নতুন
ডকুমেন্টস যাচাই করে বলা হলো এগুলো ভেরিফাই করা নাই,পরবর্তীতে পার্সপোট অফিসের দারোয়ান এর মাধ্যমে দেওয়া হলে কাজ হয়ে যায়, যেখানে আর কোন ভেরিফাই দরকার হয় নাই। দারোয়ান কতৃক ১৫০০ টাকাই ভেরিফাই,হায়রে বাংলাদেশ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ডকুমেন্টস যাচাই করে বলা হলো এগুলো ভেরিফাই করা নাই,পরবর্তীতে পার্সপোট অফিসের দারোয়ান এর মাধ্যমে দেওয়া হলে কাজ হয়ে যায়, যেখানে আর কোন ভেরিফাই দরকার হয় নাই। দারোয়ান কতৃক ১৫০০ টাকাই ভেরিফাই,হায়রে বাংলাদেশ।
প্রথমে আমার কাছে পাসপোর্ট করার জন্য ১৫০০০ টাকা চায় আমি তারপর ওইটা পরিশোধ করি শুধু আমার সমস্যা ছিল নামের মধ্যে আমার আগে মোঃ/ফ্যামিলির নাম ছিল না কিন্তু ভোটার আইডি তে সব ঠিক আছে পাসপোর্ট এর সাথে ভোটার আইডি মিল নেই তাই এম আর পি থেকে ই পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করেছিলাম তো ওনারা আমার ফিঙ্গার সবকিছু নিয়ে আমার ফাইল জামা নেয় তারপর দশ দিন পরে বলে আপনার ফাইলটা ঢাকাতে আটকে আছে আপনাকে আরো ২০ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়ে দেই তারপরে বলে না এটা হয়নি আপনাকে আরো টাকা দিতে হবে তারা আরো ৩০০০০ টাকা দাবি করে আমি 15000হাজার টাকাও দিয়ে দেই তারা কয়েকদিন পরে শুনি ওই লোক নাকি ট্রান্সফার হয়ে খুলনা চলে গেছে তো আমি কি করলাম ওটা তো আর হবে না এপ্লিকেশন উইড্রো করে ময়মনসিং গিয়ে ১৫০০০ টাকা দিয়ে এমআর পি করে নিলাম,
The story back in 2015, I prepared my application, bank payment slip and each and everything to submit at passport office customer dex. However, the person should present there during office time but I never seen a single time. I visited there everyday morning and returned afternoon. It was day 3, two police man noticed me that, everyday I am coming and going back without any solution. He, offered me like this way, "what everybody do, you do so". Fist time i didn't understand, then he make it clear that, pay some extra money I will do it for you. I denied and left, then on day 4 the dex person I meet and he said your document are correct but we cannot accept it for unknown reason.then Police
আমি পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে পাসপোর্টের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি ৬,১৭০ টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে আমার কাছ থেকে মোট ১২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। সরকারি ফি ৬,১৭০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও অতিরিক্ত ৫,৮৩০ টাকা কেন নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমাকে কোনো বৈধ সরকারি রসিদ বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত এই অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আমার কাছে অনিয়ম/ঘুষ গ্রহণের মতো মনে হয়েছে। আমি বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে দেখতে এবং অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে আমি পাসপোর্ট আবেদন, পেমেন্ট/রসিদ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে প্রদান করতে প্রস্তুত আছি।
আমি সৌদি প্রবাসি। বাংলাদেশে এসে পাসপোর্ট ১০ বছরের করবো বলে আমার আগে সৌদি থাকা অবস্তায় পাসপোর্ট দিয়ে করতে গেলে তারা বলে, আপনার পাসপোর্ট সৌদি থেকে করা এখন আমাদের এখান থেকে করতে গেলে আপনাকে জবসলভেন্সি করা লাগবে যার কারনে আপনাকে তিনহাজার টাকা দিতে হবে,আমার প্রশ্ন হলো আমি আগে যে পাসপোর্ট করে ছিলাম সৌদি দুতাবাস থেকে তাহলে কেন আমাকে এত গুলো টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হলো,,,,
