৭১৯
বাড়ির জায়গার কাজনা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাড়ির জায়গার কাজনা
ক্রয়কৃত জমির মিউটেশন/ নামজারি করতে ভূমি অফিস এর দায়িত্বরত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উৎকোচ বাবদ প্রদান করা হয়
মনপুরা হলো সম্পূন্ন নদী দ্বারা আবদ্ধ দ্বীপ যেখানে ভূমি সেবা গ্রহনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় যা এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে। অন্যান্য দপ্তরের মত এখনে ভূমি অফিসে কর্মরতরা নিজেদের দূনীতিকে পরিশ্রামে অর্থ মনে করেন। ভূমি নামজারি থেকে শুরু করে খাজনা এবং যেকোনো সেবা গ্রহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আগ্রিম দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও সেবা পাওয়া যায় না হতাশা জনক। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো এখানকার স্থানীয় সাংবাদিক দাবি করা একজন — নামে সেও ভূমি অফিসের কর্মকতাদের থেকে হাদিয়া নেন সংবাদ প্রকাশ করবেন না বলে 🤣🤣🤣। সবশেষ আমার মতামত হলো সরকার যেহেতু দুনীতিকে থামাতে পারবে না সেই ক্ষেত্রে দুনীতির রেট নিধারন করে দিলে আমাদের মত সাধারন জনগনের উপকার হয়। মানসিক ভাবে হলেও তো প্রস্তুত থাকতে পারবো😭😭😭
নিয়োগপত্র পাওয়ার পর হাতিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ইএফটি ও অন্যান্য অফিসিয়াল কার্যক্রমের জন্য উক্ত অফিেসর উচ্চমান সহকারী ১৭০০ টাকা এক প্রকার বাধ্য করে নেয়। বলে যে এখানে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস এবং অন্যান্য পার্টিদের অংশ আছে৷
টাকা না দিলে পাসপোর্ট এ আবেদনের কাগজে ঝামেলা আছে দেখিয়ে দেখিয়ে ঘুরিয়ে বেড়াবে সেই হুমকি দেই।
জমির নামজারি করে মালিকানা পরিবর্তন এর জন্য।
Ticket price holo 90 tk but shobar theke 120 tk Kore ney. Ticket shesh Hoye jawar Kotha bole shobar theke 200 tk Kore ticket sell Kore.
Prothom din giye Ami official vabe pepar tulte gele akhane okhane korte korte 8ta bajlo kajer kaj kichui hoy nai .2din pore ase Dalal er mardhome 1350/- take kaj 5000 hajar diye korate hoyeche
পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। কাগজপত্র যাচাই শেষে আমাকে জানানো হয় যে, আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট Rohingya Database-এর সঙ্গে ম্যাচ করেনি এবং এ কারণে আমাকে ৭ দিন পর আবার যোগাযোগ করতে বলা হয়। আমি জানাই যে, আমি নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা এবং এ কারণে উক্ত ডাটাবেসে আমার তথ্য/ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ না হওয়াটাই স্বাভাবিক। তারপরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমাকে জানান যে, সেদিন আমার পাসপোর্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না এবং ৭ দিন পর যোগাযোগ করতে হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি আমাকে জানান যে, ৩,০০০ টাকার বিনিময়ে কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়াই সেদিনই আমার পাসপোর্টের কাজ সম্পন্ন করে দিতে পারবেন। বাধ্য হয়ে আমি উক্ত ৩,০০০ টাকা প্রদান করি।
তখন আমি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। আমার এক বন্ধু, সেও মেডিকেল স্টুডেন্ট অসুস্থ হয়ে আমাদের নিজেদের মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে ভর্তি। হাঁটাচলা করে একটা টেস্ট করতে যাবে তা সম্ভব না। তাই তাকে নেয়ার জন্য একটি ট্রলি দরকার। হাসপাতালে ট্রলি আনতে গিয়ে দেখি তালা দেয়া এবং তা খালাদের দখলে। খালারা আমরা মেডিকেল স্টুডেন্ট হওয়া জানা সত্ত্বেও ১০০ টাকা দেয়া ছাড়া ট্রলি দেয়নি। কোন রাগারাগি অথবা মেডিকেল কলেজের যারা নেতা ছিল তাদের দোহাই দিয়েও মুক্তি হয় নি।
,পেকয়া থানার পুলিশ। সে দাবি করলো ৪০০০ টাকা,,,বাধ্য হয়ে ২৫০০ টাকা দিছি। কাউকে টাকা ছাড়া কাজ করে দেয়নি,,সবার থেকে যা মন চায় টাকা নেয় ওই পুলিশ।জুলাই, ২০২৬।
প্রতিটা মিউটেসনের জন্য ২০০০ দিতে হয় জদি প্রত্যায়ন থাকে তাহলে ৭০০০ দিতে হয়
জমির নামজারি (খারিজ) সম্পন্ন করার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি-এর পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। নামজারি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে মোট প্রায় ১,০০,০০০ (এক লাখ) টাকা খরচ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ফি ও অন্যান্য বৈধ খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে বলে আমি মনে করি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কাজ সম্পন্ন করতে নানা ধরনের জটিলতা ও বিলম্বের আশঙ্কা দেখানো হয়।
