সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৯,১৫৯ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট ইস্যু

পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্মে শুধুমাত্র এড্রেসে কমা থাকার অযুহাতে ৩ টা পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ক্যান্সেল করেন, যিনি ডকুমেন্টস যাচাই করেন তাকে এর সমাধান কি জিজ্ঞাসা করলে বলেন আশেপাশে অনেকেই আছে সমাধান করে দিতে পারে, কারা করে তিনি জানেন না কিন্তু ইশারায় আনসার সদস্য কে দেখায়ে দেন, আনসার সদস্যার কাছে গেলে তিনি ভেতরের একজন কে ডেকে নিয়ে আসেন। পাসপোর্ট খুব জরুরি থাকায় উপায় না পেয়ে বাধ্য হই টাকা দিতে।

ঘুষ দিয়েছি
জয়পুরহাট সদর ৳৪.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ RJ5A2NMH
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

সি এন্ড এফ লাইসেন্সের সারভিল্যান্স প্রত্যাহার বিষয়ে চুড়ান্ত নিষ্পত্তির চিঠি ইস্যু সংক্রান্ত।

কাস্টমস ASYCUDA তে একটা ভূয়া বিল অব এন্ট্রি করেছিল কাস্টমস সরকার সবার অগোচরে, ফৌজদারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠান জড়িত নয় উল্লেখ্ করা হয়। ঐ ঘটনার কাস্টমস সি এন্ড এফ লাইসেন্স সার্ভিল্যান্সের আওতায় আনা, পরে কাস্টমস বিচার করে ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে ।এখন চুড়ান্ত চিঠি যাবে সারভিল্যান্স প্রত্যাহারের জন্য, তাই ঐ চিঠি অনুমোদনের জন্য ২৫০০০০/- টাকা ঘুষ চাচ্ছে। ঘুষ চাচ্ছে ARO- — , লাইসেন্স শাখ, কাস্টমস হাউস,চট্টগ্রাম, তারিখ: ২৫/০৮/২০২৬ ।

শুধু দাবি করেছে
চট্টগ্রাম ৳২.৫০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬ CTVZPBDB
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন করে পাসপোর্ট বানাতে

আমি নতুন করে পাসপোর্ট করার জন্য মেহেরপুর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও আমাকে বারবার বলা হয় যে, কোনো একটি কাগজে ভুল আছে, কোনো তথ্য ঠিক নেই—এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে আমাকে একাধিকবার ঘোরানো হয়। অথচ আমার জমা দেওয়া কাগজপত্র ও তথ্য সঠিক ছিল। পরবর্তীতে অফিসের পাশে থাকা একটি দোকানে গেলে সেখান থেকে আমাকে প্রায় ২,৫০০ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। পরে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর। এরপর কোনো অতিরিক্ত সমস্যা ছাড়াই একই দিনে আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ছবি তোলা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

ঘুষ দিয়েছি
মেহেরপুর ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ KHXBDT9J
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

সমিতির মিনি কার্যাদেশের সময় সীমা বৃদ্ধি অনুমোদন

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বরিশাল জোন নিজে যেকোন ধরনের কাগজ যাতে তার স্বাক্ষর লাগবে সেটা তিনি টাকা ছাড়া করবেন না। টাকা না দিলে কাগজ রেখে দেন বারবার ফোন করেন টাকার জন্য।

ঘুষ দিইনি
বরিশাল ৳১০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ BR8LBN22
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

RJS তে AGM ফেইল হলে যেখানে কোর্ট থেকে ওর্ডার লাগে। সেখানে অবৈধ ভাবে কোর্ট ওর্ডার ছাড়া পাস দিয়ে দেয়।

