জন্ম সনদে ভুল সংশোধন
সেবাটি ছিল জন্ম সনদে ভুল সংশোধ অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার পরও ২ বছর হলো কাজ করে দেয় নি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেবাটি ছিল জন্ম সনদে ভুল সংশোধ অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার পরও ২ বছর হলো কাজ করে দেয় নি
বকেয়া বেতন প্রাপ্তির জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদন দরকার ছিল। বিভিন্ন কাগজপত্রের বাহানায় ২ দিন ঘুরানো হয়েছে। তারপর আমার থেকে সরাসরি ২০০০ টাকা দাবি করেছে জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত একজন কর্মচারী। পরে আমি ১৫০০ টাকা দিয়ে প্রতিবেদন নিয়ে এসেছি। টাকা দেওয়ার পরে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ হয়েছে।
আমার রিলেটিভ ওর সুনিধার্থে ওর পছন্দনীয় জেলায় ট্রান্সফার নিতে হেডঅফিসে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
পারিবারিক সম্পত্তি বন্টন দলিল হওয়ার পরে মেডিটেশন করানোর জন্য যখন গিয়েছি ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন জাহাজ বিভিন্ন ভুলত্রুটি দেখিয়ে টাকা নেয়ার জন্য জিম্মি করেছিল আমরাও অপারগস্ত হয়ে বহু বছরের রঙিল একটা সম্পত্তি দলিল হয়ে যাওয়ার পরও সামান্য একটা টিউশনের জন্য কেন ঝুলে থাকব টাকার বিনিময়ে হলেও করিনি যেখানে ১১৭০ টাকা সরকারি বিল পরিশোধ করার কথা ওখানে এক দলিলে 20 থেকে 25000 করে নিয়েছিল। উপরে কর্মকর্তারা তাদের কিছু পিওন রেখেছে দাম দর করার জন্য ,,তাদের কাজ হচ্ছে শুধু ভুল ধরে দিবে সমাধান দিবে পিয়ন।
আমার বাবা গত ২০২৫ এর অক্টোবর মাসে ১৫ তারিখ আখিরাত এর বাসিন্দা হয়ে যায়, আল্লাহ তাকে জন্নাত বাসী করুন আমিন। আমি তার ছেলে ওয়ারিশ হিসাবে, আব্বার রেখে যাওয়া সম্পদ সকল ওয়ারিশ এর নামে নাম জারি প্রয়োজন মনে করে স্থানী একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ নাম জারি আবেদন করতে যায়। তারা এই কাজ সঠিক ভাবে করিয়ে দিতে চায়, তবে অতিক্রম অর্থ দাবি করে। “তারপর নামজারি ১১৭০ টাকার কথা বললে তারা বলে, ঠিক আছে আবেদন করে দিচ্ছি, এর পর সকল কাজ আপনি নিজে থেকে করে নিয়েন। বিষয়টি সমস্যা দেখে আমার খালু (পূর্বে অভিজ্ঞতা) থেকে তাদের কিছু টাকা দিয়ে কাজ টি করিয়ে নিতে বলে। এর পর বিভিন্ন কিছু বুঝার পর তাদের হতে টাকা দিয়ে কাজটা করিয়ে নেই। #এগুলো প্রথম অভিজ্ঞতা ছিলো, তাই বেশ অবাক হয়েছি।
২০২৫ সালে ঢাকা মিরপুর বি,আর,টি,এ, তে গারির ফিটনেস করাতে যাই। বি,আর,টি,এ, এর গেট এ ঢোকার আগ পর্যন্ত আমার গারির হেড লাইট ১০০% ঠিক ছিল। যেই রাম্প এ ওঠাল, আমার গারির হেড লাইট ফিউস হয়ে যায়। আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে ফিরনেস দিতে। এটি একটি সিন্ডিকেট যার সাথে অফিস কর্মকর্তারাও জড়িত। আপনি একজন অসহায় সেবাপ্রার্থী বাংলাদেশী নাগরিক।