সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৪৫১ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳৩.৫ হাজার

নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়ে

আমি মোহাম্মদপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম,, সেখানে আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও তারা ফিরিয়ে দিয়েছিল,, বাহিরে আসার পরে এক লোক আমাকে বলতেছে কিছু টাকার বিনিময়ে সে পাসপোর্টটি করে দিতে পারবে, তারপর আমি নিরুপায় হয়ে তাকে তিন হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে এবং সে তোমার পাসপোর্ট ঠিক করে দেয়

ঢাকা মোহাম্মদপুর, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে DKF8PVWQ
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০০

ফিটনেস সনদ

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে সরকারী চাকরিতে যোগদানের কাগজ দেওয়ার সময় মেডিকেল সনদ নিতে গেলে সেখানকার কর্মচারী ঘুষ দাবি করে এবং সবাই সেই টাকা দিতে বাধ্য হয়।

কুড়িগ্রাম, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে RNC7KSEX
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কাস্টমস অফিস ৳২০.০ হাজার

হোটেল রেস্টুরেন্ট এর ভ্যাট

কক্সবাজার ভ্যাট অফিস প্রতি মাসে হোটেল রেস্টুরেন্ট দোকান থেকে সরকারি চালান কতৃক ভ্যাট ব্যাতিত অফিসার দের নির্ধারিত ঘুষের টাকা প্রদান করতে হয় প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে এ প্রতিষ্ঠানের মালিক এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে হয়রানি আরম্ভ করে এবং একজন উদ্যোক্তা কে মানসিকভাবে খুব বেশি প্রেশার দিয়ে থাকে তাদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করা খুবই কষ্ট।

কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে CTR4G2F7
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কর অফিস ৳২.০ হাজার

বাড়ির খাজনা

প্রতি বছর গ্রাম পুলিশকে দিয়ে বাড়ির খাজনা দিয়ে থাকি। কিন্তু এইবার ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পর শুনি আমাদের বাড়ির খাজনা পরিশোধ করা হয়নি। পরে গ্রাম পুলিশ আমাদের কাছে দুই হাজার টাকা দাবি করে বলে, নতুনভাবে বাড়ির ট্যাক্স টোকেন করে দিবে। পরে তাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে DK4DGAFN
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳১.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্স

ট্রেড লাইসেন্স করার সময় যাবতীয় সকল প্রকার কাগজ দেয়ার পরেও,আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত চা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করা হয়। ট্রেড লাইসেন্সটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আমি এই টাকা দিয়ে দেই।

Gazipur, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে DKERF8BZ
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫০.০ হাজার

দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তা তহবিল হতে আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তি

সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা বিআরটিএ হতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। আমার বাবার সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আমরা আবেদন করি ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১ বছর পর বিআরটিএ-র একজন কর্মচারী আমাদের ফোন করে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। অন্যথায়, আমাদের সে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান করে। আমরা তাকে ৫০,০০০ টাকা অফার করলে সে রাজি হয় এবং আমাদের কয়েকদিন পর সরাসরি ঢাকার বিআরটিএর হেড অফিসে ডেকে নিয়ে যায় এবং একজন সহকারি পরিচালকের উপস্থিতিতে আমাদের ৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। আমরা পরবর্তীতে জানতে পারি সে অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রাক্তন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন তবে অবসরের পরও এখনো বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে যোগসাজস করে তিনি নিয়মিত অর্থ আত্মসাৎ করেন।

Dhaka, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে DK7LMUPA
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳২.০ হাজার

১ম বেতন নির্ধারনী পাস ও পদোন্নতি জনিত বেতন নির্ধারনী পাস

আমি বাংলাদেশ টেলিভিশনের একজন সহকারী হিসাবরক্ষক। আমাদের ১ম বেতন নির্ধারনী পাস করাতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে সিএএফও তথ্য এর অডিটর দাবি করে। অনেক অনুরোধের পর জনপ্রতি ১৫০০ টাকা দিয়ে তা পাস করাই। তারা পদোন্নতি জনিত/ উচ্চতর গ্রেডের বেতন নির্ধারনী পাস করে সমপরিমাণ টাকা আদায় করে। কর্মচারীদের জিপিএফ এর অর্থ উত্তোলনে কমপক্ষে ২০০০-৫০০০ টাকা করে অর্থ আদায় করে। সকল ধরণের বিল পাস করতে অডিটর ও অডিট সুপারিন্টেনডেন্ট গং ১% কমিশন আদায় করে। তারা তাচ্ছিল্য করে বলে দোকান একটাই! বিল পাস করতে কমিশন দিতেই হবে।