Rjsc তে AGM বা বার্ষরিক রিটার্ন করতে হলে আগে কোম্পানির নামে ওডিটি করতে হয়। প্রতিবছর এমন সঠিক সময়ে ওডিট করা লাগে। যদি ওডিট ফেল হয় বা DVC ফেল হলে কোর্ট থেকে পার্মিশন এনে তার পরে রিটার্ন দাখিল করা লাগে। বাট তারা তা অবৈধ ভাবে কোর্ট পার্মিশন ছাড়া নিজেরা পাশ করে দেয়। মোটা অংকের টাকা নিয়ে। তাছাড়া একটা নতুন কোম্পানির রেজিষ্ট্রেশন করতে হলে ভিতরে অফিসারদের ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ না দিলে কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন করে দেয় না। বলতে গেলে ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল পাশ করানো যায় না।

ঘুষ দিইনি
টিসিবি ভবন, কাওরান বাজার, ঢাকা ৳৭০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১০ DKUA4HS3
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি

জমির নামজারি করতে দিয়েছিলাম। তসিলদার কিছু খরচ চেয়েছিলো। পরে দিয়ে দিসি। আমার কাগজপত্র লিগাল ছিলো। আমি ঝামেলা করতে না চেয়ে দিয়ে দিসি।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ SYWU3K2H
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এর প্রোডাক্ট লাইসেন্সিং, ম্যানুফ্যাকচারিং লাইসেন্স এবং অন্যান্য সেবা

আমাদের ফ্যক্টরির লাইসেন্স নবায়নের জন্য ডিজি স্যার এর অনুমোদেন পর, লাইসেন্স টি তথাকথিত ডিরেক্টরআটকে রেখে ফোন করে দেখা করতে বলে। দেখা করার উদ্দেশ্য হল টাকা দিতে হবে। তাদের নূন্যতম ডিমান্ড ১০,০০০ টাকা। পরবর্তীতে সেই টাকা দেয়ার পর লাইসেন্সটি প্রদান করে। অথচ সেই একই কাজ ফ্যাক্টরী তাদের কলিগ পরিদর্শণ করে অলরেডি ৬০,০০০ টাকা নিয়েছে। যদি টাকা না দেয়া হতো তাহলে তারা নানা রকম হয়রানি করত। ঔষধ প্রশাসনের ৯৮% কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঘুষ খায়। এর একটা ব্যবস্থা করা দরকার। একটি প্রোডাক্ট রেজিষ্ট্রেশন করতে বছরের পর বছর সময় লেগে যায়। কোন ঔষধ বা মেডিক্যাল ডিভাইস রেজিষ্ট্রেশন করতে ৬-৮ টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। সরকারি ফি এর পাশাপাশি কত টাকা যে ঘুষ দেওয়া লাগে তার হিসাব দেওয়া কঠিন।

ঘুষ দিয়েছি
মহাখালী, ঢাকা ৳৭০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ DK4MU2NT
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Police verification for Passport

A policeman was harassing by saying that my house (from permanent address) was not in the village I mentioned in the passport application details. He did this to harass and make us pay some to get out of this situation. I needed the passport as soon as possible so my family paid that money. In some cases govt. officers don't ask for money directly. They show different reason/ excuses to hold the work. People pay or offer just to avoid the delay.

ঘুষ দিয়েছি
Barguna ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ BRZ5XBDM
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Legal aid

দেনমোহর পরিশোধের প্রথম কিস্তিতে বলা হয়েছে, ম্যাডামকে দিয়ে শুধু কাজ করান,সম্মানি দিবেন না। তারপর প্রতি কিস্তিতে ৫০০/- দিতে হয়েছিলো এবং ৪ কিস্তিকে ৬ মাস টানা হয়েছে, প্রতিপক্ষকে নূন্যতম নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

ঘুষ দিয়েছি
Gazipur ৳২.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১১ DKLVELJ2
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি

এসিল‌্যান্ড আল আ‌মিন একজ‌নের কাছ থেকে টাকা নি‌য়ে জা‌লিয়া‌তির দলিল দি‌য়ে আমার জ‌মি অন‌‌্যজ‌নের না‌মে নামজা‌রি ক‌রে দি‌ছে।প‌রে নামজা‌রি বা‌তিল করার আ‌বেদন করার পর আমার কা‌ছে ২লক্ষ টাকা‌ ঘুষ দাবী কর‌ছে। আ‌মি ডি‌সি বরাবর অ‌ভি‌যোগ দা‌য়ের কর‌ছি।