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসের সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি। এবং যখন ভেতরে যায়। সাড়ে বারোটার দিকে তারা বলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাবেন। দুইটা দেখে আসতে বলল। আমি যখন দুইটার দিকে যাই কোন সিরিয়াল ছিল না তবু তারা আমাকে চারটা পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন। চারটার দিকে যখন আমি আবার যাই তখন আমাকে বলে আজকে সময় নাই আগামীকাল আসেন। যখন পরের দিন যাই। তখন আমার আবেদন করা ফর্মে। মায়ের নামের সঙ্গে একটু সমস্যা ছিল। ওরে তাদের কাছে যাই না বলে এটা হবে না। বাইরে আসার সময় এক ভদ্রলোক আমাকে ডেকে বলেন কি সমস্যা সমস্যা বললাম। তখন বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। কোন সময় লাগবে না এক মিনিটও সময় লাগবে না। অনেক কথা কাটাকাটির পর তাকে আমি ২৫০০ টাকা দেই। সরাসরি ছবি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেই।
প্রথমে আমি নিজে অনলাইনে পাসপোর্ট এর এপ্লাই নিজের ফোন থেকে করি।সেটা প্রাথমিকভাবে আবেদনপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দিই। দায়িত্বরত লোকটি আমার কোনোপ্রকার ভুলত্রুটি না ধরে, জাস্ট 2/1 টা পেজ চোখের পলকে উল্টিয়ে আমার আবেদনপত্রটি বর্জন করেন। আমি চিন্তায় পড়ে যাই। তারপর সাথে একজন ছেলে বললো যে ভাই, এখানে নিজের করা এপ্লিকেশন এলাউ হবে না, যদি না পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে এক্সট্রা 2000/ দিয়ে এপ্লিকেশন না করেন। কিছুক্ষণ পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে সত্যিটা উপলব্ধি করলাম। আমি যখন কোনো উপায় না দেখে 1500/ এক্সট্রা জরিমানা দিতে দোকানদারকে স্বীকৃতি জানালাম। দেখলাম আমার আবেদন করা সেই এপ্লিকেশনেই পরের পেজে শুধুমাত্র একটা চিন্হ দিয়ে দিলেন, আর পরবর্তীতে একই এপ্লিকেশন ম্যাজিকের মতো এক্সেপ্ট ও হয়ে গেল।
আমার পরিচিত এক বড় ভাই উনি কোনো এক কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাধ্যমে জেলহাজতে থাকাকালীন জামিন করাতে সক্ষম হই। তবে জামিনের কপি উঠানোর জন্য হাইকোর্টের বিভিন্ন দপ্তরে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করে জামিনের কপি বের করাতে দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের প্রায় ২০০০০ টাকার মত দিতে হয়েছে। এমনও হয়েছে কোনো একসময় ফাইলও লুকিয়ে রাখা হয়েছে। দুঃখ করা ছাড়া টাকা পয়সা দেওয়া ছাড়া আর কোনোকিছু করার উপায় ছিল।
Taka diyechi office cerani jonno 19lakh army officer niyeche gush kintu Amar letter dey nay shudhu ghuray 1year
ওড়াকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা প্রত্যেক ফাইলের জন্য এক হাজার টাকা করে ঘুষ নেয়
বেশ কয়েক দিন পৌরসভা অফিসে ঘুরেও কোনো কূলকিনারা হলো না। থাকি যশোরে। স্থায়ী টিকানা। গোপালগঞ্জ। এই যুগে কার এতো সময় বের করার সুযোগ আছে! সে বিড়ম্বনার কথা আর কি বলবো! পৌরসভা অফিসে গেলে কোনো দামই দেয় না। পরিচিত একজন (তিনি পৌরসভা অফিসের কেউ না) ভদ্রলোক এক দালালের সন্ধান দিলেন। তিনি ৩ হাজার টাকা চাইলেন। দিলাম। কাজ হলো। মূলত এই দালাল গুলোর মাধ্যমেই তারা ৯০% কাজ করে থাকে।
