নাগরিক সনদ পত্র
নাগরিক সনদপত্র কড়তে গিয়েছিলাম তারপরে। ফর্ম লিখে দিতে ২০০ টাকা চায় সেটা দিয়ে অন্য আরেকজনের কাছে পাঠায় কাগজটা জমা দিতে সেখানে সেও আবার ২০০ টাকা চাই।মোট ৪০০ টাকা দিয়ে পাঁচ দিন পরে নাগরিক সনদপত্র হাতে পাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নাগরিক সনদপত্র কড়তে গিয়েছিলাম তারপরে। ফর্ম লিখে দিতে ২০০ টাকা চায় সেটা দিয়ে অন্য আরেকজনের কাছে পাঠায় কাগজটা জমা দিতে সেখানে সেও আবার ২০০ টাকা চাই।মোট ৪০০ টাকা দিয়ে পাঁচ দিন পরে নাগরিক সনদপত্র হাতে পাই।
পাসপোর্ট নিয়ে নিয়েছিল। পাসপোর্টএ সিল মারার সময়। আমি তখন স্টুডেন্ট টাকা ছিলো না অল্প কিছু টাকা নিয়ে অনার্স শেষ করে ঘুরতে যাচ্ছিলাম । আমি বলেছিলাম আমি বেকার মানুষ এখন ও কোন কাজ করি না আমার কাছে বেশি টাকা নেই । তারা বলছিল টাকা নেই তো ভারতে যাচ্ছ কেন। কত গালাগালি ও দিয়েছিল । এর বিচার চাই। আমার ৫০০ টাকা ফেরত চাই।
পাসপোর্ট করতে দিয়েছিলাম ভেরিফিকেশন এর জন্য থানা থেকে কল করে পরে আমার সব কিছু ঠিক ছিল তবুও ১০০০ দাবী করে আমি মানা করায় এটা ভুল ওটা ভুল টাকা দিতে হবে না হলে হবে না কিনতু আমার সব কিছু ঠিক ছিল তারপর কি করার ১০০০ টাকা দেই
টাকার বিনিময়ে কম সময়ে কাজ করতে চাইছিলো
আমার মামা একজন প্রবাসী উনি দেশে আসার পরে উনাকে এলাকার একজন মহিলা প্রতারক যিনি মানুষকে জিম্মি করে টাকা দাবি করে। আমার মামাকে জমি দেখানোর কথা বলে নিয়ে যে একটি ঘরে নিয়ে নির্যাতন করে এবং টাকা দাবি করে পরবর্তীতে আমরা পুলিশের শরণাপন্ন হলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে জিডি নেয় কিন্তু তাদের ঘটনাস্থলে অর্থাৎ মামাকে যেই ঘরে নির্যাতন করা হয় ওই স্থান পরিদর্শন করার জন্য কিছু খরচ এর দাবি করে যা ১০০০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় তা না হলে তারা আসামিদের ধরতে যাবে না। বাংলাদেশের অনেক ঘটনা এমন হয় যদি পুলিশ সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা নেয় তদন্ত এবং কোন ঘুষ লেনদেন না হয় তাহলে দেশের অনেক দুর্ঘটনা বা হত্যা কমে যাবে এবং অন্যায়কারীরা সঠিক শাস্তি পাবে বর্তমান সময়ে রক্ষকই ভক্ষক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফেনীর সোনাগাজীর সোনাপুর গ্রামের আমিরাবাদ ইউনিয়ন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর জন্ম নিবন্ধন করতে টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, ১৮ বছর পার হয়ে গেলে নাকি জন্ম নিবন্ধন করা যায় না। পুরোনো জন্ম নিবন্ধন থাকলে সেটি যেখানে করা হয়েছিল, সেখান থেকে চিঠি এনে ইউনিয়ন অফিসে জমা দিতে হবে বলেও জানান। আমার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) থাকা সত্ত্বেও এবং আমি একই এলাকার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও আমাকে নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করা হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে জন্ম নিবন্ধন করা যাবে না বলে জানান। অন্যদিকে, ইউনিয়ন অফিসের বাইরে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে টাকা দিলে একই কাজ ঠিকই করে দেওয়া হয় বলে জানতে পারি। এমনকি টাকা নেওয়ার বিনিময়ে মৃত ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু নিবন্ধন একসঙ্গে করে দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
We went passport office but passport rejected our application due to color id card and student id card but we have black white id card. When we leave the passport office, a person of their as agent contact with me and he wants 4000 tk for passports and provide an token number. When we again submitted same file with that token the passport officer didn't ask any queries and approved these files.
ময়মনসিংহ বিআরটিএ অফিসে ফিঙ্গার দিতে গিয়েছিলাম। আমার একটা ফিঙ্গারপ্রিন্ট এ সমস্যা ছিলো । আঙ্গুলের ছাপ নিচ্ছিলো না। তাদেরকে বললাম এখন করনীয় কি। তারা বললো বিআরটিএ হেড অফিসে যেতে হবে। রিকুয়েষ্ট করে বললাম আমার সব ঠিক আছে একটা আঙুলের ছাপ নিচ্ছে না বলে আমার আবেদন টা বাতিল হয়ে যাবে। তখন বললো তাদের করার কিছু নেই । তখন আমি বাধ্য হয়েই বের হতে যাচ্ছি এমন সময় তারা বললো কাউকে ধরেছেন কি? তখন আমি বুঝতে পারলাম দালালের কথা বলছে হয়তো । আমি বললাম যে আমি নিজেই আবেদন করছি আর আমি যথেষ্ট ড্রাইভিং পারি তো কাউকে ধরার তো প্রয়োজন নেই । তো বের হয়ে অনেকক্ষণ বসে রইলাম । একজনকে দেখলাম হাতে কাগজ নিয়ে ঘুরাঘুরি করছে । অনেকজনকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করছে । তখন তাকে গিয়ে বললাম এমন সমস্যা । তারপর সে বললো ৫ হাজার টাকা লাগবে এখুনি দিচ
নির্বাচন অফিস বিষয় ছিল আইডি কার্ড আমি একজন প্রবাসী পার্সপোট এর চেয়ে বড় আইডি কি ঐখানে টাকা চাই ৮০০০যা আমার বোধগোম্ম হয় নাই।আইডি হল আমার মৌলিক অধিকার তার মাঝে আমাদের টাকা কেন দিতে হবে সরকারি চাকুরী করা ব্যাক্তি রা কেন টাকা চাইবে অতিরিক্ত????
