জন্মনিবন্ধন
জরুরিভিত্তিতে বানানো লাগতো তাই বললো টাকা লাগবে নাহলে সময় লাগবে করতে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জরুরিভিত্তিতে বানানো লাগতো তাই বললো টাকা লাগবে নাহলে সময় লাগবে করতে।
একাউন্ট খোলার জন্য উক্ত ব্যাংকের শাখার কর্মকর্তারা নানাভাবে হয়রানি করছিলো, সব ডকুমেন্টস থাকা সত্বেও আজকে হবে না বলে প্রত্যাখান করে দিচ্ছিলো। অতঃপর ব্যাংকের মুরব্বি পিওন ১০০০ টাকার বিনিময়ে ঐদিনই খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাউন্ট টা খুলে দেন।
তো একটা মামলার মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে দিতে হয়েছে। এছাড়া থানাতেও পুলিশেরা আমাদের কাছ থেকে হুমকি ধামকি দিয়ে প্রায় ২০০০০ টাকা নিয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ ( রাজউক) এ আপনি যদি প্ল্যান পাশের আবেদন করেন তাহলে বিনা ঘুষে আপনি কাজ বের করে নিয়ে আসতে পারবেন না। চলুন দেখে নেই, কি কি উপায়ে তারা টাকা নেয় এবং তাদের রেট কি? ১। এম আই এস- ৪০,০০০/- ২। সংরক্ষন-২০,০০০/- ৩। ছাড়পত্র - ৩০-৪০,০০০/- ৪। অনলাইন ছাড়পত্র- ৪০,০০০/- ৫। ফাইনাল প্ল্যান এপ্রুভাল- ৪/৫,০০,০০০/- জমির ট্রান্সফার-৫০,০০০-৫,০০,০০০/- সেল পারমিশন - ৬০,০০০/- থেকে ৩,০০,০০০/- ফাইলে মামলা থাকলে রেট হাই এই ঘুষ নেয় কে? এমন কিছু লোক আছে যারা স্থায়ী চাকরি করে না রাজউকে, বিভিন্ন সহকারী, হিসাব সহকারি, ডিলিংস অফিসার, কানুনগো, ইন্সপেক্টর, সহ ইন্সপেক্টর, সহকারী অথরাইজড অফিসার, অথরাইজড অফিসার। এছাড়াও নিচের বিভিন্ন সহকারী দিয়ে টাকা খায়, ডিরেক্টর, মেম্বার। আমার কাছে এমন অনেক এভিডেন্স আছে।
সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পরেও ১ মাস টালবাহানা করছিল, পরে ওয়ারিশ সনদের জন্য ফোনে টাকা চেয়েছিল, দিতে বাধ্য হয়েছি এবং সকালে ঘুষের টাকা দেয়ার সাথে সাথে সেদিন বিকালেই সনদটি হাতে পাই।
আমার বাইকের নাম ট্রান্সফার করার জন্য ফরিদপুর BRTA অফিসে যাই। সেখানে প্রায় ৭ দিন ঘোরাঘুরি করেও কোনো কাজ এগোয়নি। বারবার অফিসে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাত শুনতে হয়েছে, কিন্তু আমার ফাইলও বের করে দেওয়া হয়নি। এমনকি আমাকে ২ বার ব্যাংক ড্রাফট করতে বলা হয় এবং আমি ব্যাংক ড্রাফট করেও দিই। কিন্তু তারপরও কোনো কাজ সম্পন্ন হয়নি। পরবর্তীতে একজন ব্যক্তি এসে বলেন, তাকে কিছু টাকা দিলে তিনি কাজটি করে দিতে পারবেন। বাধ্য হয়ে তাকে ১৫,০০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার পর আমার বাইকের নাম ট্রান্সফারের পুরো কাজ মাত্র ১ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করে দেন। একইভাবে, যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাই, তখনও আমার কাছ থেকে নির্ধারিত খরচের চেয়ে অতিরিক্ত ২,০০০ টাকা নেওয়া হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা শেষে টাকা চাওয়া হয়। আগের বার টাকা দেই নাই জন্য ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছিল ।