ঢাকা, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে DKUQRW8W
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

নতুন পাস‌পোর্ট

পাস‌পের্ট আবেদন সরাস‌রি জমা নেয়া হয়না। অ‌ফি‌সের নির্ধা‌রিত দা‌লাল ফাইলে চিহ্ন দিলে সেগু‌লো প্রশ্ন করা ছাড়াই জমা নেয়। যেমন জন্মনিবন্ধন দ্বারা আবেদন করা পাস‌পোর্ট এর ক্ষে‌ত্রে চেয়ারম‌্যান কতৃক অনলাইন ক‌পি ভে‌রিফাই, আইডি কার্ড ইসি থে‌কে ভে‌রি ফাই ক‌রে আন‌তে ব‌লে যা অনর্থক। কেননা ভে‌রিফাই হ‌য়েই আব্নে‌টি সম্পন্ন হ‌য়ে‌ছে। বেকার লিখ‌লে বেকার সনদ চায়। আগের পাস‌পো‌র্টে স্বামী স্ত্রীর নাম আছে তাও কা‌বিন নামা চায়। এভা‌বে হয়রানী ক‌রে। সব ঠিক থাক‌লে বল‌বে কোথায় ফিলাপ ক‌রে‌ছেন নতুন ক‌রে আবেতন ক‌রেন, ১‌টি জন্ম‌নিবন্ধন বা এনআইডি দি‌য়ে ২য় বার আবেদন অসম্ভব। টাকা ২০০০‌দি‌লে সব ও‌কে।

মৌলভীবাজার, সিলেট ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে SYNZL5TM
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি শিক্ষা অফিস ৳১.৮০ লাখ

MPO ফাইল ফরওয়ার্ড করা

আমরা ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ জন ভুক্তভোগী শিক্ষক। বাড়ি থেকে অনেক দূরের স্কুলে ntrca এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ায় ব্যাপকভাবে হয়রানির শিকার হয়ে এসেছি। একপ্রকার আতঙ্কিত করে নানান ভয়ভীতি দেখিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের সিন্ডিকেট সদস্য যে নিজেই একজন শিক্ষক নাম —, টেকনাফে একটা স্কুলে চাকরি করে সে আমাদের কাছ থেকে এক লাখ আশি হাজার টাকা নেয়। শুনেছি তার মাধ্যম ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে ফাইল ফরওয়ার্ডিং এর কাজ সফল হয়। নিজের স্কুল, উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস সবজায়গার সিন্ডিকেট। আমার জানামতে আমরা ১২ জনে, জনপ্রতি এককালীন প্রতিজনে ১৫ হাজার টাকা করে দিলেও ভিতরে ভিতরে আরও টাকা নিয়েছেন সেই শিক্ষক। আমরা নিরুপায় ছিলাম। এই সিস্টেমের প্রতিকার চাই।

টেকনাফ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে CTJ883E7
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৬০০

ওয়ারিশ সার্টিফিকেট

আমি আমার চোট ভাই দিয়ে ময়ের ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে পারিয়েছিলাম ঐ সচিব ৬০০ টাকা নিয়ে সাটিফিকেট দেয়। কোন রিসিট দেয় নি। পরে অন লাইন মাধ্যমে জানতে পারি ৩১ টাকা লাগে মাএ।

গাজীপুর, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে DKZV3M8D
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৮০.০ হাজার