আমি রাজশাহী পলিটেকনিকের একজন শিক্ষক। রাজশাহী পলিটেকনিকের 65 জন নব্যযোগদানকৃত শিক্ষকদের শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে দেওয়া এনক্রিমেন্টর অর্ডার হওয়ার পর টাকা পাওয়ার জন্য প্রত্যেককে ৮০০০ করে মোট ৫২০০০০টাকা এজি অফিস রাজশাহীকে দিতে হয়েছে । টাকাটা নিয়েছে এডিটর দাদা। এছাড়া চাকরিতে যোগদানের সময় আরো জনপ্রতি ৪০০০ টাকা করে মোট ২৬০০০০ দিতে হয়েছে পে ফিক্সেশন জন্য । সিনিয়র শিক্ষকদের কাছে শুনেছি এজ অফিস মানে ঘুষ। যে কোনো সেবা তথা টিএবিল, পে ফিক্সেশন, পেনশন, বকেয়া টাকা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ২০% করে দিতে হয় তাদেরকে।
আমি ১০১৪ সালে ভোটার হই তখন ঠিকঠাক বুজতাম না তাই ওখানে বাবার নাম ভুল হয়ে জায় সেটা ঠিক করতে আবেদন করি তারা ঠিক করে অনেক বছর এবং আমাকে জানাও যে কেন হচ্ছে না তো পরে একটা লোকের সাথে কথা হয় কাজ টা সে ২/৭ দিনের মধ্যে নির্বাচন অফিসার এর মাধ্যমে কাজ টা করাই দিতে পারছে টাকা লাগবে ২০০০০-৩৫০০০ হাজার টাকা
সেবা ছিল মোটরসাইকেলের নামের পরিবর্তন নিস্তারা থেকে উপর তলা ফাইল কিনেই ২০০০ থেকে ৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
আমার এলাকায় কোর্টস অব ওয়ার্ডস আছে বলে তহসিলদার মিউটেশন বা নামজারি করে দিবেনা বলেন। কিন্তু সেম খতিয়ান থেকে অন্য একজন ঘুষ দিয়ে নামজারি করে নেয়। সেটা এসিল্যান্ড অফিসকে জানানোর পরেও প্রতিকার মেলেনি কোনো। তাদের দাবি এই খতিয়ান থেকে নামজারি হবেনা। আগের কর্মকর্তা ঘুষ খেয়ে করতে পারে। এমন ভাষ্য ছিল তাদের।
মিউটেশন করতে গেছিলাম, জমির হাল দাগ সব ঠিক ই আছে। তারপর ও দাবি করেছে। পরে টাকা দেয়ার পর মিউটেশন এপ্রুভ করেছে।
অভিযোগ দিতে গিয়ে তদন্তে আসার জন্য Asi/si তাকে গাড়ি ভাড়া সহ ৫০০০ টাকা দিতে হবে তবে এতেও সেবা পাওয়া যায় নি এভাবে ৩০থেকে ৩৫ হাজার টাকা চলে গেছে
১২ শতাংশ জমির নামজারি করার জন্য গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তারা বলেছে আপনি আপনার থেকে আবেদন করুন এরপর আমরা পর্যালোচনা করব। আমি চিন্তা করলাম এর আগে আমি আবেদন করে আবেদনে ভুল হয়েছে তাই তাদের সাথে আলোচনা করলাম বিস্তারিত পরে আমার বক্তব্য শুনে বলল আমরা যদি আবেদন থেকে শুরু করে সবকিছু করি তাহলে টাকা লাগবে ২০০০০ এর কম হলে হবে না। পরে আমি অফার করলাম ১০০০০৳ রাজি হয়নি পরে না করে চলে এসেছি। এ দেশে ঘুষ দিলে সবকিছুই সম্ভব।
আমার সব কিছুই ঠিক ছিলো আমি রেগুলার বাইক চালাই তার পরেও কাগজ নিয়ে ১০ মিনিট ধরে বসে থাকে আমি কোনো টাকা না দিতে চাইলে ২ টা মামলা দিয়ে দেয়
জমির নামজারি জন্য মহিলা নায়েব কাছে গেলে ৪ একর জমি নামজারি করতে ৫০০০০ টাকা নেয়। কখনো ৫০০০ টাকা আবার কখনো ১০০০০ টাকা এভাবে পুরো টাকা নিয়েছে
সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ফাইল হাত বদল হতো টাকার মাধ্যমে। কিন্তু এসিল্যান্ড কোনো টাকা দাবি করেন নি। টাকা দাবি করেছেন অফিসের কর্মীরা "অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে নাইব স্যার"
আমি একটি জমি খারিজ করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি। তারপর ভূমি অফিসের নায়েব আমার আবেদন বাতিল করে দেন কারণ আমার দলিলে একাধিক দাগ নাম্বার ছিল। পরবর্তীতে উনার সাথে যোগাযোগ করলে আমাকে বিভিন্ন অযুহাত দিয়ে হয়রানি করে প্রায় ১ বছর পরে ৬০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আমার জমি খারিজ করে দেন।