License
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের OPM — ঘুষ না দিলে ফাইল ফেলে রাখে। দিনের পর দিন এটা ওটা বলে ঘুরায়। ২০০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি একটি কাজ করতে। প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অনুরোধ করতে গেলে বাজে ব্যবহার করে। পরিত্রাণ চাই।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের OPM — ঘুষ না দিলে ফাইল ফেলে রাখে। দিনের পর দিন এটা ওটা বলে ঘুরায়। ২০০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি একটি কাজ করতে। প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অনুরোধ করতে গেলে বাজে ব্যবহার করে। পরিত্রাণ চাই।
কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের শুল্কায়ন গ্রুপ ৮এ রাজস্ব কর্মকর্তা — প্রতিটা পেপারে জোর করে ঘুষ নেন। আমার একটি পেপারে HS Code পরিবর্তন হবে বলে ২ লক্ষ টাকা চান। নইলে মামলার ভয় দেখান। এক পরিচিত ভাই এর মধ্যস্থতায় ১৫০০০০ টাকা নিয়ে পেপার শুল্কায়ন করেন। এই গ্রুপের কাজ খুব ধীর গতিতে হয়।
জমি কিনেছিলাম। জমি কিনার সময় একটা দাগ খতিয়ানে উঠে নায়। তারপর অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার সময় বিষয় টি অবগত হই।তারপর শুরু হলো ভূমি অফিসে ঘুষ যাতে প্রসেস টা তাড়াতাড়ি হয় তানাহলে ২ ৩ মাস লাগতে পারে। তার আবার সে জায়গার রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে কোটের ওখানেও ঘুষ সবমিলাই ২ জায়গায় মোট ৪০ হাজার টাকার মত লাগছে। এটা আমার কথা সবচেয়ে মজার কথা হলো একদিন ভূমি অফিসে গিয়ে বসে ছিলা কথা বলার জন্য আমার সামনে, একজন কর্মকর্তা কে ঘুষ দেওয়ার সময়, তিনি বলেন টেবিলের নিচে দিয়ে দিতে উপর দিয়ে না কারণ সিসিটিভি ক্যামেরা আছে।
আমার মা গিয়েছিল নামজারির কাগজ সই করাতে সেখানে থাকা আয়া মে— নামক এক মহিলা মাকে ভুল ভাল বুঝিয়ে বলে দিছে কাগজে অনেক ঝামেলা আছে ঠিক করলে জমি আপনার নামে হবে না হলে নাই, আর ঠিক করতে হইলে ৪০০০টাকা দিতে হবে পরে মা কোন ঝামেলায় জড়াতে চাইনি বলে ৩৫০০ টাকা দিছে পরে তারা কাগজ সই করে দিছে অথচ পরে আমি দেখলাম মাকে যা বুঝিয়েছে পুরাটাই মিথ্যা শুধু শুধু টাকা টা নিয়েছে অই — নামে ইউনিয়ন ভুমি অফিস এর আয়া কাম এসিস্ট্যান্ট
আমি যখন ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম আমাকে যে রসিদ দেওয়া হয়েছিল তার থেকে আরো দুই হাজার টাকা বেশি টাকা দাবি করছিল, আমি দিতে বাধ্য হয়েছিলাম কারণ আমার ট্রেড লাইসেন্স জরুরীভাবে নবায়ন করতে হচ্ছে, না হয় কোন ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছি না
১১৭০ টাকার নামজারী করতে গেলে তশিল অফিস এবং ভুমি অফিস জানায় ১২০০০ টাক নিচে হবেনা। তাই বাদ্যহয়ে উক্ত গুষ দিতে হয়েছে। বানাড়ীপাড়া এসিলান্ড খুবই খারাপ । ঘুষ ছাড়া কণো কাজ করতে চায়না।
ম্যাপে,দখলে,দলিলে, ৪৪ শতক ছিলো কিন্তু খতিয়ানে ভুলে ২৪ শতক উঠেছিলো সেটার সংশোধন। দীর্ঘ নয়মাস ঘুরেছি কোন কাজ হয়নি। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে টাকা ছাড়া কিভাবে করবেন করেন। আমি দেখবো।শেষে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে বললাম ম্যাডাম কিছুই কি করার নাই? উনি বললেন কালকে বুধবার ২০ হাজার টাকা দিয়ে যান পরের দিন বৃহস্পতিবার আপনার কাগজ ওকে।আর না হয় ঘোরেন আরো পাঁচ বছর ধরে, দেখি আপনার কাজ কে করে দেয় কিভাবে হয়।
পার্ট টাইম একজন অফিসে জব করে , তাকে খুশি করার জন্য এবং নায়ককে খুশি করার জন্য এগারোশো টাকা নিয়েছিল, তা না হলে খাজনা দেবে না.
