Dhaka wasa
Puron meter notun line a replace Kore bosay dibe 35k Cha Pani taka.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Puron meter notun line a replace Kore bosay dibe 35k Cha Pani taka.
Dhaka wasar line man proti mashe 500 taka extra nicche bill 2000 takr moddhe rakhar jonno. Nahole amr 2 tala barir bill 3500-3800 kore dey and commercial bill kore dey. Mohakhali TB gate Wasa office e giye 8000 tk diye residential kore ashci bill. 2 mash por abr same obbostha. Oi office er chairman er kacheo giyechi same somossa niye. No output.
আমার পাসপোর্ট তৈরি করতে প্রায় 21 হাজার টাকার মতো লাগছে কিন্তুক আমার সরকারের ফ্রি ৮ থেকে ৯ হাজার
কয়েক মাস আগএ বিদ্যুত সংযোগের জন্য ডেমরা, সারুলিয়ার ডিপিডিসি অফিসে গিয়েছিলাম। সরকারি ২১০০ টাকা ফি এর জায়গায়, আরো ১০,০০০ টাকা ফি দিতে হয়েছে৷ এছাড়া নাকি হবে না। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছিল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড রিসিভ করার সময় আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা দাবী করে ঘুষ। সেটা পরিষোধ করে তারপর লাইসেন্স রিসিভ করতে হয়েছে।
At shiddhirganj Thana, Duty officer asked for taka 1000 for police clearance related task. I had to pay. I have one officer known, after requesting him, the amount got doubled. Statting that, why I let the known officer know about this, thus I have to pay more else they will not process my file.
আমার বাবার একটি জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় অতিরিক্ত 150000 টাকা লেগেছে, এবং রেজিস্ট্রেশন পরে আবার যখন খতিয়ান করতে গিয়েছে তখন তার কাছ থেকে আরবিস হাজার টাকা নিয়েছে অথচ খতিয়ানের ফিল্ম মাত্র 1100 থেকে 1200 টাকার মতন,
সর্বচ্চো কর্মকর্তা কারখানা পরিদর্শন করেন এবং পরবর্তীতে মোটা অংক দাবী করেন, না দিলে নবায়ন বন্ধ রাখে লে আউট দিতে বিভিন্ত তাল বাহানা করেন। কাংখিত টাকা পেলে দুই এক দিনের মধ্যে সব পাওয়া যায়।
আনুমানিক ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর দিকে আমি একটি নামজারি খতিয়ান এর জন্যে আবেদন করি, যা ফতুল্লা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা হয়। পরবর্তী ধাপ হিসেবে দেখতে পাই ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা — এর নাম। ভূমি সেবা হেল্পলাইন থেকে যদিও বলা হয় অনলাইনে আবেদনের পর ভূমি অফিসে কোন ধরনের হার্ডকপি জমা দিতে হবে না, কিন্তু ইউনিয়ন ভূমিকর্মকর্তা — আমাকে তার অফিসে নিয়ে আমার কাগজে অক্ষরগত ভুল ধরা শুরু করে বলে যে আমার আবেদন রিজেক্ট করা হবে। আমি বিস্তারিত যখন জানতে চাই তখন উনি উনার অফিস সহকারি —ের সাথে আমাকে কথা বলতে বলে, এবং সেখানে আমার থেকে চল্লিশ হাজার টাকা দাবি করে, আমি কোন উপায় না পেয়ে শেষে এই টাকা দিয়ে আমার নামজারি করতে বাধ্য হই। যদিও আমার কাগজপত্র সম্পূর্ণ নির্ভুল ছিল।
কিশোরগঞ্জ জেলার মানিকখালি ভুমি অফিসে আমার নানার দেওয়া আমার মায়ের একটা জমি আছে, খতিয়ানে আমার নানার নামে একটু ভুল ছিল, এই পরজন্ত সবই ঠিক ছিল,রাস্তার পাশে জমি হওয়ায় জমির দাম বেড়ে যায় , সেটাকে পুজি করে লোভে পড়ে আমার নানার বোনের ছেলে তার মায়ের নামে জায়গা দখ্ল দেখিয়ে মানিকখালিতে মিস কেস আবেদন করে এবং মানিকখালিতে নায়েবকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তারা তাদের মতো রিপোর্ট করে নেয়, কিন্ত এই পরজন্ত জায়গা আমাদের দখলে খাজনা আমরাই দিচ্ছি , কাগজপত্র ও সব ঠিকি আছে, এখন তারা জোর করে দখল করার উপদ্রব করতেসে, এখন এই খতিয়ানের রায় যদি তাদের পক্ষে যায় তাহলে তারা জোর করে এই জায়গা দখলে নিবে।
