নামজারি
ঘুষ চাইছিলো, ৬৫০০/ দিসি কাজ হইসে, ৩ বার খারিজ হওয়ার পর। ঘুষ নেয় পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার —, ঐ গুসে সিন্ডিকেট চালায় ও বাপ্ ও এই অফিস এ জব করতেন, অফিসার দের পক্ষে ঐ ঘুষ নেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঘুষ চাইছিলো, ৬৫০০/ দিসি কাজ হইসে, ৩ বার খারিজ হওয়ার পর। ঘুষ নেয় পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার —, ঐ গুসে সিন্ডিকেট চালায় ও বাপ্ ও এই অফিস এ জব করতেন, অফিসার দের পক্ষে ঐ ঘুষ নেয়।
আমার পারিবারিক কাজের জন্য আমার ভবিষ্যৎ তহবিল হতে পাঁচ লক্ষ টাকা উত্তোলন করার জন্য এজি অফিসে বিলটি দাখিল করা হলে, এজি অফিসের লোকজনেরা আমার বিলটি ফেলে রাখে, এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার পর আমি যখন খোঁজ নেওয়ার জন্য যাই তখন বলে হয়ে যাবে। কিন্তু আরও দুইদিন ঘোরার পর পুনরায় যখন বিল সম্বন্ধে জানতে চাই তখন বিভিন্ন রকমের হয়রানির শিকার হতে হয় আমাকে,তারা বলেন লেজার খুজে পাচ্ছে না, ভলিউম খুঁজে পাচ্ছে না, এ সমস্ত নানান কিছু আমাকে বলে তারপরে আমাকে প্রস্তাব দেয় 2000 টাকা দিলে আজকালের ভিতরেই বিলটি পাশ হয়ে যাবে। যেহেতু আমার পারিবারিক কাজের জন্য টাকাটা বিশেষ প্রয়োজন তাই আর সাত পাচ না ভেবে দুই হাজারের পরিবর্তে পনেরশো টাকা দিয়ে চলে আসি। তার ঠিক পরের দিন আমার বিলটি পাস হয়ে যায়।
সরকারি নিয়মানুযায়ী আমি ৮শতক জমি নামজারির জন্য পর পর তিন বার অনলাইনে আবেদন করি। বিভিন্ন অজুহাতে আমার অনলাইনের আবেদনিটি সহকারী কমিশনার (মহিলা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে আমার স্কুলের সহপাঠী এক বন্ধুকে ফোন করি সে ও ভুমি অফিসে চাকরি করে। সে আমাকে অবহিত করে যে, সহকারী কমিশনার নামজারির ফাইল ৪০০০.০০ টাকা ছাড়া অনলাইনের ফাইলে স্বাক্ষর করে না। তাই বাদ্য হয়ে ৪০০০.০০ টাকা দিয়ে অনলাইনে নামজারি প্রক্ষিয়া সম্পন্ন করি।
Bolse j onk fast kore dibe..license..taka dewar por e o 2 mas por exam date asce
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল
Went to update the factory license and have been paying Tk. 5,000 to Tk. 10,000 each year to get the factory license updated for the last couple of years. This year, we had to pay a total of Tk. 25,000 to get the Factory License updated, just because a new inspector (—) and other colleagues got appointed. They wanted Tk. 30,000 but when we asked why the huge increase should be paid, they answered that they have not come to the seat (designation) for free as well and indirectly threatened us by saying that they we would face unnecessary problems if they come to visit our premises. Had no options other than paying the amount and just get the work done.
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়া+কিছু ছেলে ওয়ার্ড বয় রয়েছে তাদের নাকি হাসপাতাল থেকে কোনো প্রকার বেতন দেওয়া হয় না রোগীর সাথে যা তা ব্যবহার করে ১০০,২০০,৫০০ টাকা ইত্যাদি নিয়ে থাকে। প্রত্যেকটা মানুষ ই ভুক্তভোগী। মেডিকেল কর্তৃপক্ষ পক্ষ্যের এই সিন্ডিকেট কখনোই ভাঙ্গা যায় না। এরপরে অনেক সময় এই আয়াদের ভুল সিদ্ধান্তেও অনেক মানুষ মারা যায়। যেমন দেখা গেলো একটা গরিব পরিবার চিকিৎসা নিতে গেছেন তিনি তাদের বকশিস দিতে পারেননি। এরা চুপি চুপি স্যালাইন বাড়িয়ে দেয় কিংবা অন্যান্য যেভাবে পারে ক্ষতি করার চেষ্টা করে। আর গরিব অশিক্ষিত মানুষ তো এতোকিছু বুঝেও না। এদের কারণে হাসপাতালের পরিবেশ ও নাম দুটোই খারাপ হচ্ছে এদের বিরুদ্ধে কেউ অ্যাকশন ও নেয় না।
আবেদনের ফর্মে ভুল হওয়ায় সংশোধন এর জন্য D.D এর কাছে যাওয়া দরকার হয়, তখন আনসার কে ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষ ছাড়া তার কাছে যাওয়ার ওয়ে নাই৷ ঘটনা : জুলাই, ২০২৫ এর
