জমি নামজারি
আমার বাবার জমি (বাবা মৃত)(৫শতক) আমাদের নামে নামজারি করার জন্য আবেদন করি যেখানে ফি মাত্র ১১০০ শত টাকা কিন্তু এটা নিয়ে আমাদের বছর খানেক ঘুরতে হয়েছে তিনবার আবেদন করতে হয়েছে এবং অনেক টাকা খরচ হয়েছে অবশেষে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবার জমি (বাবা মৃত)(৫শতক) আমাদের নামে নামজারি করার জন্য আবেদন করি যেখানে ফি মাত্র ১১০০ শত টাকা কিন্তু এটা নিয়ে আমাদের বছর খানেক ঘুরতে হয়েছে তিনবার আবেদন করতে হয়েছে এবং অনেক টাকা খরচ হয়েছে অবশেষে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে।
বিষয়: অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার বিষয়ে অভিযোগ নতুন ভোটার হওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছি। এমন কি উপজেলা অফিসেও - কেন্দুয়া উপজেলা -পরে ফোন করে জানানো হয়েছে, সরকারি নিয়মে করলে ৩/৪ মাস সময় লাগবে, আর জরুরি ভিত্তিতে করতে হলে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
আমি ২০২২ সালে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে যাই পাসপোর্ট তৈরির জন্য, তখন আমার তেমন কোন ধরনের ধারণা ছিল না, একেবারে নতুন,আমিমতখন পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে যখন আমি ওনাদের জানাইলাম আমি পাসপোর্ট করতে চাই,,তখন ওনারা আমাকে আনসার সদস্য কে দেখিয়ে দিলো বললো ওনার সাথে কথা বলেন ওনারা নিজেরা কিছু বলে নাই,পরে আমাকে আনসার সদস্য বলে পাসপোর্ট করি জলদি চাও নাকি,একটু কয়েক মাস দেরি করে আসুক এটা চাও,তখন আমি বলছি না জলদি চাই,,তার পর ওনি বললো তোমাকে ২০/২২ দিনের মধ্যে দিয়ে দিবো,,যা জলদি পাবে,,এখন বহুত সমস্যা পাসপোর্ট করতে,,আর নয় ৩/৪ মাস ও লাগতে পারে,,,এখন তুমি কোনটা চাও,,তখন আমি ওনার কথা মত ২০/২২ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট চাই বলায়,,ওনি বললো তবে এটায় খরচ আছে,,এখন তুমি আমাকে ১০ হাজার দেও আর পাসপোর্ট পেলে ৫ হাজার মোট ১৫ হাজার খরচ
ডাক্তারের লাইনের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম, অনেকেই লাইন ছাড়া ঢুকে যাচ্ছে, পরে একজন স্টাফ কে জিজ্ঞেস করলে বলে ৩০০ টাকা দেন সিরিয়াল আগে করিয়ে দিচ্ছি, এরপরে জিজ্ঞেস করল কি জন্য দেখাবেন আমি বললাম কিছু টেস্ট করাব, বলল কি কি করাবেন লিখে দেন আমি লিখে নিয়ে এসে দিচ্ছি।
পুরাতন নামজারি করা ছিল। অনলাইনে ছিল না তাই নতুন অনলাইনের নামজারির জন্য ৭০০০টাকা চেয়েছে।
Passport police verification er jonno taka chaixhe diye dixhi😹
আপনি যেকোন নামজারি করতে গেলে ময়মনসিংহের সকল ভূমি অফিস ঘুষ গ্রহণ করে বিশেষ করে নিম্ন পদে কর্মরত কর্মচারী। একজন ব্যক্তিকে না জানিয়ে একই দাগ খতিয়ান অপরজনকে নামজারি প্রদান করা হয় এমন ঘটনাও আছে। প্রতিটি পদে পদে আপনাকে হয়রানি হতে হবে। এমন কোন অসাধ্য নেই তারা করতে পারে না। এর পরিত্রাণ কি?
৩ টা পাসপোর্ট জরুরীভাবে নবায়নের জন্য রংপুর পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বিভিন্ন বাহানা শুরু করে।তারা বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাগজ চায়।বলে এগুলো ছাড়া পাসপোর্ট নবায়ন হবেনা।পরে তাদের কথামতো সেই কাগজগুলো যোগাড় করে অফিসে গেলে পুনরায় তারা আরও কাগজ আনতে বলে যেগুলোর কোনো দরকারই নেই। এভাবে তারা হয়রানি শুরু করে। তখন সেখানে কর্মরত আনসার সদস্য টাকা দাবী করে আড়ালে ডেকে নিয়ে যেয়ে। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় আমাকে। টাকা দেওয়ার পর তারা জমা নেয়।তখন আর কোনো কাগজ দরকার হয়না। এটা প্রতিনিয়ত রংপুর পাসপোর্ট অফিসে হচ্ছে।
আমি যখন পাসপোর্ট বানাতে যাই আমার সকল পেপার সবকিছু ঠিক আছে কিন্তু পাসপোর্ট অফিসাররা ভুল ধরছে আমার বাড়ির নাম কেন দেয় নাই কিন্তু সেইম পেপারস আমি ঘুষ দেওয়ার পর জমা দিয়েছি কোন ভুল নাই ডাইরেক্ট জমা নিয়ে গেছে
আমার জেএসসি সার্টিফিকেটে মায়ের নামে ভুল ছিল, সেটা ঠিক করার জন্য গত বছর বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে আমার বাবা গিয়েছিল। কিন্তু সেই জিনিস সংশোধনের জন্য ঘুষ দাবি করে, আরও বলে ঘুষ ছাড়া এই কাজ হইতে এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে। কোনো উপায়ন্তর না দেখে আমার বাবা বাধ্য হয়ে আট হাজারের মতো ঘুষ পরিশোধ করে।
নামজারি খারিজ এখন এসিল্যান্ড এর আইডিতে আটকানো টাকার জন্য
আমার কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না যার কারণে তিনি ১০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে ছেড়ে দেয়
নাম জারি করে দেওয়ার জন্য দাবি করেন না হয় নামধারী করবে না
Pension + বকেয়া বকেয়ার টাকাটা আমার বাবার মারা যাওয়ার পর পেনশন চালু পর্যন্তের ছিলো।পেমশনের জন্য আলাদা টাকা নিলেও ওইটার জন্য আরও দেয়।but I will take it back 5000 times.
