ফায়ার লাইসেন্স
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য প্রতি বছর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে তারা বলে ফায়ার এক্সিট প্লান করায় নিয়ে আসেন , আর যদি ফায়ার এক্সিট প্ল্যান করা হয় তারপর আরও কিছু করতে বলে যা সকল ব্যবসায়ীর জন্য কস্টকর ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য প্রতি বছর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে তারা বলে ফায়ার এক্সিট প্লান করায় নিয়ে আসেন , আর যদি ফায়ার এক্সিট প্ল্যান করা হয় তারপর আরও কিছু করতে বলে যা সকল ব্যবসায়ীর জন্য কস্টকর ।
BRTA license paoar jonno must ghush dite hoy, nahole kono na kono vabe fail koraye dey, nij joggotay license paoa khub rear. amaro deoa lagse.
আমি পাসপোর্ট অফিস এ কয়েক দিন ঘুরে ঘুরে কাজ হয় নাই, আমার সকল কাগজ ঠিক ছিল, তবু তারা আমাকে বলে এই কাগজ ঠিক নেই ওই কাগজ ঠিক নেই, এই বলে শুধু সময় নষ্ট করাতো, আমি বাধ্য হয়ে যখন দালাল এর সাহায্য নেই, তখন কোনো কাগজের জটিলতায় পড়তে হয় নাই, অতিরিক্ত টাকা দেয়াই কোনো সিরিয়াল ছাড়াই আমাকে সরাসরি ফিঙ্গার আর ছবি তোলার রুমে নিয়ে গেলো, পরবর্তীতে যখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য থানা থেকে কল দিলো, তখন ঈশ্বরদী থানার অফিসার এক পুলিশ কর্মকর্তা আমার থেকে ১০০০ টাকা গ্রহণের বিনিময়ে আমার ভেরিফিকেশন নিশ্চিত করে।
প্রথম অবস্থায় অনলাইন এপ্লিকেশন করি কাগজপত্র সব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দেই (৭ নম্বর শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন অফিস), কয়েকদিন ফেলে রাখার পরে যখন তদারকি করা হয় তখন বলে কাগজে এই সমস্যা ওই সমস্যা। এরপরে প্রতি নামজারির জন্য তারা হাত খরচ চাই। কোনভাবেই কাগজপত্র আগানো সম্ভব হচ্ছে না। পরবর্তীতে তাদের পরিচিত মাধ্যম দিয়েই প্রতি নাম জারিতে পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে বাধ্য হয়েছি অনলাইন ফ্রি বাদে ই। এই ঘটনা শুধু আমার জন্য না এখানে যারা নামজারি করতে আসে তাদের সবার জন্যই ।এর সাথে এসিল্যান্ড নেয়ামতপুর জড়িত। এই অফিসের সবাই ঘুষখোর কেউ টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। হয় টাকা থাকতে হবে না হয় পাওয়ার থাকতে হবে। কোন অভিযোগ দিয়ে লাভ হয় না। এভাবে আমি তিনটা নামজারি করতে পেরেছি খুব মনে কষ্ট নিয়ে।
নামজারির আবেদন করেছি ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসতে বলে রিপোর্ট দিতে হলে ১২০০০/ টাকা লাগবে,আরো বেশি চাইছিল আমি দিতে বাধ্য হয়েছে, এর আগেও টাকা না দেওয়ার ১ বার বাতিল করছে,আমি সব ভিডিও সহ অনেক আলামত এ্যসিল্যান্ড মহাদয়ের নিকেটে দিয়েছিলাম কিন্তু কোন বিচার পায়নি,
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যে কোন দাপ্তরিক কাজের জন্য আলাদা অর্থ দাবি করে থাকেন তারা। চিরাচরিত ভাবে এটাই চলে আসছে , প্রতিবাদ করার সাহস কারো নেই। প্রতিটি দাপ্তরিক কাজের জন্য তাদের খুশি করতে হবে, নাহলে ভোগান্তি পোহাতে হবে।
ড্রাইভিং কোর্সে নামে মাএ ভর্তি পরীক্ষা নেয়৷ মূলত একজন ইনসট্রাক্টর আছে সে ঘুষ নিয়ে যারা টাকা দেয় তাদেরকে কোর্সে ভর্তি হওয়ার সুযোগ করে দেয়। আর বাকি কেউ ভর্তি পরীক্ষা ভালো দিলেও তাকে ফেল করিয়ে দেয়া হয় এবং সে ঐ কোর্স করতে পারে না৷।
শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আমি ইসিজি করাতে যাই, কাউন্টারে টেস্টের টাকা দেওয়ার পরও টেস্ট করানোর পর অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। আর bone scan এই টেস্টটি করাতে গিয়েছিলাম ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল সেন্টার (ইনমাস) ৩০০০ হাজার টাকার টেস্টে ১০০ হাজার অতিরিক্ত চাইছে।
হেলমেট ছিলনা ৩০০০ জরিমানা করবে বলে ভয় দেখিয়ে ৫০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে
লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এক বছরের জমির খাজনায় ১৫০ টাকার বদলে অতিরিক্ত ১৮৫০ টাকা নেয়। এখন আপনি হয়তো বলতে পারেন আগের কোনো খাজনা দেওয়া বাকী ছিল,কিন্তু উত্তর হচ্ছে না আমি প্রতিবছর নিয়মিত খাজনা দিয়ে ফেলি। এই টাকা লোকজন বেদে আরও বেশি করে নিয়ে থাকে। তার উপর আবার কম্পিউটার চার্জের নাম দিয়ে জনপ্রতি ২০০-৫০০ টাকা করে রাখে। একি সাথে নামজারিতেও একই অবস্থা পুরো লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে বেশির ভাগ ভুমি অফিস ১১২০৳ ফি বিগত বছরগুলোর ন্যায় ৭০০০-১২০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। না দিলে নামজারি করে না। বিভিন্ন ওজুহাত দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। উল্লেখ্য, আমাদের বর্তমান পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ঐ মন্ত্রীর গ্রামের বাড়ি একই ইউনিয়নে।
আনুসাংগিক ডকুমেন্টস শর্টফল
Driving license er jonno chobi tulte giyechilam. Toh sekhane kormoroto lok bole je tk na dile chobi tulbe na. Baddho hoye tk dichi. Nahole driving license petam na.
সার্ভার সমস্যা যাতায়াত ভাড়া বাবদ ৮০০/- টাকা দাবি করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৩ নং ওয়ার্ডের সচিব — কিন্তু ১৮দিন পার হওয়ার পর ও সেবা পাইনি।
বিআরটিসি তে ফ্রি ড্রাইভিং কোর্স করায় এখানে ভর্তি হবার জন্য দিতে হয়েছে।
নানান ধরনের সমস্যা দেখাচ্ছিলো।
নামজারি ছিলো বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে নিয়েছে
পরিদর্শক ২০০ টাকা নিয়েছিলো। ঘুস নিয়েছিলো ৪০০০ টাকা।
৫০ টাকা খাজনা দেয়ার জন্য অতিরিক্ত ১০০ টাকা দিতে হয়েছে সহকারি নায়েব কে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করা
প্রথমে আমার কাছে ১২০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। সবশেষে ৯০০০ টাকায় সমঝোতা হয়। যদিও সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা মাত্র। এই ভোগান্তির শেষ কোথায়।