পাসপোর্ট আবেদন
পাসপোর্ট অফিসে আমি পাসপোর্ট এর আবেদন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু আবেদনের কিছুটা ভুল হয় আমার কাছে নগদ ১২ হাজার টাকা ঘুষ চাইলেন কর্মরত অফিসার
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট অফিসে আমি পাসপোর্ট এর আবেদন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু আবেদনের কিছুটা ভুল হয় আমার কাছে নগদ ১২ হাজার টাকা ঘুষ চাইলেন কর্মরত অফিসার
Passport renewal for me and my wife. All documents were okay but they sent us to the inspection room. The guy in charge was indirectly hinting us to pay and avoid the rejection.
পাসপোর্ট বানাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও সহকারি স্টাফের বারবার হয়রানি এবং কাগজপত্র প্রক্রিয়াকরণের কাজটি ত্বরান্বিত করতে সহযোগিতা করার কথায় টাকা চাওয়া হয়েছিল। যদিও এই ঘটনাটি সবার সাথে ঘটেছিলনা কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সেখানে ছিলাম ততক্ষণ পর্যন্ত কারো না কারোকে একই অবস্থার মধ্যে দেখেছিলাম। এটি একটি নিয়মিত ঘটনা যা সেখানে আশা অনেক মানুষেরই এটি একটি মানসিক ও শারীরিক ধকলের কারণ।
১৮/০৫/২০২৬ তারিখে আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম আমার পাসপোর্ট টির ইনফরমেশন কারেকসন করে নতুন পাসপর্ট ইস্যু করার জন্য। কিন্তু তার আমাকে নানা কাগজের অযুহাত দেখিয়ে শেষমেশ এক ব্যাক্তির নিকত যেতে বলে। এরপরে সেই ব্যাক্তির নিকট গেলে সে আমাকে বলে অন্যদের জন্য ২০০০০টাকা তবে আপনি যেহেতু সরকারী চাকরীজীবী তাই আপনার জন্য ডিষ্কাউন্ট করে ১৫০০০টাকা। এই টাকা পরিশোধ করলেই আপনার পাসপোর্ট এর আবেদন গ্রহণ করে প্রসেস করা হবে। এরপরে আমি সেই টাকা দিতে অস্বীকার যাই এবং এরপরে তাদের কে বলি আমার পাসপোর্ট করে না দিলে আমি সাংবাদিক ডাকবো কিন্তু তারা তাতে ভয় না পেয়ে এক রকম আমাকে অপমান করে সেখান থেকে বের করে দেয়। এরপরে আমিও রাগে ক্ষোভে সেখান থেকে ফেরত চলে আসি। এবং এখন পর্যন্ত আমি পাসপোর্ট কারেকশন করিনি এন্ড ইন্ডিয়া তেও যাইনি।
Brahmanbaria passport office দূর্ণিতির আখড়া, আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট বামানোর জন্য গেলে বলে কাগজপত্রে সমস্যা আছে, আমি যায় সাথে আবার বলে যে সার্ভার প্রভলেম। পড়ে একজন বলে চ্যানেলের মাধ্যমে দেন। সেখানে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেন। চ্যানেলে দিয়েছে কিনা আবেদনের সাথে একটা কোড যুক্ত gmail দেয়া হয়। যেটা দেখে ওনারা ঘুষের দ্বারা দালালের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে ধরে নেয়া হয়। এভাবেই চলছে সবকিছু, দেখার কেও নাই। Emergency তে কাজ করতে হয় বলে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হয় আর ওনারা ঘুষ নিয়ে দালালের মাধ্যমে, দালালগুলো ওদের পালিত।
— সাবেক শিক্ষার্থী, বেরোবি। ঘটনাটি ২ বছর আগের।আব্বার ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ায় যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো। সে জন্য ইমারজেন্সি পাসপোর্টের আবেদন করতে যায় পঞ্চগড় পাসপোর্ট অফিসে। সকল কাগজ রেডি করে জমা করতে যায়। এর পর সরাসরি ঘুস চাওয়া হলে দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এজন্য বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানির স্বীকার হই। এবং পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হই।এর পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য NSI এর এক কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে। ঘুস দিতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তিকে আমার সামনেই চড়ম ভাবে অপদস্ত হতে দেখেছি।
