সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,০১৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

পুলিশ ভেরিফিকেশান- ময়মন্সিহ সদর

সদর থেকে পুলিস নিজেই আমাকে ফোন করে ১০০০ টাকা বিকাশ করতে বলে।

সদর, ময়মনসিংহ ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১০.০ হাজার

NOC from Ministry Home Affairs for Extension of VISA

There was previously an option to submit the application online; however, the online portal is currently not functioning. As a result, applications can now only be submitted through the officials. They are reportedly charging BDT 10,000 to BDT 25,000 per application, particularly in cases involving foreign nationals. This is truly a matter of concern and shame for us.

Dhaka, ঢাকা ২২ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫০০

finger print

মিরপুর ১১ তে ৫০০ টাকার বিনিময়ে লাইন ব্রেক করে ফিঙ্গার প্রিন্ট করায়। লাইন ম্যানের কাছে এই টাকা দিতে হয়। অন্যথায় ৭-৮ ঘন্টা সময় লাগায়।

Dhaka, ঢাকা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০০

বিমানের প্রস্থান টিকিটের দাম বৃদ্ধি

২০২৫ সালে মার্চ মাসে সিলেট বিমান অফিসে গিয়েছিলাম আমার সৌদি আসার ফ্লাইট পেছানোর জন্য,বিমানের ডিউটি অফিসার সম্ভবত — নাম। আমার কাগজ পত্র নিলেন,Exit re entry পেপার ছিলো,এর ভাষা আরবি হলেও সৌদি ত্যাগের ও প্রবেশের সর্বশেষ ডেট ইংরেজি তে ছিলো,উনারা জানেন,এবং এই কাগজে তাদের ওয়েবসাইট থাকে,যা থেকে এক ক্লিকে ইংরেজি ভাষায় পাওয়া যায়। তার পরও উনাদের বাহিরের চক্রের লোকের কাছে পাঠান,সেখানে যাওয়া পর এক ক্লিকে ট্রানসলেট করে ২০০ টাকা নেয়।তখন ঐ অফিসারকে দেয়ার পর উনি দেখেন শুধু,কোন স্ক্যান করেন নি।সৌদি প্রবাসি সবার সাথে এটা করে,যদিও এর ট্রানসলেট কোনভাবেই জরুরি না।ডেট স্পষ্ট ইংরেজিতে আছে। আমার আরো অনেক আত্মিয়ের কাছ থেকে নিয়েছে তারা।

সিলেট, সিলেট ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৭.৩ হাজার

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

আমার এম আর পি পাসপোর্ট আমি অনেক মাস যাবত দেশে, কিন্তু পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, করতে গিয়ে বার বার আবেদন বাতিল হয়। পুলিশের কাছে জানতে গেলে বলে ই পাসপোর্ট লাগবে। কিন্তু আমার কয়েক বছর মেয়াদ আছে । এই পরিস্থিতিতে আমার জরুরি দরকার, কারন ভিসা চলে এসেছে। এর পর একজনের মাধ্যমে পুলিশকে দিয়ে ১৫১৫ টাকার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ৯০০০টাকায় করতে হলো। পুলিশ চাইলেই আমার এই।সমাধান করে সাহায্যকরতে পারত।কিন্তু তারা টাকা খাওয়ার জন্য এগুলা বাতিল করে দেয়।

শিবচর, ঢাকা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

৩০০০ টাকার বিনময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়েছিলো মিরপুর বি আর টি এ। তারা এমন ভাবে ট্র্যাক সাজায় যে ১০ বছর এক্সপেরিয়েন্স লোক পাস করবে না। এমন কি যে ট্রাক চালায় ১০ বছর ধরে সে ও ফেল করেছে কার ড্রাইভিং এ।

Dhaka, ঢাকা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৪০০

এ সি আর সাইন করিয়ে নেয়া

আমার অভিভাবক কে প্রধান স্কিক্ষক পদে পদোন্নতির জন্য তার এ সি আর সাইন করিয়ে নিতে হয় ATO এর কাছে, সেখানেই কিছু টাকা নেন ATO তিনি, কেবল আমার অভিভাবক নয়, বাকি সবার কাছেই তিনি ৫০০ করে নেন।

রংপুর, রংপুর ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

পুলিশ ভেরিফিকেশন

পুলিশ ভেরিফিকেশনের সরকারি ফি এর বাইরে এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয় 2 নম্বর গেট, চট্টগ্রাম ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১.৭ হাজার

নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য আবেদন জমা নেওার জন্য দালাল দ্বারা ঘুশ গ্রহন

