দলিল সার্চিং
ব্যাংকের জামানতের জন্য মর্টগেজের দলিল সার্চ করার জন্য
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ব্যাংকের জামানতের জন্য মর্টগেজের দলিল সার্চ করার জন্য
Directorate General of Drug Administration Jashore এ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া এবং সকল সরকারি ফি পরিশোধ করার পর ও বড় স্যার কে দিতে হবে বলে ১০০০ টাকা দাবি করে কর্মরত ব্যাক্তি
I was mugged near banasree, and when I reported it to the Rampura Thana located in Banasree, the assigned investigation officer worked on the case. He asked if he should put "full effort" into it. I wasn't sure what he meant, but I told him to do so. It took four to six months to recover the phone. Once it was recovered, he called to deliver it and mentioned that he required abo20% of the phone's value (around 10K–12K BDT) or he wouldn't hand it over. After going back and forth for some time, I had to pay about 10K BDT just to get back the phone that was stolen from me! These people are paid from my tax money, yet I am forced to pay for their service and effectively buy back my own phone.
পৌরসভার নামে পরিবহনের জন্য চাঁদার দাবিতে গাড়ি আটকে দেয়। টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে।
আমি ভূমির কাগজ পত্র যাচাই-বাছাই জন্য ভূমি অফিস গিয়েছে। সেখানকার লোক আমাকে বলে এগুলো করতে অনেক ঝামেলা খরচপাতি লাগবে। টাকা দিলে সকল কাজ এক টেবিলেই হয়ে যায়। না দিলে হয়রানি বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সামনে নিয়ে আসে। টাকা দিয়ে দিলে কোন সমস্যা নেই।
যাচাই বাছাই এর সময় বলে আমার কাগজে সমস্যা আছে । জিজ্ঞেস করলাম কোথায় সমস্যা বলে খতিয়ান, কারেন্ট বিল বং চং । যাওয়ার সময় এক দালাল বুঝতে পারলেন । বললেন উনার লোক আছে । এপ্লিকেশন এর পেছনে একটা সিরিয়াল নম্বর লিখলেন তারপর বললেন সরাসরি জমা দিতে । আমি সরাসরি ওই অফিসারের কাছে জমা দিলাম। সে নম্বরটি দেখে আর কিছু বললেন না । আমাকে ভেতরে পাঠিয়ে দিলেন । তবে একটা জিনিস লক্ষ করলাম ২ বার ওই অফিসারের সামনে গিয়েছি, তিনি আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেননি। বুঝলাম আসলে এসব ইতরামি করে টাকা খাওয়া যায় কিন্তু তাতে আত্ম সম্মান থাকে না ।
মাদক বিক্রি করি এমন মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শক আমাদের বাড়িতে আসেন। তল্লাশির সময় আমাদের ব্যাগ থেকে ৩০,০০০ টাকা ও একটি স্মার্ট মোবাইল নিয়ে যান। কিছু দিন পর শুধু মোবাইল ফেরত দিয়েছেন, কিন্তু টাকা ফেরত দেননি।
মধ্যনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ প্রদান না করায় নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। একই বণ্টননামা ও মালিকানা কাগজপত্রের ভিত্তিতে একটি নামজারি আবেদন মঞ্জুর এবং অপরটি নামঞ্জুর হয়। ই-নামজারি কার্যক্রমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আবেদনকারীকে বারবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ডেকে নেওয়া হয় এবং ভূমি উন্নয়ন করের নামে আইনবহির্ভূত অর্থ দাবি করা হয়।
আমার বাবা দলিল করে মারা গেছেন।আমি নামজারী করতে গিয়েছি।.65 শতাংশ ।তাদের পাকেজ ১ শতক হলেও ২৩ হাজার ১০০ শতক হলেও ২৩ হাজার লাগবে।তানাহলে হবেনা।বাধ্য হয়ে দিলাম।
ছোট বোনের কলেজ ট্রান্সফারের আবেদন করেছিলাম কিন্তু এক মাস পার হয়ে যাওয়ার পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডে পরের স্টেপে যাচ্ছিল না। পরে ফেসবুকে সংক্রান্ত হেল্প গ্রুপে পোস্ট করলে একজন আমাকে ইনবক্স করে কিভাবে টাকা দিয়ে এটা এপ্রোভ করা হয়। এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আইটি'র কর্মচারী/কর্মকর্তার কন্টাক্ট ডিটেইলস শেয়ার করা হয় সত্যতা যাচাইয়ের জন্যে। আমি ঐ নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিলে আমাকে বিস্তারিত জানানো হয় এবং বলা হয় এখানে টাকা না দিলে এটা কখনোই পরের স্টেপে মুভ করবে না। পরে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করেও যখন দেখি এপ্রোভ হচ্ছে না তখন ঐ আইটি কর্মকর্তা/কর্মচারির সাথে যোগাযোগ করে টাকা সেন্ড করে বাকি প্রসেস কমপ্লিট হয়েছে।
File audit complete by inspector, nothing found abnormal, but she demands some money. After that she transfer and new officer came. also new DCT. Now UD and their stuff ready a new report and show a large amount as deemed income. otherwise, he will send it to range.
