জিডি করেছি। কিন্তু টাকা না দেয়ায় মোবাইল আঁটকে আছে।
আমার মোবাইলটা এখনো ডেমরা থানায় পড়ে আছে। টাকা দেয়নি এ জন্য মোবাইলটা পাচ্ছি না। থানায় ডেকে সরাসরি টাকা চেয়েছে। আমার কাছে প্রমাণ আছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার মোবাইলটা এখনো ডেমরা থানায় পড়ে আছে। টাকা দেয়নি এ জন্য মোবাইলটা পাচ্ছি না। থানায় ডেকে সরাসরি টাকা চেয়েছে। আমার কাছে প্রমাণ আছে।
আমার নিজের জম্ম নিবন্ধন অনলাইন হওয়ার পর চেক করে দেখি স এর জায়গায় ই হয়েছে। সেটা আমি নিজেই সংশোধন করি এবং পিন নম্বর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ এ যায়। আমার থেকে টাকা ছাড়া তারা না দেওয়ার জন্য নানা অজুহাত দেখায়। অবশেষে 300 টাকা দিতে হয়।
আমি আমার শ্বশুরের পিয়ারএল ও লামগ্রান্ড মঞ্জুরের জন্য,,গোপালগঞ্জ জেলার টুংগীপাড়া উপজেলার হিসাবরক্ষণ অফিসে যায়,,,দায়িত্বরত Account officer,Auditor আমাদের কাছে ৫০০০০ টাকা দাবি করে।
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের ২৭ তারিখ আমার একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য কেরানীগঞ্জ থানায় আবেদন করি ।সেখানকার কর্তব্যরত এসআই আমার কাছ থেকে 10000 হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি টাকা পরিশোধও করি পরবর্তীতে তারা আমাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রদান করে।
আমার একটা জমির খাজনা দিতে গিয়েছিলাম, হাজারটা ভুল করে সেটার জন্য আবার আমার থেকে টাকা দাবি করে এবং টাকা নেয় । ওরা বলে , টাকা না দিলে কাজ হবে না
চাকরিতে ভাইভাতে যাওয়ার পর, বোর্ডের একজন সদস্য ভিন্ন রুমে নিয়ে গিয়ে খরচের জন্য এই টাকা চায়।
মাতৃকালীন ভাতার আবেদন এর জন্য দিতে হয়েছে। তবে ভাতাভোগী হতে পারিনি।
পাসপোর্ট তৈরির সময় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ২০০০ টাকা দেয়া ছাড়া পাসপোর্ট দিবে না (পরে ২ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট পাই)
জন্ম নিবন্ধন কার্ডে বানান ভুল ছিল। যা বেশিরভাগ জনেরই হয়ে আছে। বানান সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের গেলে ২৫০ টাকা ফি চান। আমি জানি, সরকারি ফি ৫০ টাকা। তিনি বলেন ২৫০ টাকাই লাগবে। করলে করেন তার ব্যস্ততা আছে। নিরুপায় হয়ে ২৫০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
প্রথমে টেস্ট করানোর জন্য জমা দিছি, যে পরীক্ষা করতে ৩০ মিনিটও লাগবেনা, সেটির জন্য বলে পরের দিন আসেন। এখানেই মূলত ওদের কারসাজি। টাকা দিলে ৫ মিনিটের মধ্যেই রিপোর্ট রেডি। এরকম অহরহ নানান বিষয় এ ঘুষ বাণিজ্য চলতেছে৷ এটি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনা।
আমি একজন আঘাতপ্রাপ্ত রোগী নিয়ে পঙ্গু হসপিটালে গেলে পঙ্গু হসপিটালে এক্সরে করানোর জন্য ৫০ টাকা ঘুষ জলের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ এবং অপারেশন থিয়েটারে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেই না হলে রোগে ফালায় রাখত
প্রফিডেন্ট ফান্ডের ১২ মাসের কর্তনের মধ্যে ২ মাস কর্তন এফসি বিবিধ অফিস কর্তৃক সার্ভারে এন্টি দেয়া হয়নি ঔ ২ মাসের কর্তন এন্টির জন্য ২০০০/- টাকা চাচ্ছে।
In July 2023, when applied for an Birth Certificate English copy, Union parishad sectretary was not cooperating to get the English Birth Certificate. They were claiming that there was a server problem. After waiting for some days, the female secretary offered for money with other person. They claimed around 2000 or some less or more. I paid that because I was waiting for the birth certificate. After paying the money it was issued within a day. Note: When they want to get an extra money from people they said that they have server problem. And then delayed they works. Later indirectly ask for money. After giving money they do it with a day.
বাংলাদেশের সেরা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের পরিচালকের একটা লিফট কোম্পানি আছে। এটা বড় কোম্পানি আমি এই কোম্পানিতে চাকরি করি। ২০২০ সালে ট্যাক্স অফিসের লোক আসে কোম্পানির ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে নাকি এই অডিট করে। অডিট করে অনেক ট্যাক্স ফাঁকি পায়। এজন্য ট্যাক্স অফিসের লোকজন দুই কোটি টাকা ঘুষ নেয়।
দাবি করা হয় আপনার হোল্ডিং ট্যাক্স চারগুণ করে দেওয়া হবে, টাকা পরিশোধ করলে হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়বে না।
আমার জমি অন্য জন দলিলে না থাকা সত্বেও বেশি করে খারিজ করে নিয়েছিল। অভিযোগ দিয়েও সমাধান না পেয়ে ১৪০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। পরে সমাধান করে দিয়েছে।
পিরোজপুর ভূমি অফিসের দালাল এবং আমলারা টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না
Ami akjn govt. doctor. Jkno legal official kaj krte gele hospital er nicher stor er lok der tk dte hoi ja khubi koster. Bises kre ofice sohokari gulo protita upazila theke bivagio hospital gulo te durnitir akhra baniye niyechen.
AG অফিস বলতেছে হিসাব শাখা হতে আমরা এখনো আপনার ফাইল পাইনি। আপনি আপনার আবেদনের এক সেট ফটোকপি সাথে ৪ হাজার টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে। সে দিন হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে আসি। পরের দিন হিসাব শাখায় যেয়ে ফাইল এর খোজ করি ফাইল ৩ মাস আগে AG শাখায় চলে গেছে এটা আমাকে ৪ ঘন্টা বসে থাকার পর বলে। পরবর্তীতে সেই ফাইলেট সিরিয়াল নাম্বার নিয়ে AG অফিসে গেলে তারা বলে এ ফাইল খুজতে পারবো না। আপনি টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে এক রকম জোর করেই তাদের নিকট হতে কাজটি সমপ্নন করাই। তবুও ঘুষের সাথে আপোস করি নাই
একটা ব্যাংকের কাজে আমার ওয়াইফের ভোটার আইডি কার্ডটা খুব দরকাএ ছিল। আমার ওয়াইফের বাবার নামে একটু ভুল ছিল কোর্টে এপিড ওপিড। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন নাম সংসোধন এর এপ্লাই।করছি বোর্ডে সেই রশিদ দেওয়ার পরও ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে