নতুন পাসপোর্ট আবেদন
কাগজ সব অনলাইন ভেরিফাই করা তারপরও আবেদন গ্রহণ করেনি, বলা হয়েছে অনলাইন ভেরিফাই কপি হলে হবে না, অরিজিনাল কপি লাগবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কাগজ সব অনলাইন ভেরিফাই করা তারপরও আবেদন গ্রহণ করেনি, বলা হয়েছে অনলাইন ভেরিফাই কপি হলে হবে না, অরিজিনাল কপি লাগবে।
I paid the payment on govt site to get character certificate. But the computer operator of Manirampur Pourashova said that needs 100 tk even though that is paid. Even, he printed a citizenship certificate even though I filled up the paper to get character certificate. He demanded more 40 tk to print out character certificate.
নামজারি করার জন্য আবেদন করলে অনেক ভুল আছে বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়নি, কিন্তু কি ভুল আছে তা উল্লেখ করেনি
পরশুরাম উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর কিবরিয়া,জুনিয়র অডিটর সুব্রত ঘুষ ছাড়া কোন কাজই করেনা। যেকোন বপতন বিল,টিএডিএ ভাতা,এলপিসি সনদ পাশ করতে হলে ওনাদের ঘুষ দিতে হয়।যেটাকে ওনারা অফিসের ভাষায় বলে 'সমন্বয়' করা। আমার বিভিন্ন কাজে বারবার অনুরোধ করলেও ওনারা সমন্বয় না করে কোন ফাইল ছাড়ে না।
বিগত কয়েকদিন থেকে জায়গা জমি জেরে আমাকে নানান ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং ঐদিনও আমাকে হুমকি দিচ্ছিল এবং সামনাসামনি এবং আমি ওটা ভিডিও করতে গেলে আবার ফোন ভেঙে ফেলে এই তো এটা নিয়ে আমি থানায় জিডি করি তবে তদন্ত কোর্টে পাঠাতে নাকি পুলিশের টাকা লাগবে সে আমাকে সরাসরি টাকা দাবি করে কোন কথা বলে নাই এ ব্যাপারে
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এ যত ধরনের রক্ত পরিক্ষা হয় ২৩৪ নাম্বার রুমে, সব গুলা পরিক্ষার জন্য সবার থেকে মোটের উপর ১০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে। জরুরী বিভাগে রোগি নিয়ে গেলে সেখান থেকে Stretcher করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ও ১০০০ টাকা দাবী করে পরে ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। প্রতিদিন নিচ্ছে, সব সময় নিচ্ছে, সবার থেকে নিচ্ছে।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস এ গেলেই আপনার তথ্যের সমস্যার শেষ নেই । তবে সামনের গেট এ দাঁড়িয়ে থাকা বিসিএস ক্যাডার মানে আনসার গুলো কে ২হাজার টাকা দিলে সব তথ্য সঠিক হয়ে যায় । এভাবেই মাঝে মধ্যে এই আনসার গুলো আপনাকে ডাকবে তারপর সমস্যা সমাধান করে দিবে । ঘুষের পরিমাণ ২ হাজার থেকে শুরু । যার যত বড় সমস্যা তার অঙ্কটা বেশি । ধন্যবাদ বিসিএস ক্যাডার আনসার ভাই ।
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও সংশোধনের জন্য গেলে অযথা ৩ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৬,৫০০ টাকা ঘুষ ক্যালকুলেটরে দেখিয়ে নগদ পরিশোধ করতে বলে মহাখালী-৩ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা। যা আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। এখানে উনার আরো সহযোগী যিনি আরো বড় মাপের ঘুষখোর। উনাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি, তদন্ত স্বাপেক্ষে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করার আহবান জানাচ্ছি।