সব কাগজ ঠিক থাকলেও এটা ওটা দারি কমা ভুল বের করে হলেও আপনার কাজ আটকায়ে রাখবে। টাকা ঘুষ ছাড়া কোন সেক্টররেই কাজ করাতে পারি নি আমি। বাবার বাড়ি হেবা দলিল, নামজারি, খাজনা সব কিছু করেতেই ঘুষ দিয়েই কাজ করাতে হয়েছে। এছাড়া তারা কাজ তো করবেই না বরং আপনি না করলে আপনার ফাইল এ মার্ক করে রাখে, পরবর্তী অফিসার আসলেও ঐ ফাইল ধরলে বুঝে এটাতে কাজ করাতে যেয়ে করান নাই, তখন আরো ১০/২০ হাজার বেশি দাবি করে, প্রথম বছর আমি ঘুষ দিয়ে করাই নাই, ২ বছর পর আবার চেষ্টা করতে যেয়ে দেখলাম এমন তখন বাধ্য হয়েই ঘুষ দিয়ে করাতে হলো, উপরের পদে জানালেও লাভ হয় না, কারন উপর থেকে নীচ সবায় শেয়ার পায় ঘুষ এর টাকার
বৃষ্টির জন্য মানিব্যাগ পকেটে নেইনি,বাসা থেকে ২কিমি দুরে। ব্যাগের মধ্যে গাড়ি প্রয়োজনীয় কাগজ ছিল। ধর্মতলা মোড়ে গাড়ি দার করায়। কাগজ দেখতে চায় ,আমি ৫মিনিট সময় চাইছিলাম । দেয়নি, বলেছিলাম আমার সহকর্মী কাগজ নিয়ে আসছে ২/৩ মিনিট সময় লাগবে। সে আমার কথা না শুনে যশোর ট্রাফিক অফিসে আমার গাড়ি পাঠিয়ে দেয়,বলে কাগজ পাতি দেখিয়ে গাড়ি ঐখান থেকে নিয়েন। কাগজ পাতি নিয়ে ঐখানে গেলে তারা আমকে ৩ নাম্বার রুমে যেতে বলে। আমি ঐখানে গেলে আমার সবকিছু দেখে দায়িত্বে থাকা পুলিশ আমাকে ১ নাম্বার রুমে পাঠান।১নাম্বার পুলিশ অফিসার কাগজপত্র সব ঠিক দেখে কাগজের পিছনে — লিখে দেন আর বলেন ,আর ৩ নাম্বার রুমে পাঠান । ৩ নাম্বার রুমে যেতে আমার কাছে ৩০০০/- চান। আমি বললাম রিসিট দেন। তিনি রিছিট দিতে পারবেন না। বলেন ১নাম্বারের বড় স্যারের সাথে--
আমি যখন চেয়ারম্যান অফিসে মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য নাম দিতে যাই ওখানে আমার কাছে একটা নামের জন্য 5000টাকা দাবি করা হয়। এবং বলা হয় টাকা ছাড়া কাজ হবেনা। পরে আমি রিকোয়েস্ট করে 4000টাকায় রাজি করাই,এবং আমার নাম হয়।
ভোটার আইডি কার্ডে নামের একটা অক্ষর ভুল ছিলো,সংশোধনের জন্য ৪ মাস আগে আবেদন করার পর ও সংশোধন হয়নি,,,পরে নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে তারা এই টাকা দাবি করে
I needed to correct my mother's name on her birth certificate urgently and had no other choice. I tried to avoid paying a bribe, but I couldn't.
আমার জাতীয় পরিচয় খুঁজে বক্স থেকে বের করে দিতে ৫০০ টাকা দাবী করে
pharmacy ahop er jonno DGDA te apply korlam licence jonno sokol kisu mene.Officer daklo kagoj dekhlo,pore pion k die amake janailo j taka lagbe. ami bollam koto pion bollo 20000 ami bollam ami akjon A grade pharmachist,amaro taka dite hobe. ami dibo na, dei na. aj porjonnto ami licence pai nai. but ami 2 bar sorkari koshagore taka joma disi. kintu ami taka di nai.
আমি বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি থেকে সম্প্রতি পাস আউট কৃত ক্যাডেট । জাহাজে উঠার জন্যে আমার সিডিসি প্রয়োজন, তাই জরুরি কাগজপত্র সহ শিপিং অফিসে আমি সিডিসি আবেদন করি এবং কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে সিডিসি গ্রহন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট সিডিসি গ্রহন বিভাগের কর্মকর্তা আমার থেকে টাকা দাবি করেন, নইলে তিনি সিডিসি দিবেন না ।
ইচ্ছা ক্রিত ভাবে কম করে পানির রিডিং উঠায় মাসের পর মাস । আনেক দিন পর যখন পানির বিল ৫০,০০০ অথবা ১০০,০০০ তখন ওরা অফার দেয়, মিটারের কাটা রিডিং ঘুরায়ে ঠিক করে দিবে। পরে আমি অফিসের সাথে কথা বলে কিস্তি করে টাকা পরিশোধ করছি।
যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হলে অফিস এর এক কর্মচারি পরবর্তিতে এক কর্মকর্তা প্রথমে ১০,০০০/ পরবর্তীতে কমিয়ে ৫০০০/- চায়। এখনো না দেয়ায় প্রতিবেদন রিপোর্ট পাচ্ছি না।