সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২,১৬১ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্টের আবেদন

আমি সকল কাগজপত্র নিজে ফিল আপ করে অনলাইনে অর্থ পরিশোধ করেছি। তারপর নির্ধারিত তারিখে আমি সিরিয়াল ধরে কাউন্টারে গেছি। বলে অরজিনাল এনআইডি নিয়ে আসেন। অথচ ফটোকপি দেওয়া ছিলো। এরপর বাহিরে গিয়ে অরজিনাল এনআইডি আবার বের করে লাইন ধরে য়ামনে গেছি। এবার সব দেখে বলে সব ঠিক আছে। অরজিনাল স্টুডেন্ট আইডিকার্ড নিয়ে আসেন; সত্যায়িত ফটোকপি দেওয়া ছিলো। আমি ৩০কি.মি দূর লাকসাম থেকে যাওয়ায় এটি সম্ভব ছিল না আনা। তাকে অনুরোধ করার পরও নিলো না। তারপর বাধ্য হয়ে কম্পিউটারে দোকানে যাওয়ার পর ২০০০টাকা দিলে সে ফাইল থেকে আরো কিছু কাগজ কমিয়ে ফেলে। তারপর একটা সিগন্যাল লেখার পর আবার লাইন ধরতে বলে। তারপর কাউন্টারে গেলে এবার কিছু না বলেই সিগনাল দেখে কাগজ জমা নিয়ে নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট করছি।

প্রথম দিন গিয়ে তাদের অসাধু আচরণ দেখে চলে আসছি, তারপর দ্বিতীয় দিন গিয়ে, প্রথমেই বাংলাদেশি নাগরিক কিনা সেটা যাচাই করতে গেছি,তারপর সেখানে ভুল ধরছে, আমার আইডি কার্ডের বাংলাদেশের লোগো ঝাপসা কেন,তার জন্য সত্যয়ন না করেই পাঠিয়ে দিছে। তারপর পুনরায় নতুন আইডি কার্ড প্রিন্ট করে আনার পর যাচাই করে দিছে। তথ্য যাচাইয়ে যাওয়ার পর ভুল ধরলো, আমার জেলায় না করে এখানে আসছি কেন? নিজ জেলায় যেতাম এবং যে ভুল গুলা ধরা প্রয়োজন নেই সেগুলা ধরে পাঠিয়ে দিছে। তারপর এক দালালের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম এমন পঞ্চাশটা ভুল ধরতে পারবে, পরে তারে জিজ্ঞাসা করলাম কি ভুল ধরবে একটা উদাহরণ দেন দেখি। সে বল্লো আপনি তো স্টুডেন্ট, স্টুডেন্ট আইডি কার্ড আছে আপনার? এই কথা শুনার পর কথা না বাড়িয়ে টাকা দিয়ে সমস্ত ভুল ঠিক করে ফেলছি।

ঘুষ দিয়েছি
মোহাম্মদপুর, ঢাকা। ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

NEW PASSPORT APPLICATION

জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে ১০৪ নম্বর রুমে জমা দিতে হয়। দালাল ছাড়া এ আবেদন জমা দিতে গেলে একটার পর একটা কাগজ চেয়ে আবেদন গ্রহীতা কে হয়রানি স্বীকার করে। অথচ বাইরের কম্পিউটারের দোকানগুলোতে গিয়ে পনেরশো টাকা দালালি খরচ দিয়ে দিলেই কোন ডকুমেন্ট ছাড়া আবেদন জমা হয়ে যায়। সবই পীর দরবেশের খেলা।

ঘুষ দিয়েছি
JAMALPUR ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্টের আবেদন জমা

অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত তারিখে ওয়েবসাইটে উল্লেখিত কাগজপত্র নিয়ে নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে যাই। ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে যখন কাগজ জমা দেওয়ার সময় আসলো, কর্তব্যরত অফিসার বললেন আপনার চারিত্রিক সার্টিফিকেট নাই। জিজ্ঞেস করলাম, এটা কোথায় পাওয়া যায়? বললেন আপনার এলাকার কমিশনার দিবে। বললাম, এখন গিয়ে নিয়ে আসতে তো সময় লাগবে। উনি বললেন, চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দেন, আমি ম্যানেজ করে দিচ্ছি। জিজ্ঞেস করলাম, কত? বললেন, ২ হাজার! বললাম, টাকা দিলে যেহেতু করে দিতে পারবেন, তাহলে এমনিতেও করে দিতে পারবেন। কাইন্ডলি করে দেন না। আমি টাকা দিতে পারবোনা। উনি কাগজ ছুঁড়ে মেরে বললেন, যান! সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন! কাগজে ঝামেলা আছে।

