Driving Licences
সঠিকভাবে কাজ করে যখন নাজ্য অধিকার পাচ্ছিলাম না। তখন আমার কাছে ঘুষ দাবি করে। সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিলে পাস করিয়ে দেব। পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সঠিকভাবে কাজ করে যখন নাজ্য অধিকার পাচ্ছিলাম না। তখন আমার কাছে ঘুষ দাবি করে। সাড়ে ৫ হাজার টাকা দিলে পাস করিয়ে দেব। পরীক্ষা দেওয়া লাগবে না।
Ami passport renewal korthe jai thokhon amar kace amar nameer 1 okkhor er jonno 5000 taka davi koree
ভূমি অফিসার টাকা কাজ হবে না
এলাকায় একটা ঘটনায় আমরা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাদের থেকে ১০০০০ টাকা দাবী করেন, যেহেতু মামলা করতেই হবে আমাদের কিছু করার ছিল না। পরে কথাবার্তা অনেক হওয়ার পরে ৫০০০ টাকা তাকে দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট এর সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকার পর ও কাগজপত্র ঠিক নাই বলা হয়েছে। তারপর টাকা চাওয়া হয়,দিতে না চাইলে নতুন করে আবার কাগজপত্র ঠিক করে আনতে বলে। এরপর টাকা চাওয়া হয় আনসার সদস্যকে দিয়ে। ২০০০ টাকা দেওয়ার পর কাগজপত্র জমা হয়ে যায়।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ বিআরটিএ তে গিয়েছিলাম। লিখিত, ভাইভা এবং ফিল্ড টেস্ট দিয়ে ফেইল আসলো। অথচ লিখিত, ভাইভা তে পাশ করেছি তা নিজের চোখে দেখেছি। আর ফিল্ড টেস্টও ঠিক ঠাক হয়েছিল। অথচ অনেকেই ৯০০০ টাকা দিয়ে লিখিত পরীক্ষায় ফেইল করেও পাশ করেছে।
আমার কাছে থেকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য 20000 (বিশ হাজার টাকা গ্রহন করে )
জমির দাখিলা আসে আট হাজার টাকা। তারা দাখিলা কেটে দিবে তাদেরকে ২৪ হাজার টাকা সবমিলিয়ে দিতে হবে। পরে এই টাকা পরিশোধ করলে এক ঘন্টার মধ্যে দাখিলা পেয়ে যাই।
To obtain my new driving license, I have been asked to pay this amount.
এক বছর হল জিরো ট্যাক্স জমা দিয়েছি উনি কোন কাগজপত্র আমাকে রিটার্ন স্ক্রিপ দেয় নাই। আমাকে আজ না কাল ঘোরাঘুরি করায়।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে আমার বাবা ও তিন চাচার পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে অভিযোগের সম্মুখীন হই। অনলাইনে সঠিকভাবে আবেদন করার পরও রিসেপশন থেকে বিভিন্ন ভুল দেখিয়ে আবেদনগুলো ফেরত দেওয়া হয়। পরে একজন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকের জন্য ১,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার পর একই আবেদনগুলো কোনো আপত্তি ছাড়াই গ্রহণ করা হয়। টাকা দেওয়ার আগে যেসব ভুল দেখানো হয়েছিল, টাকা দেওয়ার পর একই আবেদনপত্রে আর কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত ও যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
২০২১ সালে পাসপোর্ট ফেরিফেকেশনের নামে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় । এবং তা আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই। আমার জেলা শহের কোর্টে ডিএসবির এক এসআই আমার কাছ থেকে তা নেয় তার নাম