আমি জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট করে সৌদি আরবে এসেছি। আমার জন্মনিবন্ধনের সব তথ্য সঠিক ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারিভাবে তথ্য অনলাইনে তোলার সময় আমার জন্মতারিখ ভুলভাবে ৮ বছর পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে ইউনিয়ন সচিবের কাছে গেলে তিনি বলেন, এটি ঠিক করা সম্ভব হবে না। পরে একই অফিস থেকে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনা সেখানে নিয়মিত ঘটছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন জন্মনিবন্ধন করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ৩০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট চায়ের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতেও ৩,০০০–৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে
বগুড়া শহরের ফাঁপোড় ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাবার সম্পত্তি খারিজ করবার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে ঘুরতে ২ জোড়া স্যান্ডেল ক্ষয় করে পরবর্তীতে একজন সহকারী সাইডে ডেকে নিয়ে বললেন, এতো ঘুরতে হবে কেন, মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিলে দ্রুতই আপনার কাজ হয়ে যাবে। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিবার সিদ্ধান্ত নিই। বেচারা সহকারী অজু করে এসে বলে,তারাতারি খরচা টা দেন নামাজের সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর আমরা ধার্মিক সহকারী কে ৫.৬৬ শতক জমির খারিজের জন্য ১০০০০(দেশ হাজার টাকা) বুঝিয়া দিয়া রাগে লজ্জায় মাথা নতুন হইয়া চলিয়া আসি।কারণে আমি অন্যায়ের কাছে কখনও মাথা নতুন করি না। বছরটি ছিলো ২০১৮ সাল।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে টাকা দিতে দিতে পকেট খালি হয়েছে। সরকার ও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। যার কারনে এ এসআইরা নিজের মতো ব্যখ্যা দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে। অথচ শুধু পাসপোর্ট দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার কথা। অথচ বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যায়ন ঢাকার টা দিলে হবে না। এলাকার টাও দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন বর্তমান ঠিকানায় হতে হবে। সরাসরি না দেখা করলে ডিক্লাইন করে দিবে। মানে যেখানে যেভাবে পকেটে হাত দেয়া যায়।
ধানমন্ডির দিক থেকে আমি বাইক নিয়ে এসে সায়েন্স ল্যাব মোড় এ ইউ টার্ন নিয়েছি, ওখানে নাকি ইউ টার্ন নেওয়া নিষেধ সাইনবোর্ড দেওয়া ছিলো কিন্তু রাস্তা ফাকা আমি সেভাবে খেয়াল করি নাই, সাথে সাথে আমাকে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করাইলো আমার সমস্ত কাগজ চেক করে, সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরে ও বলে যে মামলা হবে ট্রাফিক আইন না মানার জন্য, সার্জেন্ট কে অনেক রিকুয়েষ্ট করার পরে পাশে এক কনস্টেবল ডেকে নিয়ে বলে যে ১ হাজার টাকা দেন ছেড়ে দিচ্ছি পরে আমি বলেছি আমার কাছে টাকা নাই দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেন কিন্তু সে কোনো কথা না শুনেই ২ হাজার টাকার মামলা দিয়ে। ওখানে ডিউটিরত সার্জেন্ট এর নাম (—) কনস্টেবল এর নাম (—)
নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সাধারন মানুষ পাসপোর্ট করতে গেলে হয়রানি করে, যত কাগজ লাগে সবকিছু সঠিক নিয়ে গেলেও অনেক ধরনের অযৌক্তিক কারন দেখিয়ে এই ভুল, সেই ভুল। কত ধরনের ভুল যে আছে। তো ভুল ধরে আর বলে বাইরে থেকে বা কম্পিউটার দোকান থেকে ঠিক করে নিয়ে আসেন। অফিসের বাইরে, যতগুলা দোকান আছে সবগুলাই এই ঘুষখোরদের সাথে জড়িত। দোকানে গিয়ে যদি বলে ভাই এই সমস্যা এইটা কি করা যায়, ইভেন দোকানে যাওয়াও লাগে না৷ গেইট দিয়ে যখন বের হবে দালাল রা এসে আপনাকেই বলবে কি সমস্যা বলেন সমাধান করে দেই৷ পরে তাদের নিজেদের দোকানে নিয়ে গিয়ে, কাগজে কিছু লিখে দেয়, অথবা তাদের যেই কাগজ দেওয়ার কথা সেই কাগজ এইটার সাথে যুক্ত করে দেয়। তখন আবারও গেলে শুধু NID ফটোকপি হলেই হয় অতিরিক্ত কোনো কাগজ লাগে না হয়ে যায়। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১৭০০লাগে