আমি নিজে নিজে অনলাইনের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করে অতঃপর কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই। কিন্তু তারা আমার এপ্লিকেশন জমা নিবে না। এই ভুল ওই ভুল বলে এই টেস্ট ওই টেস্ট বলে হয়রানি করে। এনআইডি কার্ডে পেশা দেয়া ছিল শ্রমিক আর পাসপোর্টে দিয়েছিলাম লেবার এ কারণে নাকি আমার পাসপোর্ট হবে না। অতঃপর তারা আমাকে একটি কম্পিউটারের দোকানদের নাম্বার দিয়ে বলে এ নাম্বারে যোগাযোগ করে সংশোধন করে আনেন। নম্বরে যোগাযোগ করলে বলে যে ২ হাজার টাকা দিতে হবে আপনাকে। আরে টাকা আমি অর্ধেক নেব ওই অফিসার অর্ধেক নিবে। তাই প্রয়োজন এর কারণে আমি তাদেরকে ঘুষ দিয়ে কাজটি করতে বাধ্য হই।
সকাল ৮ টা থেকে লাইনে দাঁড়ানো ১২ টায় আমার সিরিয়াল আসলে বলে সার্ভার ডাউন তারপর কোন রকমে সিরিয়াল আসলে সব কাগজ থাকা স্বত্বেও আমার কাছে চায় কবিননামা আর ইলেক্ট্রিক বিল লাগবে, সাথেই ছিল কাগজ আমি সাথে সাথে বিয়ের কাবিন বের করে দেই পরে বলি আমার ইলেক্ট্রিক বিল অনলাইন পিডিএফ দিতে পারব পরে আথ কিছু না পেরে বলে নাগরিক সনদ দেন আরে আমার ঢাকায় নিজের বাড়ি নিজের ঘর আমি কিসের নাগরিক সনদ দিব। পরে বের করে দিল আর ঐ লোক ভিতরের আনসার কে আমার কাগজ দিয়ে কথা বলতে বলল তখনও বুঝতে পারি নি আনসারের সাথে কি কথা বলব! ও মা পরে দেখি আনসাররাও দালাল আমার কাছে বলে বুঝেন না কিছুই লাগবে না তাও ভাই আপনাদের ধরে ধরে শিখানো লাগে ঐখানে দাবি করল ২৫০০ পরে আমারও আর উপায় ছিল না টাকা দিলাম ১২ টা ১০ এ সব কাজ শেষ হতে ১ ঘন্টাও লাগে নি।
পাসপোর্ট এর ছবি এবং ফিনগারপ্রিন্ট দিতে গিয়ে তারা বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে বলতেছিলো আজকে হবেনা। টাকা দেয়ার পরে আর কিছুই লাগেনি সরাসরি হয়ে গেলো।
পাসপোর্ট কপি,এন,আই,ডি ছিল।আর কিছু ছিল না। এরা অনেক ডকুমেন্টস চাচ্ছে। টাকা দিলে আর কিছু লাগবে না।
পাসপোর্ট ফাইল জমা দিতে মায়ের নামের শেষ বেগম আর আমার আইডিতে দেয়া বেওয়া এই কারণে প্রথমে ফাইল রিজেক্ট করে বলে অথচ ১৮ বছর পার হলে বাবা মায়ের এন আইডি প্রয়োজন হয়না। আমার ভাইয়ের করেছিলাম ২০২৪ এর আন্দোলনের পরে তখন কোন সমস্যা হয়নি। তারপর ফাইল রিজেক্ট এর পর বাইরে আস্তেই কিছু মানুষ ডেকে পাসের কম্পিউটার এর দোকানে নিয়ে যায় তারা বলে যতো রিজেক্ট ফাইল সব নিবে স্যার এর সাথে নাকি উনাদের যোগাযোগ আছে স্যারের ফি ১৫০০ আর উনাদের ১০০ এই হলো ১৬০০ এভাবেই যে ফাইল রিজেক্ট করলো পরে টাকার বিনিময়ে আবার ফাইল গ্রহণ করলো। এভাবেই সিস্টেমিটেক ভাবে ঘুষ নেয়।
আমি গত বছর পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে, আমার সকল কাগজ ঠিক থাকার পরও পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা আমার ফর্ম বারবার প্রত্যাখ্যান করে,এবং নানা তালবাহানা করে।আমি বেশ কয়েকদিন হয়রানির শিকার হই।চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা আগে সরাসরি ঘুষ দাবি করলেও বর্তমানে তারা এখন বিকল্প রাস্তা বহন করে পাসপোর্ট আবেদনকারীদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে।তা হচ্ছে, চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসের সামনে বেশ কয়েকটি কম্পিউটারের দোকান আছে। ওই দোকানের লোকরাই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের এজেন্ট। তাদের মাধ্যমে যেসকল পাসপোর্ট আবেদনকারীর আবেদন ফর্ম জমা হয় তাদের ফর্ম সাথে সাথে এপ্রুব হয়ে যায় কোনরকম যাচাই-বাছাই ছাড়াই।অথচ যারা ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ফর্ম জমা দিতে যায় তাদের ফর্ম রিজেক্ট করে দেয়।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম এখানে দালাল ঘুষ নিয়েছিল সেটি পাসপোর্ট অফিসার কে দিয়েছিল
