জমির খাজনা
আমি আমার দাদীর জমির খাজনা দিতে গিয়ে তারা অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার দাদীর জমির খাজনা দিতে গিয়ে তারা অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দাবি করে
ওয়াসার আবাসিক নতুন সংযোগের জন্য রোড কাটিং পারমিট। সকল কাগজপত্র দেওয়ার পরে খাজনার কাগজ সহ আরো আবেদনপত্র যা আছে করার পরে। পৌরসভার কর্মচারী ১৫০০০০ টাকা দাবি করেন ফাইল এর কাজ করতে। কারণ হিসেবে দেখান টেবিল খরচ অন্যান্য খরচ । সরকারি খরচ হিসাব করলে ১৫০০০ টাকা শুধুমাত্র।
Now a day nbr all circle doing 147 tds audit of our factory in middle of May as where a few miscommunication happened with the team vs our accounts unit due to not getting available soft data live data from software but due to which concern dct very enoyed and informed his commissioner very badly due to his reverse report she informed dct to issue penalty order without issuing any notice which legal once a time maximum 50 lac but dct claim it thrise times on last paid tax 10 % three times besides it reopen the case under section 93 as where if same done there will be huge tax burden of us .to solve it dct asked 50 lac initially lastly ask 30 lac
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যে-কোনো কাগজ পত্রের জন্য গেলে ইউনিয়ন সচিব মহোদয়কে এর বিনিময় চা খাওয়ার জন্য কিছু টাকা দিতে হয় যেমন ২০০ থেকে ৫০০ টাকা জন্ম নিবন্ধ, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, প্রত্যয়ন পত্র, পারিবারিক সনদ ইত্যাদি। টাকা না দিলে উনি স্বাক্ষর ই করেন না।
১৯৯৪ থেকে আমার এক দেওয়ানী মামলা চলছে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে সাক্ষী জেরা চলমান। সরকার পক্ষ হাজিরা দেয় না। কোর্টের স্টাফ বলে ৫ কোটি টাকা দিলে ১ সপ্তাহের মধ্যে মামলার রায় এনে দিবে, নয়ত অপেক্ষা করা লাগবে। আমি প্রস্তাবে সায় দেই নাই।
আমি লাইসেন্স টাকা মারতে গেলে বেশি টাকা দাবি ও যারা টাকা দেয় তাদের লাইসেন্স দ্রুত প্রদান করে
উপজেলা ভূমি অফিস সোনারগাঁ প্রধান সহকারী — একজন খুবই দুর্নীতিবাজ , তিনি আমার থেকে মিস কেস রায় জন্য ৩০০০০ হাজার টাকা চেয়েছেন এবং আমাকে কু প্রস্তাব দিয়েছেন
আমি নামজারি করতে গেলে আমার জায়গা সি,এস নকশা নদী বলছে প্রথমে তারপর আমি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জমির পেন্টাগ্রাফ করে নিয়ে যাই সেখানে নদী ছিল না নকশা কিন্তু টাঙ্গাইল সন্তোষ পৌর ভূমি অফিসের অফিসের নায়েব এই — নদী বলে আমার কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে
পাসপোর্ট করতে গেলে যদি কোন ভুলত্রুটি কিংবা কোন একটা কাগজ কম থাকে অথবা সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ করতে পারে না কিন্তু একই কাগজপত্র দিয়ে দোকানদারের ফোন কল কিংবা দালালদের মাধ্যমে কাজ করলে খুব সহজেই কাজ করা যাচ্ছে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরাসরি পাসপোর্ট এর লোকজন জড়িত। আমার পরিচয়পত্র অনলাইন টা ছিল না, তার জন্য আমার কাছ থেকে পরে এসে টাকা ভরতি চায় এবং তারা ম্যানেজ করে দিতে চেয়েছিল। ব্যাপারটা তাদের একটা ফোন কলের মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছে। আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আছে তবে আমার ক্ষেত্রেই একটা ঘটেছে। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে টাকার মাধ্যমে সহজ হচ্ছে তবে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।
এমপিও ও বিল করে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চেয়েছে প্রধান শিক্ষক, টাকা দিবো বলে কাজ করিয়ে নিয়েছি। এখন টাকা চাচ্ছে; কিন্তু আমি দিবো না এক টাকা ও। যদিও আমার অনেক কাগজ তার কাছে আটকে আছে। এরা অনেক জঘন্য ও নিলজ্জ।
বিষয়ঃ Bangladesh Digital Survey (B.D.S), বি.ডি.এস জরীপের নামে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য, এখানকার বহু জমি মালিকদের কাগজপত্র আপডেটেড থাকার পরেও (যাহা কিনা একধিক ভেন্ডার ও উকিল দিয়ে যাচাইয়ের পরে স্বীকৃত) উক্ত সাব অফিসের সকল কর্মকর্তা প্রত্তেকের থেকে টাকা দাবী করে, এবং ভয় দেখায় এই বলে যে-আপনার যায়গা খাস হয়েযাবে, ۱۰۰ বছর আগের হিন্দু মালিকরা মালিকানা লাভ করবে, ইত্যাদি, তাদের কথায় যা বোঝায় টাকা ছাড়া কেউ জরীপ করাতে পারবে না। আমার সুনেছি যাদের যায়গা বেশী তাদের কারো কাছে ۱۵ লক্ষ টাকা অবদি দাবী করেছে।
If you want to registry any Dolil for sale , they will refuse you . Ei jayga registry hobe na. Karon modhumotir name case ase. But amar jayga Modhu motir outside. Then they will ask for, it will possible but sir k manage korte hobe . Then 3-5 lac taka lagbe . That’s their policy.