সম্প্রতি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি হয়েছিল। সরকারি চাকরি হওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়। সেখানে আমাদের সকলের কাছ থেকে ২০০০-৫০০০ পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হয়। আমার এক সহকর্মী ঘুষ না দেওয়ার তার ভেরিফিকেশন রিপোর্টে পূর্ববর্তী সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন এর সাথে জড়িত বলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিয়েছিল। যার কারণে বাধ্য হয়ে আমরা বাকিরা চাহিদা অনুযায়ী ঘুষ দিয়েছি।
First name: Md xxxxxx and last name: xxxxx হবে। কিন্তু আবেদনের সময় ভুল সব লাস্ট নেমে চল যায় ফাস্ট নেম ফাকা থাকে। জমা দিতে গেলে শুরুতে আইডি কার্ডের সার্ভার কপির জন্যো আবেদন নেইনা। পরে বাইরব্র দোকান থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে কপি এনে দিলে এবাএ বলে নামে সমস্যা জমা হবেনা। অথচ এইটা সহকারী পরিচালক ঠিক করে দিতে পারে। কাউন্টারের ব্যাক্তি বলে এইটা হবেনা আপনি আবেদন বাতিল করে আবার নতুন করে আবেদন নিয়ে আসেন। এরপর বাইরে কম্পিউটারের দোকানে গেলে বলে আবেদন বাতিল হতে ৩ কর্মদিবস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু পরেরদিনই আমার ঢাকা ফেরত আসতে হবে। তখন দোকানদার বলে সমস্যা নাই ১৫০০ টাকা দেন লাইন করে দিচ্ছি। এরপর টাকা দিলে উনি আমাকে নিয়ে ভিতরে যেয়ে ওই ব্যাক্তির থেকে সিল মেরে পরিচালক এর রুমে পাঠায়। এরপর পরিচালক সমস্যার সমাধান
কাগজপত্র সব ঠিকঠাক থাকার পরেও এপ্রুভ হচ্ছে না, পাসপোর্ট অফিসে, পরবর্তীতে দালাল বা অন্য কারো মাধ্যমে করাতে হচ্ছে, দালালরা তাদেরকে চ্যানেল বলতেছে চ্যানেলের মাধ্যমে করালে ১৫০০ টাকা লাগবে, ভিতরে কর্মকর্তারা তখন এপ্রুভ করে দিবে চ্যানেলের আইডি /সিক্রেট কোড দেখলে উপরে, পেপারস এর উপর সিক্রেট কোড ইউজ করা হয় চ্যানেল কোড, এগুলো দেখে কর্মকর্তারা অ্যাপ্রুভ এবং রিজেক্ট করে পেপার চ্যানেল মাধ্যমে গেলে, উপরে সিক্রেট কোড দেখলে সবকিছু এপ্রুভ করা যায় প্রতি পেপারস এর জন্য ভিতরে লোকেরা ৫০০ -৭০০টাকা নেয় দালাল নেই 500 টাকা চ্যানেল নিলে টোটাল 1200-১৫০০ টাকা লাগে এইখানে প্রতিটা কম্পিউটারের দোকানেই, অফিসের সামনে, চ্যানেল প্রধান কারী লোক পাওয়া যায়
আমার স্ত্রীর এন আইডি কার্ড করার জন্য গিয়েছিলাম। তারা কাগজপাতির নানান ইস্যু তৈরি করে বলে কাজ হবে না। আমার জানামতে সব ঠিক ছিল কিন্তু তাদের নাকি সমস্যা আছে।এরপর একটু রিকুয়েষ্ট করার পর ৫০০ টাকা দাবি করে।তাৎক্ষণিকভাবে আমার রাজি না হওয়া ছাড়া উপায় ছিলনা। তাদের আমি মোবাইল ব্যংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দিতে চেষ্টা করি কিন্তু নেয়নি। অফিসে সিসি ক্যামেরা আছে কিন্তু মনে হয় পুরো অফিস এই সিস্টেমের সাথে জরিত।পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার পর আমার কাজ করে দেওয়া হয়।
সাইন অফ করাতে, অনলাইনে ভয়েজ আপডেট এসব ঘুরায়, পরে আসতে বলে ইত্যাদি নানবিধ অজুহাত। ৪ টেবিলে ৫০০+২০০+২০০+১০০ করে ১০০০টাকা দিয়ে ১ ঘন্টায় কাজ করেছে। টাকা না দিলে ২ দিন লাগায় বা নানাবিধ অজুহাত। প্রচুর নাবিক ভুক্তভোগী। এভাবেই সবাই টাকা দেয় তাদের।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় আমার কাছে সরাসরি ঘুষ চাওয়া হয়। আমি রাজি না হওয়ায়, পাসপোর্ট আটকে রাখাসহ নানা রকম হয়রানির কথা বলে। পরবর্তীতে বন্ধুর কাছ থেকে বিকাশে ১০০০ টাকা ধার করে পরিশোধ করতে হয়েছে।