জমি ক্রয়ের পর নামজারী আবেদন করেছিলাম নিজেই অনলাইনে, কিন্তু তা বাতিল করা হয়। এ বিষয়ে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে ভূমি কর্মকর্তা বলে যে, কন্টাকে না আসলে নামজারী হবে না, বাতিল করা হবে। ১৫,০০০ টাকায় কন্টাক করি এবং নামজারীও হয়ে যায়।
আমার মরহুম বাবার পেনশনের টাকার জন্য বিগত ১৪ মাস হিসাব রক্ষণ অফিস,রামু আমাকে ৩৫০০০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন হয়রানী করেছে৷
সার্টিফিকেট এর সাথে মায়ের নামের বানান গরমিল ছিল। ২বার সংশোধনী আবেদন রিজেক্ট হলে ঘুষ দিয়ে কাজটি করিয়ে নিই।
জমির নামজারি করে দিবে
মোবাইল চুরি হওয়ার পর, পুলিশকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার পর মোবাইল এনে দিয়েছে, তার আগে জিডি হাতেও নেয় নাই।
একটি সংযোগ নির্ধারিত স্থান থেকে নিচতলায় স্থানান্তর কোথায় পুরো ভবনের সংযোগ (৪০ টি চুলা) বিচ্ছিন্ন করা হয়
আমি সরাসরি বিআরটিএ অফিসে গেলাম কেরানীগঞ্জ, আমি বিআরটিএ একজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি নিজে মালিকানা পরিবর্তন করতে চাই, আমি অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে গেলাম, আমার মোটরসাইকেলের পুরানো ফাইলটি বের করার জন্য, সে আমার ফাইলটি খোঁজার জন্য ভিতরে গেল এবং ৩০ মিনিট পর আসলো, সে আমাকে বলল আপনার ফাইলটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তারপর সে অনেকক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখার পর আমাকে বলল নিজে নিজে কিছু করা যাবে না আমাদের মাধ্যমে করতে হবে, সে বলল আমাদেরকে ৬০০০ টাকা দিতে হবে তাহলে আপনার মালিকানা পরিবর্তন হবে, সে আমাকে আর বলল এ টাকা আমি একা খাব না এখানে বিভিন্ন লোককে দিতে হবে, তারপর কোন কিছু উপায় না পেয়ে আমি তাকে বললাম ঠিক আছে আমি আপনাকে ৬০০০ টাকা দিব আপনি কাজটি করিয়ে দেন, তারপর সে ফাইলটি খুঁজে পেলো।
খাগড়াছড়ি পাসপোর্ট অফিসে একদিন 🇧🇩 আজকে ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করাতে গেলাম খাগড়াছড়ি পাসপোর্ট অফিসে। গেটে ঢুকতেই সিকিউরিটি গার্ড জিজ্ঞেস করলো, "কী জন্য আসছেন?" ভাই, পাসপোর্ট অফিসে মানুষ কী জন্য আসে? বিরিয়ানি খেতে? যাক, ভেতরে গেলাম। ১০৪ নম্বর রুমে কাগজপত্র দেখে বললো, "অনেক ভুল আছে।" ছোট ভাই জিজ্ঞেস করলো কী করতে হবে। উত্তর পেলাম, "বাইরে যাও, বাইরে বলে দিবে।" কে বলবে? কীভাবে বলবে? কিছু বলা নেই। গেট থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তিন-চারজন এসে ঘিরে ধরলো। "এই সমস্যা, ওই সমস্যা, একটা দরখাস্ত লাগবে।" পাশাপাশি পনেরোশো টাকা চাইলো। দিলাম। কারণ না দিলে কাজ হবে না, এটা সবাই জানে। টাকা দেওয়ার পর দেখি সব ম্যাজিকের মতো ইজি হয়ে গেলো। বাইরের লোক বলে দিলো ২০৬ নম্বর রুমে যেতে। সেখানে সুন্দর করে সীল লাগিয়ে পাঠ