নাম সংশোধন
আমার দলীয় নাম সংশোধনের জন্য ৫০০০ টাকা নিয়েছে এবং ম্যাজিস্ট্রেট যেখানে ছিল সই করে ম্যাজিস্ট্রেটের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়েছে এবং এই দিকে কাগজপত্র ঠিক করে দেয় তাহলে নিয়েছে ৪০০০ টাকা সর্বমোট পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার দলীয় নাম সংশোধনের জন্য ৫০০০ টাকা নিয়েছে এবং ম্যাজিস্ট্রেট যেখানে ছিল সই করে ম্যাজিস্ট্রেটের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়েছে এবং এই দিকে কাগজপত্র ঠিক করে দেয় তাহলে নিয়েছে ৪০০০ টাকা সর্বমোট পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে
আমার মা প্রকল্প/প্রজেক্ট এর মাধ্যমে চাকরি তে জয়েন করেন ২০০৮ এ পরবর্তীতে আমার মায়ের সাথে সারা বাংলাদেশে ১০৮০ জন স্টাফ ছিলো, সবাই ১৪টা গ্রুপে ভাগ হয়ে মামলা করে সেই মামলার রায় হয়ে ২০১৯ ডিসেম্বরে সবার চাকুরী সরকারি হয়,, আমার মা 20 সালের শেষের দিকে ব্রেইন স্টোক করে পেরালাইসিস হয় 24সালে চাকুরী হতে সরকার অক্ষমতার পিআরএল মঞ্জুর করেছে,, 25সালের নভেম্বর এ পিআরএল শেষ হয়ে পেনশনের জন্য ডিও অফিস এ মামলার একটা পেপার কম থাকার বিভিন্ন হয়্রানি করে শেষে 25 এর নভেম্বর এর কাজ 26 সালের সেপ্টেম্বর এর 2তারিখ 49হাজার টাকার বিনিময়ে অডিটর সুপার ডিও পেনশন মঞ্জুর করেন।
আমি mygov এ বিবাহ সনদ/নিকাহ নামা সত্যায়নের আবেদন করি৷ আমার আবেদন আমার কাজীর কাছে আসলে তিনি ফাইল ছাড়তে প্রথমে ১৫০০০ টাকা দাবি করে বলে যে এই টাকা পররাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট কে, ম্যাজিস্ট্রেট এর সহকারিকে দেওয়া লাগবে৷ আমি প্রথমে দিতে অস্বীকার করি, পরবর্তীতে আমার মালয়েশিয়া ভিসা আবেদন দ্রুত করা প্রয়োজন হওয়াতে আমি বাধ্য হই উনার সাথে ৮০০০ টাকায় ফাইল ছাড়ানোর জন্য। পরবর্তীতে আমি ৫০০০ টাকা অগ্রীম তাকে বিকাশ করি এরপর তিনি ফাইল ছাড়েন। এবং আমাকে বাকি টাকা পরিশোধের জন্য ফোন কলে আমাকে চাপ দিচ্ছেন। উল্লেখ্য উনার মাধ্যমে আমার পরিবারের আরো কয়েক সদস্যের বিয়ে পড়ানো হয়েছে, এবং পরবর্তীতে তিনি অন্যদের ঝামেলায় ফেলবে বিধায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। অন্যথায় আমার ভিসা আবেদন সম্ভব ছিলো না।
Verification officer of DB police taken 4000 tk. for verification process in the year 2023
একটি মিথ্যা মামলার রিপোর্ট দিবে বলে ঘুষ নেয়
আমি খাজনা দিতে গিয়ে দেখি অন্য একজন আমার রেকর্ড কেটে নিছে এখন তাদের কে বলি আমি এতো দিন খাজনা দিছি এখন কেন দিতে পারবো না পরে বলে আমাকে এসিলেন্ড যাইতে পরে এসিলেন্ড গেছি আমার রেকর্ড নাকি তারা ভুলে কেটে নিছে এখন আমি বললাম ভুল হইছে আপনারা করছেন এখন ঠিক করে দেন এখন তারা বলে এই ভাবে সরকারি কাজ হয় না ভুল হলে ঠিক করতে অনেক দাপ লাগে উফফ আমি কোন বিপদে পরলাম পরে আমি বললাম ভাই কি করা যায় সে বলে একটা উপায় আছে ১০০০০ টাকা দেন ঠিক করে দিবো সে বলে এসিলেন্ড তার পর খাজনা সবাইকে টাকা দিয়া ঠিক করা লাগবে পরে আমি ৫০০০ টাকা বলি কারণ আমি নিরুপায় এদের কাছে গেলে নিজেকে আর মানুষ লাগে না যাক সে ২ দিন সময় নিয়া আবার রেকর্ড ঠিক করে ভলিউম খাজনা নেয় এখন এই টা কার ভুল আমার না সরকার আমলাদের এমন কাহিনি আর কার কার সাথে হইছে
বিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী টাকা ব্যতীত কোন সেবা প্রদানে অসম্মতি।
টাকা দিলে ১ মাসে পাব না দিলে কবে পাব আল্লাহ জানে এই হল তাদের ডায়লগ।
পিআরএল মন্জুরির আবেদন জমা দেওয়ার ১মাসে ফাইল ধরেইনি। দাবিকৃত ৫০০০ টাকা দেওয়ার পর কথা ২ মাস পর মঞ্জুর হয়েছে।
বি আর টি এ অফিসে গাড়ির ফিটনেস, রুটপারমিট ও টিনলক খোলা বাবদ ১০০০০টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
টিকিটের জন্য সিরিয়ালে দাড়ানোর পর নিরধারিত সময়ের আগে বলে আর সিরিয়াল দেওয়া যাবে না। আমি বল্লাম ভাই অনেক কষ্টে গাজীপুর থেকে এসেছি দয়া করে একটু ব্যাবস্থা করেন সে বল্লো কিছু খরচ দিতে হবে তারপর ১০০ টাকা নিয়ে সিরিয়াল দিয়ে দিলো।