গতকাল আমার ডকুমেন্ট ছিল ছয়টি। তাই ৯০০ টাকা পেমেন্ট করতে হয়েছে। এটা চট্টগ্রামের সবাই জানে। ইমপোর্ট নিয়ে আলোচনা করলাম না। একটি রপ্তানি কার্যক্রম করার জন্য ছি নাম্বার পড়ে সফটওয়্যার থেকে । ১০৭২ cpc হলে ১৫০ টাকা প্রতি ডকুমেন্টটি দিতে হয়। প্রতিদিন অন্তত ১০ হাজারি নাম্বার পরে ১৫০ গুন ১০ হাজার কত টাকা হিসাব কর। Cpc ১০০০ হলে ১০০০ থেকে ১৫ হাজার পর্যন্ত টাকা লাগে। সিপিসি হাজার এক চল্লিশ হলে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগে। এটা আমরা প্রতিদিন পেমেন্ট করি। আমরা করতে বাধ্য। এটা চট্টগ্রাম কাস্টমার কমিশনার মহোদয় জানে। সব ডিপোর্ট কাস্টমসের টাকা কাস্টমসের পিউন দিয়ে কালেকশন করা হয়।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঘোষবাণিজ্য ঘটে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তরে এখানে টেন্ডার থেকে শুরু করে সব ধরনের চাকরি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং সকল ধরনের অফিসার লেভেল থেকে শুরু করে একজন সরকারি পিয়ন পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন করে থাকে। টাকা ছাড়া এখানে কোনভাবেই কোন কাজ করা যায় না আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে পাঁচ বছর চাকরি করছিলাম সেখান থেকে মূলত এগুলো আমার জানা এবং এত অনিয়ম দেখে আমি আমার মাস্টার রোলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি লাস্ট দুই মাস আগে এখানে বেতন নিলেও দিতে হয় খরচ
মূষক -৯.১ জমা করতে গেলে দিতে হয়। প্রেতি মাসে
জেলা বিচারক বিভাগ আমার বাবার বিরুদ্ধে রায় দেয় আপীল বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের ঘুষখোর বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খেয়ে রায় দেয় জামিন দেয়। আমার বাবা নির্দোষ তাকে ফাসিয়ে এতগুলো টাকা ভিলেজ পলিটিক্স, স্থানীয় প্রশাসন বলতে থানা এদের কথা বাদই দিলাম শুধু বিচারক ১৫ লক্ষ টাকা খাইছে। আমার বাবার চাকরি থেকে সাস্পেন্ড হইছিলেন। যাক শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত রায় না পেয়েই ২০২৩ সালে মারা যান।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন কারন ১ দাগের জায়গায় ২ দাগ দেখানো হয়েছে। ২০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে কোন না কোন অজুহাত দেখিয়ে অৗবধবাবে ভাবে ভুল দেখিয়ে নিয়ে টাকা দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।”
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলাম। তারা চালান কেটে দিবে এরকম বলে চালান ও পেপারস রেখে দিছে৷ ভালো কথা কিন্তু টাকা তাদের কাছে দিলে ভালো এরকম বুঝপড়া শুরু করলো। পরে আমার বন্ধুকে নিয়ে গেলাম, সে জিজ্ঞাসা করলো কত টাকা? স্ট্রেট ফরওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করায় তার সাথে খারাপ আচারণ করছে দায়িত্বরত কর্মকর্তা। পরবর্তী দিন আমাকে যেতে বলে আমার কাছে থেকে সব মিলিয়ে ৩৫০০ টাকা নিয়েছে। যা চালান বাবদ খরচ বাদে ১২১৪ টাকা পড়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এক দালাল ১০,০০০/- টাকা নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট-ছবি তোলা পর্যন্ত করে দিয়েছে। ১০ বছর মেয়াদী লাইট ড্রাইভিং লাইসেন্স ইতোপূর্বে বেশ কয়েকবার গিয়েছি, তারা শুধু ১/১.৫ মাস মেয়াদের সীল দিয়ে দেয়। ৫ বছরের কাছাকাছি হয়ে গেছে, এখনও ড্রাইভিং লাইসেন্স আসেনি। বাইরের এক দালাল বললো- ৫,০০০/- টাকা দেন, খুঁজে বের করে দিচ্ছি। আমি ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত অফার করেছি।
আমি আমার জনি নাম জারির জন্য আবেদন করে গিয়েছিলাম ইব্রাহীমপুর ভূমি অফিসে যাওয়ার পরে বলতেছে কাজগে এই সমস্যা ঐ সমস্যা এটা ঠিক করেন এই ভাবে আমাকে তিন বার নাম জারির জন্য আবেদন করতে হয়েছে। তিনবার আবেদন করার পর ৯০০০ টাকা দেওয়া পরে ঐ কাজগে আর কোন সমস্যা নেই আমার নাম জারি হয়ে গেছে। এই ৯ হাজার টাকার সাথে তিনবার আবেদন করা আসা যাওয়া আরো ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।