দলিলের ডিপি খতিয়ান ভুল থাকায় সংশোধন

২০২৫ সালের জুলাই মাসের দিকে রংপুর শহরের একটি জমি কেনার জন্য কাগজ পত্র যাচাই করতে গিয়ে দলিলে ডি পি খতিয়ান নম্বর ভুল দেখতে পাই। পরে দলিল লেখক কে সাথে নিয়ে সাব রেজিষ্টার এর কাছে গেলে উনি বলেন এটা সংশোধন করতে হলে কোর্টে যেতে হবে। পরে উনি দলিল লেখকের মাধ্যমে আমাকে ৮০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে জমির মালিককে বলি আমি আপনার জমি নিব না। আপনি কাগজ ঠিক করে দেন তাহলে বায়না করবো। জমির মালিকের জরুরি টাকার প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি আমাকে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিতে অনুরোধ করেন আর বলেন যে টাকা খরচ হবে সেটা জমির দাম থেকে বাদ দিবেন। পরবর্তীতে আমি ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নিই।

রংপুর সাব রেজিস্ট্রার এর অফিস, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে RNACS9XP
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

পাসপোর্ট রিইস্যু

খালাতো ভাইকে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর জন্য আবেদনসহ ফি পেইড করে ডকুমেন্ট সহ পাঠিয়েছি পাসপোর্ট অফিস, পাসপোর্ট টি তার নিজের। সে ততটা শিক্ষিত নয়। তার স্পাউস তথা স্ত্রীর নাম স্ত্রীর NID অনুযায়ী দিলেও পাসপোর্ট অফিস কর্মকর্তারা ভাইয়ের NID তথ্য সার্ভার থেকে খুজে দেখে যে ডাকনাম সহ দেয়া আছে, মানে এক কথায় ভাইয়ের বিবাহ সম্পর্কিত ডাটা বের করে। এটা নিয়ে তারা কাহিনী করে বলে হবে হবেনা নতুন করে আবেদন করতে হবে। এটা কোন কথা বা রুলস হল? যতদূর জানি পরিচয় ইনফো হয়ে থাকে যার তথ্য তার NID অনুযায়ী। অথচ তারা তালবাহানা করে। শেষশেষ ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আবেদন টি বাতিলও করে, তারপর নতুন করে আবেদন করে কম্পিউটার দোকানদার দিয়ে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, ভাইয়ের পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এ ভাবীর NID অনুযায়ী নাম ছিল তাতেও কোন সমস্যা করেনি।

নীলফামারী, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে RN6WHRYV
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১৫.০ হাজার

জমির দলিল

দলিল পুরনো হয়ে যাওয়ায়, লেখা ঠিক মতো বুঝা যাচ্ছিলো না। আর এই দলিল আমার বিশেষ প্রয়োজনে দ্রুত লাগছিলো। পরে সেটি বাইর করার জন্য একজন লোক ১৫০০০ টাকা দাবি করে। ওনি বলেন এটা অনেক পুরোনো দলিল এসব এর নতি আছে কি না ঠিক নাই। এরকম আরো অনেক কিছু বুঝাতে শুরু করলেন। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে ২ দিনের মধ্যে নতুন করে পেয়ে গেছি।যেহেতু জরুরি প্রয়োজন ছিলো তাই কোনোরকম ঝামেলা করতে চাইনি।

কুড়িগ্রাম, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে RNSLMGEQ
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কর অফিস ৳৪০.০০ লাখ

For Remittance added to my file

আমি সৌদি প্রবাসী । সৌদি থেকে টাকা পাঠায় রেমিটেন্সের মাধ্যমে প্রোপার চ্যানেলে । হুন্ডির মাধ্যমে নয়। সে এক কোটি টাকা আমার ফাইলে দেখানোর জন্য আমার কাছে চল্লিশ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে অনেক দর কষাকষি করে ৩০ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য । তো বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী রেমিটেন্সের টাকা অটোমেটিক ফাইলে হোয়াইট মানি হওয়ার কথা । কিন্তু আমার ক্ষেত্রে আমাকে ৩০ লক্ষ টাকা ঘোষ দিয়া লেগেছে শুধুমাত্র আমার ফাইলে সেটা হোয়াট মানি দেখানোর জন্য।

Chattogram, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে CTN5FSZ6
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০.০০ লাখ

পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন

আমাদের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের লাইসেন্স নবায়নের জন্য, বিশ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সরাসরি জড়িত। কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও, ঘুষ দিয়ে ছাড়পত্র নিতে হয়। কি বলব দেশের সব জায়গায় একই অবস্থা।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে CTAR3EWL
মন্তব্য