দলিল উত্তোলন
দলিল উত্তোলন করতে গেলে, মহুরি বলে রিসিট হারিয়ে গেছে, এখন ২০০০ টাকা লাগবে তাহলে অরিজিনাল দলিল উত্তোলন করতে পারবেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল উত্তোলন করতে গেলে, মহুরি বলে রিসিট হারিয়ে গেছে, এখন ২০০০ টাকা লাগবে তাহলে অরিজিনাল দলিল উত্তোলন করতে পারবেন
অসুস্থ পিতার চিকিৎসা করাবো বলে জমি ব্রিক্রি করছি, কিন্তু জায়গা দলিল করার সময় নামে মধ্যম অংশে আংশিক ব্যবদান পাওয়া যায়, আবেদন করছি, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য পাটাইছে, ভূমি কর্মকর্তা তদন্ত করে সত্য প্রমাণিত হওয়ায়, নাম ঠিক করার জন্য রিপোর্ট দিছে, কিন্তু টাকা না দেওয়ায় , উপজেলা ভূমি অফিস ২ বছর ধরে ঘুরাচ্ছে ।
নিজ যোগ্যতায় ড্রাইভিং লাইসেন্সের সব পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার পরেও বি আর টি এ অফিস থেকে লাইসেন্সের জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স টা নিই।
আমি জন্ম নিবন্ধন নামের বানান সংশোধন করতে গিয়েছি উনি আমাকে বলেছে এটা হবে না এটা করতে হলে অনেক জায় জামিলা আছে টাকা পয়সা অনেক খরচ হবে এখানে আপনি বিকেলে আমাকে কল দিবেন একটা নাম্বার দিয়েছেন তারপর আমি ওনাকে বিকেলে কল দিলে উনি আমাকে বলে এখানে অনেক খরচাপাতি আছে অনেক জটিল কাজ ৫০০০ টাকা দিতে হবে
আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করে পর পর ২ জন মহিলা সোনাইমুড়ি থানা,নোয়াখালীতে তদন্ত কর্মকর্তাকে অনৈতিক চাপ দিয়ে রিপোর্ট করানোর জন্য তাগাদা, ভয় ভীতি দেয়।পুলিশ আমাকে থানায় ডেকে মিমাংসা করতে চাপ দেয়,যেখানে কোন ঘটনাই ঘটেনি।আর না হয় আমার নামে রিপোর্ট দিবে,এ কথা বলে বলপূর্বক চাঁদা দাবি করে টাকা নেয়।
NTRCA থেকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সিলেক্ট হয়ে এমপিও করার জন্য শিক্ষা অফিসারের ফরওয়ার্ড লাগে। সে আমাকে দেয়নি। পরে ৮০০০৳ বিনিময়ে ক্লিক করে ঢাকায় ফাইল পাঠিয়েছে। বাধ্য হয়ে দিয়েছিলাম
ঘটনা ০১) ২০১৮ সালের নভেম্বর মাস, MATS থেকে পাস করে, হস্পিটালে ইন্টার্নশিপ শেষে "দি স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব বাংলাদেশ বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ" এ যেতে হয় প্রভিশনাল সার্টিফিকেট এর জন্য। সকল কাগজপত্র জমা দেবার পর সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা অবধি অপেক্ষা করে, অবশেষে ৫০০ টাকা নগদ "চা নাস্তা" খরচ দিয়ে প্রভিশনাল সার্টিফিকেট হাতে পায়। ঘটনা ০২) দুই বছর পর ২০২০ এর জানুয়ারি মাসে MATS এর অরিজিনাল DMF সার্টিফিকেট তুলতে গেলে, একই ভাবে ৮০০ টাকা "চা নাস্তা" বাবদ জমা দেবার পর তবেই অরিজিনাল সার্টিফিকেট হাতে পায়। উক্ত অফিসের দপ্তরি থেকে সেক্রেটারি সকলেই ভয়াবহ ঘুষ খোর। উলেক্ষ্য এই সরকারি অফিসে প্রায় নার্স মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দের এভাবে হেনস্তা করা হয়। রিপোর্ট বক্সে রিপোর্ট দিলেও কোনো কাজ হয়না।
জাতীয় হৃদরোগ হসপিটাল থেকে পরীক্ষার রেফার করার পর বাচ্চার জরুরি টেস্ট এর জন্য ২০২৩ সালের দিকে বাতজ্বর হাসপাতালে যাই।কিন্তু সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দিয়ে ৫ টাকার টিকেট কিনে যদি পরীক্ষার জন্য ফি জমা দিলে নাকি রিপোর্ট পেতে ১/২ দিন লাগতে পারে তাই ওই বাতজ্বর হাসপাতালের কর্মচারীদের একজন বললো আমাদের ভিতরে একজন মহিলা আছে ওনাকে ৩৫০ টাকা দিলে রিপোর্ট ১ ঘন্টার মধ্যেই পাওয়া যাবে।তখন আমার বাচ্চার জরুরি হার্টের চিকিৎসায় নিরুপায় হয়ে আমি ৩৫০ টাকা দিতে বাধ্য হই এবং ঠিক স্যাম্পল কালেকশনের ১ ঘন্টা পরেই রিপোর্ট পেয়ে যাই।