একটা মাঠপর্চা তোলার জন্য ডিমলা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে অফিসার আমাকে বলেন " একটা খতিয়ান তুললে তো ৭০৯/৮০০ টাকা লাগে। উত্তরে কইলাম ডিসি অফিস থেকে ১৫০ টাকায় তুলে আনছি। তখন তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা নিতে হলে সবমিলিয়ে ৩০০ টাকা দিতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যাওয়ার পর তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা ২ পেজে আসছে তাই আরও ৩০০ টাকা দিতে হবে না হলে আমার লজ হবে। পরবর্তীতে ওনার হাতের লেখা দেখে কইলাম লেখা একটু ছোট করলে ১ পেজেই হয়ে যাইতো। যাইহোক শেষপর্যন্ত আরও ১০০ টাকা সহ ৪০০ দিয়ে চলে এসেছি।
আদালতে ডেট কমানোর জন্য পেসকার সাহেবের আট হাজার টাকা দিতে হয়েছে টাকা না দিলে আমার ডেট ৫ মাস পরে দিবে
বাড়ি নির্মাণ এর plan পাস করার জন্য কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এর ইঞ্জিনিয়ার এর নিকট 4-5 লাখ টাকা দেওয়া হয়। যা legally 1-2 লাখ টাকা করা সম্ভব হত আনেক টেবিল ঘুরতে ঘুরতে। তিনি 1 বছর এর মধ্যে কাজ শেষ করে দেন।
আমি নামজারি করতে হিয়েছিলাম প্রায় ৫-৬ বছর আগে।দালাল ছারাতো কাজ হয় না।পরে ১৩ হাজার টাকা দিলে কাজ করে দেয়।এছারা একটা পাতাও লরে না
কোর্টের মামলার নথি বের করা, নথি দেখা, কোন আবেদন জমা দেওয়া এমন কোন বিষয় নাই যে, টাকা ছাড়া হয়।
নতুন পোস্টপেইড মিটারের জন্য আবেদন করার জন্য নিয়েছিল। যেদিন মিটার লাগায় ঐদিন আবার দুই কর্মচারী ১০০০ টাকা নেয়। খারাপ ব্যবহার করে, আর বলে ১০ হাজার টাকা কাকে দিয়েছেন তা জানি না, না দিলে মিটার খুলে নিয়ে যাবো। মিটারের দাম ৪ হাজারও না।
প্রত্যেক দাগের জন্য ২০০ টাকা করে ৫ দাগের জন্য ১০০০ টাকা নায়েব কে না দিলে অনলাইন খাজনার আবেদন বাতিল করে দেয়। পরে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দিয়ে খাজনা পরিশোধ করা হয়
বাধ্যতামূলক ঘুষ গ্রহণ: ৩ বছরের একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ শুরু করার সময় চরম হয়রানির শিকার হতে হয়। পদস্থ কর্মকর্তাদের অনৈতিক দাবি: ইন্টার্নশিপের অনুমতি ও চূড়ান্ত স্বাক্ষরের (Sign) জন্য সিভিল সার্জন (Civil Surgeon) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (UH&FPO) সরাসরি টাকার দাবি করেন। নির্দিষ্ট অর্থের হার: ইন্টার্নশিপের ছাড়পত্র ও স্বাক্ষরের বিনিময়ে সিভিল সার্জন ২০০০ টাকা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ১০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে হাতিয়ে নেন। কর্মকর্তাদের অযৌক্তিক অজুহাত: টাকা দাবি করার সময় কর্মকর্তারা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে অজুহাত দেন যে, তারা নিজেরাও এই পদে আসার জন্য অতীতে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ বা "ফুরাইয়ে" এসেছেন।
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য অফিসিয়াল খরচ ৮০০০ টাকা। কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ২৩০০০ টাকা। ১৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। সারা বাংলাদেশে ফায়ার লাইসেন্স ও কলকারখানা লাইসেন্স বাবদ প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে নিম্নে ৫০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০০ টাকা পর্যন্ত ধুষ নিচ্ছে। সারা বাংলাদেশে একই চিত্র।
Fire service civil defence inspector demand renewal fire license per factory 50000 taka and we have been paid for 5 factory 250000 taka.
2022 সাল কাজ চলছে , প্রতি দিন ঘুরায়। যে কোন কাজ করতে গেলে যেমন পেশকার থেকে শুরু করে নাজির সহকারি, খারিজ সহকারি,পিয়ন যত লােক আছে আপনি যেদিন দেখা করবনে সেদিন 1000-1500 টাকা দিতে হবে । টাকা না দিলে কাজ পার হবে না। এরকম করে 25000-50000 টাকা শেষ । আর ভুমি অফিসের কর্মচারি রা ওপেনে ঘুষ নিচ্ছে কিন্তু দেখার কেউই নেই। আফসোস।
প্রতি নিহত জমি খাজনা দেওয়ার সময় অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এবং জমি খতিয়ান এর জন্য আবেদন এ-র জন্যই অনেক অনেক টাকা খায়। শুধু ভমি অফিস এর সঙ্গে যারা মরি হয় মানে দালাল তারাও গুশ খায়। তারপর অনেক হয়রানি করে। লোকেশন জেলা:- মৌলভীবাজার এবং উপজেলা :- কুলাউড়া। এসব দালাল মুক্ত দেশ এর সকল কাজ চাই। সহজে যাতে করা যায়। টাকা পরিমান অনেক নিয়েছে জমি আবেদন এর সময় বেশি নেয়। আমাদের কাছে থেকে ২ লক্ষ + টাকা গুশ নেওয়া হয়েছে। ধারণা করে বললাম আরও বেশি নিয়েছে হিসাব করলে বুঝা যাবে।