miss case এসি ল্যান্ড অফিসে নথিভুক্ত হতে হলে ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট আসতে হয়। তারপরে কেসের শুনানি শুরু হয়। টেবুনীয়া ভূমি অফিসের নায়েব আমাকে বলেন রিপোর্ট দিতে গেলে চার হাজার টাকা লাগবে আমি অনেক ভাবে চেষ্টা করেও কমাতে পারি নাই বাধ্য হয়ে বিকাশে চার হাজার টাকা প্রদান করি। উনি সুন্দর রিপোর্ট দিয়ে দেন এবং পরবর্তীতে আমি কেসে উইন করি। এরপর যখন খাজনার জন্য যাই তখন অনলাইনে খাজনার কাজ করা বাবদ উনি আমার থেকে আবার ৪০০০ টাকা নেন কারণ সার্ভার রুমেও উনি সব কিছু চেঞ্জ করে দিবেন নিমিষেই। ফলে আমি দ্রুত খাজনা দিতে পারব। বাস্তবে হয়েছেও তাই।
সম্প্রতি আমার এক আত্মীয়, যার স্বামী মারা গেছেন এবং যিনি বর্তমানে একাই আছেন, তিনি অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট নিতে যান। সেখানে প্রথমে বাড়ির ট্যাক্স পরিশোধের কথা বলা হয়, যা তিনি মেনে নেন। এর পাশাপাশি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। অন্য কোনো উপায় না থাকায় তিনি বাধ্য হয়ে২,০০০ টাকা প্রদান করেন।
পাসপোর্ট প্রসেসিং করার সময় মূল ফি এর অতিরিক্ত ১৭০০ টাকা নিয়েছিল।সব ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর।
He demanded Taka 12000 but paid taka 7300,
NID er jonno chobi tular jonno sms ashlew ami chakrir karone somoy moto chobi tulte jete parini, jokhon jai tokhon nirbachon office theke bole pore abar sms pathale ashte onnthay 3000 taka diye ekhoni chobi tula jabe. Pore ami 2500 takay raji hoi.
আমার চাষের ট্রাক্টর চাষ করে । মেইন রোডে আসতেই পুলিশ আটক করে 3000 টাকা মামলা দিয়ে দেয় । আমার জানা মতে হাল চাষের ব্যবহারের ট্রাক্টর কে পুলিশ মামলা দিতে পারে না ।
বলা হয় এই কাজটা করার জন্য আপনাকে অনেক সময় ঘুরতে হবে কাজ হবে কিনা শিওর না আপনি আমাকে ২০০০০টাকা দেন আপনাকে কাজটি করে দিব এতো ঘুরতে ও হবে না
ঢাকার পঙ্গু হাসপাতাল (নিটোর) এ এক্সরে করাতে গিয়ে পেমেন্ট স্লিপ জমা দেওয়ার পরে দেখি আমার সাথের লোক এক্সরে ফিল্ম নিয়ে চলে গেল। আর ৩ ঘন্টা ধরে সিরিয়ালে থাকা ব্যাক্তিরা সিরিয়াল পাচ্ছে না। তাদেরকে বলা হচ্ছে আরো ১.৫ ঘণ্টা পরে আপনাদের স্লিপ নিবো। পরে আমি ডাক্তার দেখানোর সময় পার হয়ে যাচ্ছিলো দেখে ভিতরে গিয়ে তার সাথে কথা বলে দেখি ঘুষ ছাড়া স্লিপ ধরাই হয় না। লাগলে পরের দিন আবার আসবেন। পরে আমি এক্সরে করিয়ে ছাত্র বলে ৫০-১০০ টাকার মধ্যে মানাতে পেরেছি নইলে আরো বেশি দেয় দেখলাম লোকজন।
আমি বাসা করবো তাই বাসার কাজ শুরু করেছি এমন তো পর্যায়ে পাশের বাড়ি থানায় অভিযোগ দেয় সেই অভিযোগ শুনে এসআই আমার বাসায় আসে আমার বাসায় এসে অনেক টাকা দাবি করে এবং বলে যে তারা অভিযোগ করতে থাকবে আমি আসতে থাকব শুধুমাত্র আমাকে টাকা দিতে থাকবেন এটা প্রথমত মানে নাই আমরা তখন আমাকে বলে যে আপনি কিভাবে বাসা করবেন তা দেখে নিব । পরবর্তীতে বাসার কাজ করতে থানায় আবার বসা হয় তখন আমার কাছ দুইজন এসআই 500+500 করে ১০০০ টাকা নিয়ে থাকে। যেখানে থানায় ওসি সাথে আমরা সাক্ষাৎ করি যে আমাদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে কারণ আমরা আমাদের জায়গাতে লিগাল আছি তখন ওসি সাহেব আমাদের বলে টাকা পয়সা সংক্রান্ত লেনদেন ও ভূমি সংক্রান্ত লেনদেন আমাদের হাতে নাই শুধুমাত্র কোর্ট এসব বিষয় দেখতে পারে।
জমির খতিয়ানে একটু আফছা থাকায়,পুরোপুরি বোঝা একটা নামের অক্ষর ভুল বলে রিজেক্ট করে দেয়। পরবর্তীতে নির্ধারিত ফি এর বাহিরে ৮৫ হাজার টাকার বিনিময়ে সেই জমির রেজট্রি করতে হয়েছে
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য দায়িত্বরত অফিসার ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করে ভুলভাল এইটা নাই সেইটা নাই বলে এই টাকা দাবি করে কাজ করে দেয়।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য গিয়েছিলাম, আমার ক্লিনিক এর জন্য। সরকারী ফি আসে ৩৯০০ টাকা, উনি ৪৫০০/ টাকা দাবি করলেন। পরিশেষে আমি বিকাশে পরিশোধ করেছি