আমি আমার ড্রাইভিং নিজে করেছি সকল কিছু সেটা নিজের মেধাতেই হয়েছিলো কিন্তু এর পরে একটি গাড়ি নেই সেটার রেজিস্ট্রেশন করার জন্য নিজেই সকল কিছু করেছিলাম পেমেন্ট সকল বিকাশেই করেছিলাম এর পর যখন ফাইল জমা করতে যাই তখন তারা বলে খরচ লাগবে আমি জানতে চাওয়াও পরে যে বলে খরচ লাগবে এটি অফিসের ভেতরে সাইডে নিয়ে বলে যেখানে ক্যামেরা নাই। আমি নিজে করছিলাম প্রথম বার তাই ভেবেছিলাম হয়তো আসলেই লাগে কোনো ফি। দিয়ে চলে আসি কাজ হয়ে যায়। এর পর যখন আমি রিসার্চ করি তখন দেখা যায় আমি তাকে ঘুষ দিয়ে আসছি অযথায়। এর পর এক বড় ভাইয়ের কাগজ করতে যাওয়ায় তার থেকেও একই ফি চায় আমি ধরি যে আমরা সব ফি দিয়ে আসছি তারা করতে রাজি হয়না, আমরা চলে আসি। এই জন্য তার নাম্বারো হচ্ছে না পরে তার থেকেও শুনি ২০০০ টাকা নিয়ে তার কাজো করে দিয়েছে।
থ্রিপেইজ লাইন সংযোগে ৫০০০০ হাজার টাকা দাবি করে শুধু সময় কেপন করছিল পরে বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করে সংযোগ টি নিয়েছি।
আমার সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকার সত্যেও অমার ৭,৫০,০০০/- টাকা অতিরিক্ত কর নির্ধারন করেন। ঘুষ দেওয়ার পর সেটি মাত্র ১৪,০০০/- টাকা নির্ধারন করেন।
৫ম গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগের সময় টাকা দিতে বাধ্য করছে এবং বিএড ফাইল এপ্রুভ করতে হেড টিচার সর্বমোট ৮০০০ টাকা দিতে বাধ্য করলো এবং যথাসময়ে কাজ করেনি। প্রতিষ্টান প্রধান খুব দুর্নীতির সাথে জড়িত। কিছু বললে খুব মানসিক ভাবে প্রেসারে রাখে।
স মিল এর বিদ্যুৎ সংযোগ বাবদ ২৫০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছিলো। ঠাকুরগাও নেসকো অফিস এর কর্মকর্তা।
আমার সমস্ত কাগজপত্র লিগ্যাল থাকার পরেও আমাকে দেওয়া হয়নি পেয়েছে এবং টাকা না দেওয়ার কারণে খারিজ দেয়নি
জমির নাম জারি করতে হাটহাজারীর চিকন্দন্ডি ভূমি অফিসে ৬০০০ টাকা দাবী করে। আমাকে বাধ্য হয়ে ৪০০০ টাকা পরিশোধ করে নাম জারি আবেদন ফাইল ইউনিয় ভূমি অফিস থেকে AC Land অফিসে পাঠাতে হয়। AC Land অফিসে কোন ঘুষ দিতে হয়নি, তবে টাকা না দেয়াতে মনে হয় কয়েক মাস ঘুরাঘুরি করতে হয়েছে। এক বারের জায়গায় ৭/৮ বার যেতে হয়েছে।
নামজারি আবেদন করেছি, কিন্তু অনলাইন ফাইলে ঘুষ না দিলে রিপোর্ট জমা দেয় না। ঘুষ ছাড়া আবেদন বাতিল করে দিবে।
২০ দিন ফেলে রেখে ঘুষ চায়
১৫০ টাকা সর্বসাকুল্যে খরচ সরকারি ফি, কিন্তু আমাকে দুই বাণ্ডিল কাগজের স্তুপ দেখিয়ে বললো, যারা রেকর্ড রুম থেকে রেকর্ড বের করে লিখবে এবং সার্টিফাইড করার জন্যে সিগনেচার নিবে তাদের ৫০০ টাকা করে দিতে হবে, আমি ৬ টি খতিয়ানের আবেদন করেছি এবং যেখানে খরচ হওয়ার কথা ৯০০ টাকা, সেখানে ঘুষ সহ খরচ হয়েছে ৩০০০ টাকা
বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী ডিটিও অফিসে অসম্ভব পরিমাণ ঘুষ লেনদেন হয়। যার ভুক্তভোগী সাধারণ কর্মচারীগন। প্রতিটি ফাইলে ঘুষ লেনদেন হয়। কিছুদিন আগে আমার থেকে মোটা অংকের টাকা সামান্য কাজের জন্য নিয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক!
According to my personal experience and observations, individuals from banani city corporation appear to be operating as a group or syndicate in connection with the delivery of citizen services. It is alleged that, with the assistance or cooperation of a Ward Secretary (Ward Sachib), they demand unofficial payments from citizens and, in many cases, do not provide services unless such payments are made. I personally had to pay BDT 1,500 for a basic birth certificate service. I have also heard allegations that the individuals involved may be earning approximately BDT 4–5 lakh per day each through such unofficial payments