ঘুষ দিইনি
ইকুরিয়া, ঢাকা ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময়ে কল দিয়ে বললো, এই কাজ সম্পাদনের জন্যে টাকা লাগবে। সরকারী খরচ। বললাম, আমি তো ব্যাংকেই দিয়েছি। উনি বললেন, কিরে ভাই, আপনি দেখি খরচের ব্যাপারটা ধরছেন না। হয়, খরচ দিয়ে কাজ তাড়াতাড়ি হবে, নাহলে আমরা থানায় পাঠাবো, সেখান থেকে লোক কল করবে, আপনাকে থানায় যেতে হবে, কাগজ পত্র দেখাতে হবে, অনেক ঘোরাঘুরি। পরে আমি জানাচ্ছি বলে, অন্য একজন পুলিশের এডিসিকে দিয়ে ওনাকে ফোন দেয়াইসি, জাস্ট ৩ দিনের মাথায় কোন টাকা পয়সা ছাড়া কাজটা হয়ে গেল। কি আজব একটা দেশ!

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳৫০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট বানানো বা রিনিউ

নতুন পাসপোর্ট করার জন্য আমি নিজে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যাই। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমি সরাসরি হয়রানির শিকার হই। আমার অভিযোগ হলো, আবেদনকারী নিজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গেলে ফাইল গ্রহণ ও বায়োমেট্রিক (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দেওয়ার আগে একটি **গোপন কোড/চিহ্ন** আছে কি না তা যাচাই করা হয়। ওই কোড না থাকলে নানা ধরনের অজুহাত দেখিয়ে আবেদন গ্রহণ করা হয় না এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয় না। আমি নিজেও এর ভুক্তভোগী। শুধু আমি নই, আমার সামনে থাকা অন্যান্য আবেদনকারীদেরও একইভাবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে বলে আমি প্রত্যক্ষ করেছি। অর্থাৎ সরকারি নির্ধারিত ফি দেওয়ার পরও স্বাভাবিকভাবে পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে এবং বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে পরম জমা দিতে গেলে তারা বলে ভুল হয়েছে, সত্যি বলতে সকল কাগজপত্র ঠিক ছিলো আমার। এরপর আমার ফাইলটি জমা নেয়নি তারা। পরে আমি অফিসের বাহিরে এসে একজন দালালকে বললে তিনি অফিসের ভিতরে গিয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে আমার ফাইলটি জমা দেয়।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন এবং পুরাতন পাসপোর্ট ইস্যু

চ্যানেল ছাড়া কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস নতুন এবং পুরাতন পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে না। সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও আগামীকালকে আসেন অথবা পাইলে সমস্যা আছে, খতিয়ান নিয়ে আসেন এরকম বলে ফাইল ব্যাক দেয়, চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা দিলে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
Coxs Bazar ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Passport kora

সকালে প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্র নিয়ে যাওয়ার পর সারাদিন হয়রানিকার করেছে এরপর যখন বাহিরের দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে সাথে সাথে করে দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
Chandpur ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

New passport

ঘটনা 2022 সালের।আমি সিভিল বাট আমার ব্রাদার ইন ল এর আর্মী আইডি কার্ড ব্যবহার করে ক্যান্টনমেন্ট থেকে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি। হেল্প ডেস্ক থেকে বলা হয়েছিল আমি সিভিল হলেও পাসপোর্ট করতে পারবো কোনো সমস্যা হবে না। আমি আমার সকল কাগজ রেডি করে অফিসারের সাক্ষর আনতে যাই তখন তিনি সাক্ষর দিতে অস্বীকার করেন। পরের দিন একজন আনসার সদস্যর মাধ্যমে টাকা পেয়ে ঠিক এই সাক্ষর করে দেন।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka cantonment ৳১.৫ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরি করতে

পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,আফতাবনগরে।কাগজ সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল।বলছিল আইডি কার্ড দেখাতে।শিক্ষাজীবন শেষ তাই আইডি কার্ডের মেয়াদ ও শেষ।তখন বলে হবেনা পাসপোর্ট।নিজ জেলা থেকে করে নিন।তারপর আর কী!!দুইভাজার নিয়ে নিল।আরেক ভদ্রলোক তার শিক্ষাজীবনে অর্জিত সকল কাগজ পত্র নিয়ে এসেও ঘুষ ব্যতীত নিজের পাসপোর্ট করতে পারেনি দেখে নিজের দেশের মানুষের প্রতি বিশ্বাস যা ছিল তাও উঠে গিয়েছিল সেদিন। আপনাদের এই মহৎ উদ্যোগ এর জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি।মহান আল্লাহ্ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুক আমিন

ঘুষ দিয়েছি
আফতাবনগর ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য