আমি প্রথমে নিজেই আনলাইন থেকে আবেদন করেছি এবং ডেট আনুপাতে ফিঙ্গার আর ছবি তুলার জন্য সিরিয়ালে দাডিয়েছি। প্রায় ৪ ঘন্টা পর আমি গেট এর সামনে আসি। তারা আমার পেপার দেখতে চাইলো আমি দিলাম ঐ কমকর্তা কিছুখন দেখার পর বলো তুমি কি করো? আমি বলাম আমি স্টুডেন্ট সে বললো তোমার সাটিফিকেট কই তাকে তখন আমি আমার সাটিফিকেট দিলাম। সে দেখে বল্লো এটা হবে ঠিক করে নিয়ে আসুন। এর পর আমাকে কথা বলার কোনো সুযোগ দিলো না।যোর করে বের করে দিলো। এর পর অনেকক্ষণ ঘুরার পর আনেক দালাল এর সাথে কন্টাক করার পর এক দালাল এর মাধ্যমে ২৩০০ টাকায় সে আমাকে পেপার পিছে কয়টা সিল মেরেদিয়েছিল। এর নিয়ে গিয়ে জমা দেওয়ার পর ঐ একি কমকর্তা সে পেপার সাইন করে ভিতরে যারয়ার জন্য দিয়েছে
উপরোক্ত আবেদন জমা দিতে গিয়েছি, আবেদনটি দেখার পরে খরচ লাগবে এই মর্মে আমার থেকে ২০০০ টাকা দাবি করা হয় , পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে আবেদন জমা করাই । উক্ত অফিসের " জমা ও গ্রহন " শাখার ব্যাক্তি এই কাজ করেছে
পাসপোর্ট অফিসে এক আনসার সদস্য আমার থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তবে এর সাথে পাসপোর্ট অফিসার ও যুক্ত বলে আমার মনে হয়। কারণ তিনি একটা ডকুমেন্টস এর জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু ঘুষ দেওয়ার পর সেটি ছাড়াই আমার পাসপোর্ট হয়ে গিয়েছে। আমাকে বাধ্য হয়ে তা দিতে হয়েছে কারণ আমার বাসা থেকে পাসপোর্ট অফিস অনেক দূরে আর আমার যাতায়াত করতে সমস্যা হয়।
আমার পাসপোর্টের সব ডকুমেন্টস্ ঠিক থাকার পরও। এটা সেটা বাহানা দিয়ে বার বার রিজেক্ট করছিল। গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসের যাচাই-বাছাই করে যে কর্মকর্তা তিনি। বাধ্য হয়ে প্রয়োজনের তাগিদে ৩,০০০/- টাকা দিয়ে দরবেশ (দালাল) ধরে পরে করতে হইছে।
জমি রেজিস্ট্রী করার জন্য, জমির খাজনা এবং খারিজ বাবদ ২০হাজার টাকা অতিরিক্ত নিছিলো৷
দালাল এ ৯ হাজার টাকার কথা বলে ১৫ হাজা টাকা নিছে।
প্রথমে বেতন করানোর জন্য উপজেলা অফিস থেকে ফাইল ছেড়ে দিলেও জেলা অফিসে ফাইল আটকে রাখে। ২০২৩ সালের শেষের দিকে আমি জয়েন করি কিন্তু আমার বেতন হয় ৬ মাস পরে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে। ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ঢাকার ডিডি স্যারকে।
আমি সরকারি ফি দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই নিজের পাসপোর্ট করানোর জন্য, কিন্তু সেখানে কাগজের এই ভুল আছে সে ভুল আছে বলে আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে, প্রথমে আমি টাকাটা জমা দিতে চাইনি পরে যখন দেখলাম যে আজকের দিনের ভিতরে পাসপোর্ট না করলে আমাকে আগামী দিনে আবার আসতে হবে, তখন আমি বাধ্য হয়ে তাদেরকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট করে চলে আসি সেম কাগজপত্র দিয়ে একদিনের ভিতর
আমার টেক্স ফাইল অডিট পরেছে নিস্পত্তির জন্য সকল কাগজ থাকার পরেও তারা মানবেনা ৩০০০০০ টাকা দেয়ার পরে আমার রেমিটেন্স মেনে নিয়েছে
License er jonne 12k dalali fee dite hoicilo
Asked for mutation I paid Unless no problem
ঘুষ দেয়া ছাড়া আমার বাবা ডেড সার্টিফিকেট দিচ্ছিলো না, যা আমাদের ওয়ারিশান সার্টিফিকেট করার জন্য দরকার হচ্ছিলো।
Application was pending due to not giving bribe. Unnecessarily lengthen the whole process. The whole online system is a kind of scam. The office secretary and assistant run the whole syndicate there. It is an organized crime in Bangladesh for long time.