Actually, tara direct tk chay nai. Tader documents dile tara file koyekbar scan kore,and most of the time tara ekta na ekta documents er shortage bole documents bad diye dey and bole ei paper lagbe oita lagbe ei shei.but passport office er bahire eshe onek luk dariye thake vhai kaj kore dibo naki,ashen. Oder kache gele oder ke 1600-2000 tk dile ora bole je vhai ebar bhitore jan. Same Documents e oi eki officer abr kagoj joma nitese tao ebr kagoj short thaka sotteo. Ofc oneke bahire tk na diyeo kortese and tader kagoj accept o kortese but jara tk dicche tara almost half paper documents charai application submit kore astese
আমি ছাত্র ছিলাম যতাযত সকল কাগজপত্র দাখিল করেছিলাম সাথে পাসপোর্ট এর আবেদন পত্রও। আবেদন পত্রের যে অংশে পেশা লেখা সেখানে আমি Private Service লিখেছিলাম। (আমার ভাই বিদেশ ছিল, সে বলেছিল এটা লিখতে) এটা লেখার জন্য ভদ্রলোক আমার আবেদনটি গ্রহন করেন নি। ওনার ভাষ্যমতে আমি তখন ছাত্র ছিলাম আবেদন পত্রে পেশা ছাত্র লিখতে হবে। আমি ফেরত গেলাম গ্রামে। পরদিন নতুন ফরম করলাম দুইসেট এবং যতারীতি চেয়ারম্যান এর কাছে প্রত্যায়ন এর জন্য গেলে ওনি আামকে প্রশ্ন করলেন এত ফরম কেন? আমি আগের দিমের ঘটনা খুলে বললাম এবং নতুন ফরমের একসেটে পেশা ছাত্র লিখলাম এবং অন্য একটা খালি রাখলাম। ওনাকে বললাম যদি ছাত্রওয়ালাটা জমা না নেয় তবে পেশা খালি রাখাটা জমা দিব, এবং পাসপোট অফিসার যা লিখতে তাই লিখব। পাসপোট অফিসে আসার পর এখই ভদ্রলোকের কাছে গেলাম
এটা তিনি চা-নাস্তা খরচ হিসাবে খুশি করা জন্য চেয়েছে তকণ আমি স্টুডেন্ট ছিলাম অনেক কষ্ট করে প্লাস্টিকের ব্যাংক ভেঙে দিতে হয়েছে, প্রথম দিকে টাকা না চেয়ে অফিসে দেখা করতে বলে আর অফিসে টাকা ছাড়া যাওয়াতে তিনি আমাকে ফেরৎ পাঠান প্রায় ১৪ দিন পর আবার কল করে ৩০০০ দাবি করে কিন্তু ২২০০ টাকা দিতে সমর্থ হই।
আমার পাসপোর্ট করতে হবে।এজন্য একজন বললো ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে চাইলে ৮০০০ টাকা দিতে হবে।আমি দিলাম।সে আমাকে আমার সব কাগজপত্র নিয়ে একটি কম্পিউটার দোকানে গেল দেখলাম কি কি যেন কাজ করলো এবং ঐ দোকানিকে ৫৭৭০ টাকা পে করলো।বাদবাকি টাকা সে পকেটে ভরলো।আমি জানি না তাকে কি আমি ঘুষ দিলাম না সে ঐ বারতি টাকা প্রতারণা করে খেলো না এতটুকু কাজের জন্য তার পারিশ্রমিক নিলো।
passport office e passport renew korar jonno bar bar try koreo appointment pacchilam na. tarpor baddho hoye passport office er ek kormochari ke dhore 1din ei passport renew korte hoyeche, medical emergency'r jonno desh er baire jawa dorkar chilo tai
আনি নতুন পাসপোর্ট করার সময় আমার কাছে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দাবিকরে দালাল। আমি অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাই। কারণ দালাল ছাড়া পাসপোর্ট বাবানো প্রায় অসম্ভব।
তারা বিভিন্ন উপায়ে, আমার পাসপোর্ট ফাইল টি সঠিক থাকার পরও, বারবার রিজেক্ট করছিল, কারণ আমি দালালের মাধ্যমে আসি নাই, বারবার সিরিয়াল ধরে তাদের কাছে পৌঁছানোর পর, আমাকে রিজেক্ট করতে ছিল, এমন করে দুদিন, আমাকে ভোগান্তি, পোহাতে হয়। দালাল চক্রের মাধ্যমেই অফার দেওয়া হয় সরকারি খরচ বাদে, ১৫০০ টাকা দিলে, পাসপোর্ট ফাইলটি জমা নেবে এবং খুব সহজে পাসপোর্ট আসা পর্যন্ত তারা কাজ করবে, তারা আমাকে আশ্বাস দিয়েছে, কিন্তু আমি তাতে রাজি হয় নাই, তবে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে ,