকে দেখা করতে বলে। খরচ বাবদ টাকা চাইলো। প্রথমে আমি প্রত্যাখান করেছি। পরে বল্লো খরচ টাকা না দিলে সে খারাপ রিপোর্ট দিবে। চাকরিটা দরকার তাই ২০০০ টাকা ধার এনে দিতে বাধ্য হয়েছি।
একটা মিস কেইসের আবেদন করেছি, সেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুনানি পর্যন্ত মোট ৫০০০ টাকার মতো ঘুষ লাগছে, কতবার যে যাওয়া লাগছে তার কোন হিসেব নাই, এখন কানুনগোর কাছে আটকে আছে আরো টাকা পরিশোধ না করার কারণে। আরো কত টাকা লাগবে জানিনা। আর মিউটেশন করতে আরো অনেক দিতে হবে।
কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও নামজারি খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা ঘুুষ চাইছে
অগ্রণী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ব্যাংকের কর্মকর্তা না দিলে একাউন্ট ওপেনিং করবেনা আমার জরুরী বিদায় আমি দিতে বাধ্য হয়েছি দুঃখিত