শুধু দাবি করেছে
চট্টগ্রাম,কর্ণফুলী ৳২.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬ ১০ CTNVL4KJ
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রি

আমি একটা জায়গা কেনার পর সেটি রেজিস্ট্রি করতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে রেজিস্ট্রির পর পেশকার আমার কাছে ১০০ টাকা দাবি করে।১০০ টাকা না দিলে সে দলিল ছাড়বেনা।প্রথমে আমি টাকা না দিয়ে বের হয়ে যাই,দেখলাম সে আমার দলিল এক সাইডে ফেলে রাখছে।যারা টাকা দিচ্ছে তাদের দলিল ছেড়ে দিচ্ছে।পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই তাকে টাকা দেওয়া লাগছে।

ঘুষ দিয়েছি
দাগনভূঞা উপজেলা শহর,ফেণী জেলা। ৳১০০
২৬ আগস্ট ২০২৬ CTJCV9C2
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

এমপিও, উচ্চতর স্কেল ও অনন্য

শিক্ষকরা যখন নিয়োগ পান তারপর তাদের বেতন ও উচ্চতর স্কেল বা বিভিন্ন ধরনের কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ফাইল মাউশি/মাদ্রাসা অধিদপ্তরে পাঠাতে হয়। ফাইল বুঝে প্রত্যেকটি থেকে কমপক্ষে ২০০০ থেকে কাজের ধরন অনুযায়ী টাকা বাড়তে থাকা। এটা উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ও সুপার ভাইজারদের একটা বিশাল সিন্ডিকেট।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা ৳৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ BRYUZZDA
মন্তব্য
ভূমি অফিস

আধুনগর, ৪৩৯৬, হাশমল, ভূমি অফিস

আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকার ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে নির্ধারিত ফি করে দিয়েছেন এর বাইরে কোনো টাকা দেওয়া লাগে না কিন্তু আধুনগর, হাশমল ভূমি অফিসের কর্মরত এই মহিলা এবং তার সাথে যারা আছে সবাই সরকারি নির্ধারিত ফি এর বাইরে আরও টাকা দাবি করে এটা এক প্রকার ঘুষ। এবং তারা উভয়ে টাকার বিনিময়ে নির অপরাধ মানুষ কে কষ্টে ফেলার জন্যে টাকা খাইয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে মিথ্যে মামলা করার জন্যে যার থেকে টাকা নেই তাকে সুযোগ করে দেই। আমি একজন ভোক্তভোগী হিসেবে এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে তাদের এই অপকর্মের বিচার চাই। তারা সবাই মিলে সরকারি দলের বদনাম জুটাচ্ছে। উচ্চ মহলের ওপর বিনীত অনুরোধ আপনারা সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের সবাইকে এবং বিশেষ করে এই মহিলা কে শাস্তির আওতায় আনবেন।

ঘুষ দিইনি
আধুনগর, লোহাগাড়া, চট্রগ্রাম ৳৬.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ CTM6JY9A
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

চাকরি হওয়ার পর স্যালারি শুরু করার জন্য এবং শ্রান্তি বিনোদনের বিল করাতে

আমাদের ৭৮ জনের চাকরি হওয়ার পর প্রতি জনের কাছ থেকে ১০০০ হাজার টাকা দাবি। পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা দিয়ে করিয়েছি

ঘুষ দিয়েছি
মদন ৳৭৮.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ MY68F37E
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমি খারিজ

গোতামারি তাহসিল অফিসে ১০০০টাকা ও হাতীবান্ধা এসিলেন্ট অফিসে ১০০০ টাকা না দিলে খারিজ করে না আবেদন রিজেক্ট করে দেয়।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা হাতীবান্ধা লালমনিরহাট ৳২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬ RNCLHS93
মন্তব্য