খারিজ সঙ্ক্রান্ত, তারপরেও কাজ হয় নি
১০ মাস ঘুরার পর বুঝতে পারি, টাকা ছাড়া অপারেশনের জন্য সিলেক্ট করেনা, আর কানের মধ্যে চেক করতে একটা পার্টস লাগবে, যেটা বাইরে পাওয়া যায়না, ওরাই দিয়ে টাকা নিছে, অপারেশনর পর সেটা চাইলে বলল, বড় ডাক্তার নিয়ে গেছে।
পর্চা ফহফভজভক্স ফুতধ গুফু
বয়লার লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ব্যাংক ড্রাফট জমা দেয়ার পর নিযোক্ত বয়লার পরিদর্শক পরিদর্শন এ আসে, সব কিছু ঠিক থাকার পরও দির্গ দিন দরে নবায়ণপ্রপ্ত চলে আসা বয়লারকে নানা ভাবে অবৈধ বলে বয়লার চালানোর নিষেধ করে চলে যায়। যার ফলে কলকারখানার কার্যক্রম বন্ধ হলে যায়। তারপর অফিসের পিয়ন ও অন্যান্য পরিদর্শকের কাছের মানুষ দিয়ে কল করে ঘুষ অফার করার জন্য না রকম চাপ সৃষ্টি করে এবং অফিসে দেখা করতে বলে। ওনার কথা ঐভাবে কাজ না করলে উনি বয়ল্যার চালানোর পারমিশন দিবে না। তারপর বাধ্য হয়ে ওনার ডিমান্ড করা টাকা দিতে হলাম এবং এর পর উনি বয়লার চালানোর পারমিশন দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করে দিল।
এখানে ঘুষের আদানপ্রদানটা হয় মূলত ওপেন সিক্রেট ভাবে। আপনি যদি পাসপোর্ট অফিসের সামনের ফটোকপির দোকান গুলো থেকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে পেমেন্ট চালান স্লিপে কোড সিল মেরে না নিয়ে কাগজ জমা দিতে যান আপনাকে তারা প্রচন্ড হ্যারাস করবে। মূল কাবিননামা, সার্টিফিকেটের কপি, জাতীয়তা সনদ, যত রকম কাগজ চাওয়া পসিবল, সব চাইবে। আর যদি ১২০০ বা ১৫০০টাকা বেশি দেন, তাহলে সেই দোকান গুলো থেকে কাগজে একটা সিল দিয়ে একটা সাইন দিয়ে দিবে। আপনি বিনা বাধায় কাগজ জমা দিয়ে বের হয়ে আসতে পারবেন। আমার সামনে অন্তত ৫জনকে তারা ফিরিয়ে দিয়েছে নানান রকম কাগজ চেয়ে। সেখানে আমি ১২০০ টাকা বেশি দিয়েছিলাম তাই কোনো ঝামেলা ছাড়াই, শুধু স্মার্ট এনআইডির কপি দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
আমাদের পরিবারের প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বৈধ লিজ, মালিকানা ও দখলে থাকা জমি থেকে আমাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার বাবার দীর্ঘদিনের ব্যবসা/স্টলও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে দখল ও সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং একটি পক্ষকে অবৈধভাবে সুবিধা দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সরকারি প্রভাব ও দুর্নীতির মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের লিজ ও দখলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
বিল্ডিং এর জায়গায় খালি জমি দেখিয়ে দলিল করতে এই অর্থ দাবি করা হয় কোন রকম অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যাতিত এবং প্রমান বিহীন ভাবে। অফিসে সরকারী পদধারী ব্যাক্তি ব্যাতিত আরো অনেক ভাসমান কর্মচারী থাকে (যেটা আইন বহির্ভূত)। সেই সকল ভাসমান কর্মচারীর মাধ্যমে ঘুষের দেন দরবার করা হয়। আবার দলিল লেখকগণের সাথে সরাসরি ঘুষের দেন দরবার হয় যেটা মৌখিক নয়। শুধু টাকার পরিমান ক্যাল্কুলেটরে চেপে দেখানো হয়। তাই ভয়েস রেকর্ড করা সম্ভব নয়। দলিলের জমির পরিমান অনুযায়ী ঘুষের রেইট নির্ধারিত হয়। আইডি কার্ডের সাথে নামজারীর নাম গরমিল, খাজনায় জমির শ্রেনী যেটা থাকবে সেটাই দলিলে উল্লেখ করতে হবে, খালি জমি দেখানো যাবে না (খালি থাকলেও না), খলি জমি দেখালে ট্যাক্স হিসাব করে তার তিন ভাগের এক ভাগ ঘুষ হিসাবে দিতে হবে, এগুলো দৈনিক হচ্ছে।
শোরুম এবং পারসোনাল সকল কাগজপত্র সহ যখন আমি নিজে সাবমিট করতে যাই এবং একাধিক দিন চেষ্টা করি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আমাকে ঝুলিয়ে রাখা হয় এরপর যখন বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করি ১৫০০ টাকা দেয় এবং এক দিনে নাম্বার বের করে দেয়।
মমির খারিজ করার জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে কাজ করে না। খাজনা অনলাইনে পরিশোধ করার পর অফিস থেকে সই করতে টাকা চায়। আটঘরিয়া উপজেলা, মাজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং আটঘরিয়া থানা ভূমি অফিস।