আমার ছোট ভাইকে সন্দেহজনক ভাবে পুলিশ গ্রেফতার করে। তারপর বিভিন্ন অজুহাতে আইও টাকা দাবি করে যেমন ছেরে দিবে বা মামলা হালকা করে দিবে ।
আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল এর ঝালকাঠি। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় বসবাস করি। তার প্রমান স্বরুপ আমার অফিস আইডি ও বর্তমান বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি দেখানোর পর ও আমাকে রিজেক্ট করে ঝালকাঠি থেকে পাসপোর্ট করার জন্য বলা হয়।নিরুপায় হয়ে ফিরে আসার জন্য বের হলাম।কিন্তু বিপত্তি তখন ই বাধ। ফটোকপির দোকান থেকে ডাক দিয়ে জানতে চায়।কি সমস্যা? সব শুনে তারা জানায়। ঢাকা থেকে ই পাসপোর্ট করে দেয়া যাবে বাট তাদের খরচ দিতে হবে ৩০০০ টাকা নিরুপায় হয়ে ২০০০ টাকায় রাজি হয়ে যাই আর সেই কাগজ পত্র দিয়ে ই আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।এভাবে হাজারে মানুষকে নানাণ সমস্যার কথা বলে বিপদে ফেলে ঘুষ এর মাধ্যমে কাজ হয়।
অনেকদিন পরে কাজটি হয়েছিল।
আমার প্রবাসী বন্ধুর ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড দেওয়ার জন্য। সে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। শুধুমাত্র প্রবাসে থাকে বলে Card প্রিন্ট এর জন্য নিয়েছে। নইলে কখনোই স্মার্ট কার্ড হাতে পাওয়া যেত না।
I went to file a simple General Diary; I don't want to mention why, as that would make it obvious who I am to them. They made me wait all day and were trying to make it complicated, accusing me, and finally they asked me to visit the small office on the right and told me they would take care of everything, but I needed to pay. So I felt powerless and obligated. The next time I went to file another GD, they recognized me and took the money straight away.
জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা একটি মামলা করি যেখানে আমাদের দুই তিন জন সাক্ষীর বক্তব্য একটি কাগজে লেখা হয় শুধুমাত্র এই বক্তব্যটি কাগজে লিখার কারণে উনি আমাদের থেকে ২০০০ টাকা চান শেষমেষ আমাদের ৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে
ভূমির খজনার মূল্য দাবী করেছিল কয়েক বছরের বকেয়া সহ ৭৫০০.০০ টাকা। হিসাবটির প্রক্রিয়া স্পষ্ট ছিলনা। একজন নেগোসিয়েট করলো মোট ৫০০০/- টাকা দেন। জানতে চাইলাম কত টাকার টেক্স রশিদ দেবেন। বলল আপনার কোন বকেয়া থাকবেনা, রশিদ যাই দিনা কেন। আমি রাজি হলাম। আমাকে ৮৫০.০০ টাকার রশিদ দিয়ে বকেয়ার ঘরে ০ টাকা দেখিয়ে দিল।
বাবার শেষ বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাকরি থেকে অবসর নিবেন ভাবলেন, তিনি চাকরি করতেন নিরাপত্তা প্রহরীর , তারপর শুরু হল কাগজপত্র আর এ দপ্তর থেকে ও দপ্তর, বাবা স্টক করায় একহাত এবং পা প্রায় অকেজো, চিকিৎসা করার মত সঞ্চয় ছিল না, সবাই বলেছিল পেনশনের টাকা দিয়ে হয়তো চিকিৎসা করাবো, কিন্তু টাকা আর পাওয়া হলো না, তারপর বাধ্য হয়ে ঘুষের বিনিময়ে, মাত্র এক মাসের মধ্যে টাকা পাই, কিন্তু এরই মধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে, কিছু দিন পরে বাবা মারা যায়, তার পরে মায়ের নামে পেনশন চালু করতে একই সিন্ডিকেটর কবলে পরতে হয়, তাই আর কি করার আগে তো চিনতাম ওদের তাই আবার দুই নাম্বারি পন্থায় যেতে হলো, এই হলো সোনার বাংলাদেশ
নওগাঁ পৌরসভা আমি ওয়ারিশিয়ান সার্টিফিকেট উঠাতে যাওয়ার পরে ৫০০ টাকা সরকারি ফ্রি এটা জানার পরেও আমি সেখানে বলি 500 টাকা তো নিতে হবে তারা বলে এইটা দিয়ে ওয়ারিসান হবে না পনেরশো টাকা দিতে হবে আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে আমার কাছ থেকে পনেরশো টাকা নিয়েছে এবং বলেছে বিভিন্ন স্বাক্ষর করতে সেখানে নাকি টাকা দিতে হয় তাদের নাকি টাকা থাকে না তারা নাকি সরকারি চাকরি করে না তাদের বেতন কম।