নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি এবং আমার ড্রাইভার ০৪/০৮/২৬দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ তিঘরিয়া নামক এলাকায় একটি ট্রাক দুর্ঘটনায় আমার ড্রাইভারের মৃত্যু হয় এবং আমি গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়। ২ দিন পরে আমার জ্ঞান ফেরে। তারপর কেরানীগঞ্জ থানাধীন বিআরটিসি অফিসে উপস্থিত হয়ে সব ধরনের ডকুমেন্টস দিয়ে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন করি। তারা জানায় ৭০ দিনের মধ্যে ফোন করে মিটিংয়ে ডাকবে, ৫ মাস পার হওয়ার পরও কিছু জানানো হয়নি।আমরা যোগাযোগ করলে অফিস থেকে আমাদের কাছে ১ লক্ষটাকা দাবি করে। ১ লক্ষ টাকা না দিলে তারা আমারদের অনুবাদ বাস্তবায়ন করবেনা বলে জানায়।
জায়গা জমি নাম জারি করতে জেয়ে ভুমি অফিস তারা টাকা দাবি করছে।
নাম জারি খতিয়ানের অনলাইন আবেদন ডৌহাখলা ভুমি অফিসে জমা দিয়ে ১ সপ্তাহ পর গত১৮ আগস্ট উপজেলা অফিসে গিয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে।অফিস সহায়ক আমাকে বলেন সার্ভার সমস্যা। জেলা অফিস থেকে করতে হবে। ৩ মাস সময় লাগবে। আমি জুরুরি বল্লে তখন তিনি বলেন তাহলে এটা ঢাকা মন্ত্রনালয় থেকে করে আনতে হবে।২০-২৫ দিন সময় লাগবে।অবশ্য তিনি তখন আমাকে বলেন তিনি এসি ল্যন্ড অফিসে আছেন। আমি গুরুত্ব দিলে তিনি প্রথমে ১২ হাজার টাকা দাবি করেন। এরপর ১০ হাজার। কিন্তু আমি রাজি হয়নি।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার বিল্ডিং এর প্লান অনুমোদন করতে গেলে নকশা কার ১০০০০ টাকা চায়।
৩০ শে জুন (২০২৬),৮ শতাংশ জমি সাব কবলা করা হয়। রেজিস্ট্রি অফিসে সেই জমিন নকল তুলতে একজন চায় ২০০০ দালাল। আর সাব রেজিস্টার অফিসের একজন কর্মচারী চায় ১৮০০।
টিকাটুলি কামরুন্নেসা সরকারি স্কুলের অফিস সহায়ক কাজ করেন কম্পিউটারে ২০০ টাকার কাজ করতে নেয় ১৫০০ _২০০০ টাকা।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসবি থেকে একজন অফিসার কল দিয়ে বলে সরাসরি কিছু কাগজপত্র নিয়ে দেখা করতে। সরাসরি না যেতে পারব না বলায়, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হলে এবং বিকাশ নাম্বারের কথা বলে ইঙ্গিতে ১০০০ টাকা চায়। কিন্তু আমি আর দিইনি টাকা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে ঘুষ ছাড়া কোন চাকরি নাই। ডাবল মাস্টার্স, প্রচুর পাবলিকেশন থাকা সত্বেও চাকরিতে নেয়নি। বরং ঘুষের বিনিময়ে বয়স শিথিল করে নিয়োগ দিয়েছে।
মিউটেশন এর কাজ ছিল। নায়েব সাহেব টাকা ছাড়া কাজ করবে না, প্রথম কিছু বলেনি ১ সপ্তাহ পরে এ কথা বলে।
আমাকে ২০২৩ সালে পাসপোর্ট ভেরিফেকশনের জন্য ধামরাই থানায় ডাকা হয়। আমার বিদুৎ বিলের বাবার নামে ছিল ই কার আর আমার বাবার ভোটার আইডি কার্ডে ছিল ঈ কার। এর জন্য আমার কাছে থেকে ৩০০০ টাকা নিয়া হয়।
আমি জন্ম নিবন্ধন নামের বানান সংশোধন করতে গিয়েছি উনি আমাকে বলেছে এটা হবে না এটা করতে হলে অনেক জায় জামিলা আছে টাকা পয়সা অনেক খরচ হবে এখানে আপনি বিকেলে আমাকে কল দিবেন একটা নাম্বার দিয়েছেন তারপর আমি ওনাকে বিকেলে কল দিলে উনি আমাকে বলে এখানে অনেক খরচাপাতি আছে অনেক জটিল কাজ ৫০০০ টাকা দিতে হবে
I went to register a Will Deed. I contacted a deed writer and asked for the total fee. I knew the official fee was around 2000 BDT plus the writer's charge. But the writer went to the sub-registrar before writing the Will Deed to confirm the official and unofficial fees. He came back and informed me that the sub-registrar asked for 40000 for the registry. I wanted to talk to the sub-registrar, but the deed writer, along with other deed writers, stopped me, saying that if I raised the issue, then the sub-registrar would not take any file from the deed writer as a punishment. I refused to pay the fee and came back.
বিধবা ভাতা নিতে পাঁচ হাজার টাকা দাবি
দলিল উত্তোলন করতে গেলে, মহুরি বলে রিসিট হারিয়ে গেছে, এখন ২০০০ টাকা লাগবে তাহলে অরিজিনাল দলিল উত্তোলন করতে পারবেন
e passport application from জামালপুর অঞ্চলীক পাসপোর্ট অফিস এ আমি আমার e passport application জামা দেওয়ার জন্য আজ ৪০দিন ধরে ঘুরতেছি কিন্তু ঘোস ছাড়া জমা নেই না। এইটা নাই ওইটা নাই বলে rejected করে দেই। পাসপোর্ট অফিসার দের নিজের দালাল চক্রের থাকে অফিসের নিজে তাদের কে ২০০০টাকা থেকে ১৫০০টাকা ঘোস দিলে সাথে সাথে আবেদন ফর্ম জামা নেই। না দিলে পাসপোর্ট অফিসার নানারকম বাহানা দিয়ে rejected করে দেই পরে বাধ্য হয়ে অফিসার থেকে দালাল চক্রের সাথে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়।
স মিল এর বিদ্যুৎ সংযোগ বাবদ ২৫০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছিলো। ঠাকুরগাও নেসকো অফিস এর কর্মকর্তা।
৫০০ টাকার কাজ চাইছে ৫০০০ টাকা
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য সকাল সকাল তাদের অফিসে যাই, গিয়ে তাদের রুলস মতো সবকিছু করি , এক্সাম দেই সেটায় পাশ করি। এরপর ভাইভাতেও পাশ করি। এরপর ড্রাইভিং প্রাক্টিকাল দেই সেখানে তারা আমাকে ফেইল করিয়ে দেয় এবং এক্টুপর অওই অফিসেরই একজন আমার কাছে এসে প্রাক্টিকালে পাশ করানোর জন্য ৪,০০০/- (চার হাজার টাকা) দাবী করেন । আমি সাথে সাথে তার দাবী প্রত্যাখ্যান করে দেই ।
গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার জন্য লাইসেন্স নিতে গিয়ে ঘুস চাই আমি দিতে রাজি হয়নি তাই হয়নি।
আমার সমস্ত কাগজপত্র লিগ্যাল থাকার পরেও আমাকে দেওয়া হয়নি পেয়েছে এবং টাকা না দেওয়ার কারণে খারিজ দেয়নি