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ।ওনার পেনশন উঠাতে গিয়ে কিশোরগঞ্জে শিক্ষা অফিসার ইউডি পদে আছে — ওনি প্রায় ৫০০০০ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আমার পেনশন উত্তোলন করার সময় নেয় ওনি ও ওনার স্টাফ ।টাকা না দিলে অনেক সমস্যর কথা বলে যার কারণে দিতে হয় এমন কি হিসাবরক্ষক অফিসেও টাকা নেয় আমাদের কাছ থেকে।
শ্যামপুর কদমতলী শিল্প এলাকা, প্লট ১/বি, একটি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত শিল্প প্লটের নামজারি এবং বিনিয়োগ বোর্ডের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট বাবদ আমার কাছ থেকে ১২ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে। রাজউকের এস্টেট শাখার পরিচালক থেকে শুরু করে সব কর্মচারীরা সিন্ডিকেট করে ঘুষ বাণিজ্য করে। এদের ঘুষের রেট কখনো কখনো কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। অস্থায়ী ভিত্তিতে কিশোর বয়সের পিয়ন রাখে তাদের ঘূষ বাণিজ্য ডিলিংস করার জন্য। এই পিওনদের কে দিয়েই টাকা আদায় করে। আমিও পিয়নদের মাধ্যমে ডিলিংস করেছিলাম।
আমি মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারীর জন্য গেলে একাধিকবার আমার নামজারির আবেদন বাতিল করা হয়। পরে কোন উপায়ান্তর না পেয়ে একজন মুহুরির মাধ্যমে এসি ল্যান্ড সিও, — এর সাথে যোগাযোগ করলে কয়েকবার যোগাযোগ করার পর সে দেখে দিবে বলে আশ্বাস দেয়। পরবর্তীতে অনেক দর কষা-কষির পর সে আমার নামজারী করে দেয়। বিনিময়ে আমি ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করি। রাজনগর অফিসে কেবলমাত্র সিও — এর মাধ্যমে এসি ল্যান্ড নাকি —। ভূমি মন্ত্রণালয় যতই সেবা অনলাইন আর সহজ করার কথা বলুক, — ছাড়া কোন কাজ হয়না।
আমি আইন অনুযায়ী আমার প্রাপ্য আয়কর সম্পূর্ণ পরিশোধ করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছি। পরবর্তীতে আমাকে জানানো হয় যে, আমার আয়কর ফাইলটি Tax Audit-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছে। অডিটে নির্বাচিত হওয়ার কারণে আরও কিছু ট্যাক্স/অর্থ প্রদান করতে হবে বলে আমাকে জানানো হয়। বলা হয়, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে অডিটের বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে না এবং ফাইলের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে না। যদিও আমি ইতোমধ্যে আইনানুগভাবে প্রাপ্য সকল কর পরিশোধ করেছি। ফাইলের অডিট নিষ্পত্তি স্বার্থে আমার কাছে অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা ঘুস দাবি করে। আমি বললাম আমার সব কাগজপত্র ঠিক আছে তারপরও কেন দিব, অফিস সহকারী বলল সরকারি অফিসে কিছু খরচ দিতে হয় তা না হলে কাজ হবে না। তারপর উক্ত ৫,০০০ টাকা কর অঞ্চলের ওই অফিস সহকারীকে আমি প্রদান করি।
Amar airport e job korar Jonno police verification dorkar chilo , tai ami verification khoros babod 500 taka bank draft kore ta joma dei Dhaka cid office e, shekan theke Amar kagos patai Amar jella sp office e okhan theke1weak hoyejai tobu Amar todonto report ashena , ba bariteu asena to todonto korar Jonno, pore ami nijei jai office e pore bolen apnar kagos asche report Valo chai le 3000taka dite Hobe pore ami nirupai Hoye 3000taka dei karon Amar jobta Khun proyojon chilo je Amar khas theke ghush kai tar nam amit Hasan sp office nijtolai boshe
Mamlar date nita 500 tk gush disi
জমি কিনেছিলাম ৮ শতাংশ। যার জমি তার দাগ নাম্বার ভুল ছিল পরে সে মিথ্যা মামলা করে চার শতাংশ নিয়ে নেয় পরে আপোষের মাধ্যমে আমাদেরকে টাকাও দিয়ে দেয় জমির এরপর আমরা চার শতাংশ পাই। সেখানে সরকারের রেকর্ডে ৩.৫০ শতাংশ. বাকি ৫০ পয়েন্ট খাস জমির সাথে মিশে গেছে। ওরা অনেক দৌড়াদৌড়ি হয়রান ির করায় জমি কোনভাবেই রেলস্টেশন করতে দেয়নি তখন. এরপর ২৫ হাজার টাকা সাব রেজিস্টার কে দিয়ে জমি রেজিস্ট্রেশন করায়। সাব রেজিস্টার বলল এক্সিলেন্ট অফিসার ছাড়া 50 পয়েন্ট জমি রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না ম্যাডামের জন্য মিষ্টি কিনতে ২৫ হাজার টাকা দিন।