— Passport office er samnei bosen, cotto ekta computer এর দোকান নিয়ে। তার নম্বর হলো ০১৭৪*****০৫, প্রথমে আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে আবেদনের কপি জমা দিতে যায়, সেখানে আমি পর পর ২-৩ দিন ফিরিয়ে দেওয়া হই পর্যাপ্ত কাগজ থাকা সত্তেও যে পিতামাতার ভোটার আইডিকার্ডের অরিজিনাল কপি লাগবে। আমি ল্যামিনেট করে একটি কপি নিয়ে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় এখন তৈরি করে নিয়ে গেলে হবে না, পূর্বের পরে থাকা আসল কপিটি লাগবে, এটা একটা আজব চাওয়া। আর বুঝতে বাকি রইলো না যে আমাকে সিস্টেম এর মধ্যে দিয়েই যেতে হবে, যেহেতু জরুরী প্রয়োজন ছিলো তাই বাধ্য হয়ে দালাল দিয়ে কাজটা করিয়েছি, মজার বিষয় হলো দালাল এর সাথে যোগাযোগ করার সঙ্গে সঙ্গে সুধু মাত্র আমার আবেদনের কপি এবং ভোটার আইডি কার্ড এর কপি টি লাগলো, প্রমাণস্বরূপ অডিও আছে

কুষ্টিয়া, খুলনা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৩০.০ হাজার

পেনশনের টাকা

আমার আব্বার কলেজের শিক্ষকতার পেনশনের টাকা অনেক বছর ধরে আটকানো। অফিসে গিয়ে চাইলে তারা বলে ৩৫০০০ টাকা দিলে আংশিক টাকা ছেড়ে দিবে। এরপর ৩০,০০০ টাকায় রফাদফা হলে কিছু টাকা একাউন্টে আসে। এরপর প্রায় ২ বছর ধরে বাকি টাকার জন্য ঘুরতে হচ্ছে।

Dhaka, ঢাকা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সিটি কর্পোরেশন ৳৭.০ হাজার

নতুন জন্ম নিবন্ধন, নিজের মতো নাম ও জন্ম তারিখ

কিছুতেই জন্ম নিবন্ধন ঠিক করতে পারছিলাম না। ২০২১ এ। ১ বছর ৯ মাস এ অফিস, ঐ অফিস দৌড়াদৌড়ি করে কিছু না হওয়ায় দালালের মাধ্যমে সিটি করোপরেশনের লোক দিয়ে ২০২৩ সালে নতুন জন্ম নিবন্ধন বানাই যাতে কারেকশন ছিলো আমার ডাকনাম ও বয়স যেটা আগে কমানো হয়েছিলো সেটা অরিজিনাল বয়সে নেয়া।

কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳৫০০

পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন

আমি মনে করছিলাম টাকা দিতে হবে না। পুলিশ সরাসরি টাকা চেয়ে বসে। এমনকি ভেরিফিকেশন এর জন্য, আমার তথ্যও যাচাই করে নি। রহিংগা/ অন্য দেশের হলেও ভেরিফিকেশন করে দিত। শুধু টাকা নেওয়াই পুলিশের উদ্দেশ্য ছিল।

খুলনা, খুলনা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৬.০ হাজার

মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা

থানায় জমি সংক্রান্ত মামলা করতে প্রথম বার মামলা লেখার জন্য ৫০০, তদন্তে যাওয়ার গাড়ি ভাড়া ৫০০, তদন্ত যাওয়ার খরচ ৩০০০, তদন্ত জন্য কাগজ পত্র দেখা লাগবে বলে ২০০০ টাকা, মোট ৬০০০ টাকা নিয়েও মামলার কোনো রেসপন্স পাইনি!

Comilla, চট্টগ্রাম ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০০

General diary/ GD

Hsc certificate haranor jonno uttara west thanai gd korte gesi, habildar gd kora shesh gd er copy haat e rekhe amk boltese bhai cha nasta khawar jonno taka den kichu, ami bollam cholen pashe jeye nasta kore ashi, halai bollo na bhai jawa jabena.. tarpor duisho tk niye amake gd copy dise

Dhaka, ঢাকা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৩.০০ লাখ

ডিবি অফিস থেকে প্রাপ্ত কল ও সাইবার ক্রাইম মামলায় ভুলভাবে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ

আমি একটি সাইবার ক্রাইম মামলার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসা একটি লেনদেনের কারণে আমাকে মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয় এবং গুরুতর অভিযোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। উক্ত লেনদেনের মূল ঘটনা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কার্যক্রম সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান বা সম্পৃক্ততা ছিল না। নিজের নাম ও সম্পৃক্ততা পরিষ্কার করার জন্য আমাকে প্রায় ৩,০০,০০০ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। আমার মতে, শুধুমাত্র একটি অনিচ্ছাকৃত/সংশ্লিষ্টতাবিহীন ব্যাংক লেনদেনের ভিত্তিতে একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে এভাবে হয়রানি ও গুরুতর সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

Dhaka, ঢাকা ২২ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য