আমার আব্বুর চাকরি শেষে GPF এর ৳ হিসাবরক্ষন অফিস থেকে তোলার সময় এই বাড়তি ৳ তাদের কে পরিশোধ করতে হয়। আব্বু মনে কষ্ট পেয়েছিলেন।২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঘটনা এটি।
১। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এডহক কমিটি ও ম্যানেজিং কমিটির ১ম পর্যায়ে অনুমতি নিতে ১৫০০ টাকা বিকাশে ডিলিংস এর মোবাইলে বিকাশে পাঠাতে হয়। ২। অনুমতি হয়ে যাওয়ার পর চুরান্ত অনুমোদন এর সময় আবার ৬০০০ টা বিকাশে পাঠাতে হয়। না পাঠলে ফাইল পার হয় না। এর প্রতিকার চাই।
প্রতিটি সেবা ও সরবরাহ খাতের বিল হতে ৫% হারে পরিশোধ করতে হয়।
I would like to raise concerns about the complexity of National ID (NID) registration and unofficial or excessive fees for Citizenship Certificates (Nagorikotta Sonod). Many citizens already possess birth certificates, SSC/HSC records, and university credentials proving their identity and connection to Bangladesh, yet they face additional certificates, repeated verification, delays, and costs. The official online citizenship service, costing approximately 50–70 BDT, is often unavailable or unused, forcing applicants to local offices where they may pay 200 BDT or more. I respectfully request investigation, transparent fee collection, reliable online access, and simplified NID procedures .
আমি আমার মা বাবার আমার ছেলে ভাতিজি চোট ভাই র বউয়ের জন্য ৫ টি পাসপোর্ট আবেদন করি ব্যংক ডাপ করি কিন্তু পাইল দেখে বলেন আমাদের এগুলো হবে না বাহিরে ওদের এজেন্ট নিয়োগ আচে ঐ খানে গিয়ে টাকা দিয়ে তার একটা মর্ক দিয়ে চে ঐ মর্ক দেখে আমাদের আগের পুরন করা পাইল জমা নিয়ে চে এটা লক্ষী পুর পাসপোর্ট অফিসে
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। এখন তাদের প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য বেসরকারি মালিকানাধীন সিএনজি ব্যবহার করা হলে এর জ্বালানি ও ভাড়া কে বহন করবে? 👉 দীর্ঘ সময় ধরে বিনা পারিশ্রমিকে গাড়ি ব্যবহার করার আইনগত বা প্রশাসনিক ভিত্তি কী? 👉 থানার রাতের টহল ও জরুরি সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য কি কোনো অনুমোদিত যানবাহন/বরাদ্দ বা সরকারি পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে? 👉 যদি স্থানীয় সিএনজি ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে তাদের যথাযথ ভাড়া ও জ্বালানি খরচ প্রদানের ব্যবস্থা কেন থাকবে না? এখানে মূল বিষয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করা নয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো বেসরকারি গাড়ি ব্যবহার করা হলে তার যথাযথ নিয়ম, অনুমোদন, ব্যয়ভার ও চালকের ন্যায্য পাওনা সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। সিএনজি চালকরাও দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে চান। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো পারিশ্রমিক বা জ্বালানি খরচ ছাড়া নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি দিয়ে রাতের সরকারি দায়িত্বে সহযোগিতা করা তাদের জন্যও একটি আর্থিক চাপ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত আহ্বান— বিষয়টি তদন্ত করে সিএনজি চালকদের বক্তব্য শোনা হোক, সরকারি কাজে বেসরকারি যানবাহন ব্যবহারের নিয়ম ও ব্যয়ভার স্পষ্ট করা হোক এবং একটি স্থায়ী ও ন্যায্য সমাধান দেওয়া হোক। সরকারি দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা থাকবে, তবে সেই সহযোগিতা যেন নিয়মতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও ন্যায্য ব্যবস্থার মাধ্যমে হয়—এটাই সিএনজি চালকদের দাবি। 🚖⚖️