বিল করে দেওয়ার পর টাকাটা সে গিফট হিসেবে চাচ্ছিলো এবং বারবার বিরক্ত করছিলো। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি বিরক্ত হয়ে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপা্তাল দিনাজপুর সিনিয়র স্টাফ নার্স দের বিদায় উপলক্ষে প্রত্যেক জনের কাছ থেকে ৩০০ টাকা হারে ২২০ জন সিনিয়র নার্সদের কাছ থেকে মোট ৬৬০০০ টাকার মূল্যের ৪ আনা ওজনের সোনার আংটি অথবা কানের দুল উপহার দিতে বাধ্য করা হয় ।চাঁদা না দিলে খারাপ আচরণ করা হয় ।ডিসেম্ববর ২০২৬ সালে ৪ জনের বিদায় উপলক্ষে ২৬৪০০০ টাকা আদায় করা হবে ।জন প্রতি সকল নার্স ১২০০ টাকা দিতে ইচ্ছুক নয় ।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২০০০ টাকার বেশি উপহার দেয়ার কথা নয় । কিন্তু ওনারা জোর করে সোনার কানের দুল আদায় করে নিতে চাচ্ছে ।
নথি পা করে দেওয়ার জন্য দাবী করা হয়েছে।
Although I attached all the files and documents for paying land tax online, Local land officer demanded 50,000 taka on approve my online land tax request. As I denied to pay him extra money, he declined my online request twice without any explanation. After 5th August during interim government I applied for 3rd time and it's accepted.
এনটিআরসিএ মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করলে বেতন করতে গেলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ডিজি টাকা ছাড়া বেতন করতে রাজি হয় না।এরকম ঘটনা সারা বাংলাদেশে সব সময় হচ্ছে।টাকার বিনিময়ে জবের সব রিক্রুটমেন্ট ঠিক না থাকলেও বেতন করে আনতেছে। এজন্য বাংলাদেশে অসংখ্য ভূয়া শিক্ষক শিক্ষকতা করেছেন।
নাবিক হইতে গেলে 10 লক্ষ টাকা দিলে নাবিক হওয়া যায়। 10 লক্ষ টাকা না দিলে কিছুই হওয়া যায় না। এখানে সবার মুখে নাবিক হইতে 10 লাখ। প্রকাশ্যে এমন ঘুষ বাণিজ্য সত্যিই হতাশা জনক। হাজার হাজার যুবকদের স্বপ্ন এভাবে চোখের সামনে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
জমির নাম জারি বা খারিজ খতিয়ান করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। 10 টা থেকে বিকাল 5 পর্যন্ত অফিসে বসেছিলাম। দালাল ধরিনি বলে কাজ হচ্ছে না। পাঁচটার পর অনেক অনুরোধ করার পর ইউনিয়ন ভুমি অফিস তাদের অফিশিয়াল কাজ করে খারিজা আবেদনের কপিটি আমাকে দেয়।পরে বলে আপনি এসিলেন্ট অফিসে গেলে কাজ হবেনা। আমরা অফিস থেকে নিয়ে যাব কাগজ রেডি করে দিব করচ পাতি দিতে হবে।আমি বল্লাম স্যার কত দিতে হবে? সে বল্ল 16۰۰۰ টাকা। আমি বল্লাম এতো টাকা কেন সরকারি ফি তো 11۷۰ টাকা মাত্র। স্যার বল্ল আমাদের দারা না করিলে আপনি কাগজ নিয়ে জমা দেন আপনার আবেদন বাতিল হয়ে জাবে। আমি বলি আমার কাছে এতো টাকানেই আমি নিজে গিয়ে এসিলেন্ট অফিসে জমা দিয়ে আসি। স্যার বল্ল ঠিক আছে আপনি বড় (ন্যায়েব)স্যারের খরচ দিয়ে যান। আমি বলি কত সে বলে 1500 টাকা। পরে তাই
জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে গিয়ে পড়তে হয়েছিল এক বিভ্রান্তিকর ঘটনায়। ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে গেলে সরকার নির্ধারিত ফি-এর কয়েকগুণ বেশি টাকা দাবি করে বসেন কম্পিউটার অপারেটর। তার নির্ধারণ করা টাকা না দিলে আবেদন করে দিবে না বলে সরাসরি জানিয়ে দেন। পরে আমার নিজের আবেদন নিজেই করি। পরেরদিন সনদের জন্য গেলে আবারও আগের মতোই কয়েকগুণ টাকা ঘুষ চায় কম্পিউটার অপারেটর ও তার এক সহযোগী। কম্পিউটার অপারেটর জানান পরিষদের সচিব কিছু ভাগ পায়, পরবর্তীতে সচিবের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আসল ঘটনা শেয়ার করেন, যা আমাদের ধারণার সাথে সম্পূর্ণ মিল পাওয়া যায়। কম্পিউটার অপারেটর একজন ঘুষখোর, চাঁদাবাজ।