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি, কোম্পানির আইডি কার্ডসহ আমি জমা দিয়েছি , উনি আমার কথা বিশ্বাস করে না , আমার মুখে দাড়ি আছে এনআইডি কার্ডে দাড়ি নাই, অজুহাত দিয়া আমার আবেদন ফরম জমায় নেবেন না, নিরুপায় হয়ে আমি দালালের মাধ্যমে উনাদের কে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে যতগুলা লোক আছে সবাই দালালের মাধ্যমে কাজ করে. এটার অবস্থা পুলিশের মত টাকা দেবে না এক জায়গা থেকে সামনের টেবিলে আবেদন পত্র অন্য জায়গায় যাবে না আল্লাহ এটা হেদায়েতদেক আমাদের প্রশাসনের লোকগুলা কে আল্লাহতালা হেদায়েতদেক
পাসপোর্ট অফিসে গেলে কাগজপত্র দেখে বলে হবেনা আমি বের হয়ে আসলে একজন আনসার ডেকে বলে দিকে আসেন পাসপোর্ট করাবেন আমি বললাম জী তিন হাজার টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও তারা বলে ভুল আছে। এরপর বলে ২০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট করতে পারবো। আমি অনেকটা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট টি সম্পূর্ণ করি।
পাসপোর্ট ভেরিফাই করতে গ্রামের বাড়িতে পুলিশ ২০০০/- নিয়েছে,ঢাকার বাসায় পুলিশ ভেরিফাই করতে এসে টাকা চেয়েছে।এবং দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি যতবার বাংলাদেশে পাসপোর্ট করেছি ততবার হয়রানি শিকার হয়েছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া দালালদের প্রভাব এত বিস্তৃত যে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে গেলে পাসপোর্ট কর্মকর্তারা কোন না কোন ভুল ধরে বলবে সংশোধন করে আবার আসুন। দেখা যায় পায়ের জুতা ক্ষয় হয়ে যায় তবুও নিজের সরাসরি পাসপোর্ট করা যায় না অবশেষে বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে হয়। পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতির লাগাম না টানতে পারলে সুদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে দুর্নীতির মহারাষ্ট্র হয়ে যাবে।
আমি একজন ব্যবসায়ী, আমি ট্রাভেল ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত, দুঃখের বিষয় হচ্ছে একজন মানুষ নাগরিক অধিকার হিসেবে খুব সহজেই পাসপোর্ট করার অধিকার রাখে কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের কর্মরত কর্মচারীদের ঘুষের সিস্টেমের কারণে এ কাজটি সহজে হয় না, উনারা এমন ভাবে পদ্ধতি গুলো রাখছে যা একটা মানুষের জন্য খুবই দুঃখ জনক যেমন উনারা যেসব দালাল মার্কেটে সেট করে রেখেছে উনাদের কাছ থেকে একটা ইউনিক ক নিতে হবে অথবা ওই দালালরা পাসপোর্ট এর টাকা জমা দেওয়ার সামারি কপি সরাসরি পাসপোর্ট এর কর্মকর্তাদেরকে পৌঁছে দেন,উনাদের হাতে পাওয়া ওইসব পাসপোর্ট যদি জমা দেওয়ার জন্য যায় তাহলে কোন কথাবার্তা ছাড়াই পাসপোর্ট জমা করে নেন যদি ভুলে থাকে তাও কোন সমস্যা না আর এটার বাইরে যদি কেউ জমা দিতে যায় তাকে হাজার রকমের প্রশ্ন হাজার রকমের হয়রানি
আমি সাবেক সরকারি কর্মচারি ছিলাম যখন পাসপোর্ট করতে যাই আমার আইডি কার্ড ভেরিফাই করে পাওয়া যায় আমার পেশা লিখা ছিল সরকারি চাকুরিজীবি। তাহলে তো noc লাগবে চাকরি ছেড়ে আসছি ১৪ বছর আগে এনওসি কোথায় আছে জানিনা। noc ছারা রিজেক্ট করে তখন গেটে থাকা আনসার, পুলিশের লোকগুলোই তাদের এজেন্ট তাদের কাছে তথ্য চলে আসে এই লোক রিজেক্ট হয়েছে। তখন তারাই আমাকে অফার করে যে পাসপোর্ট হয়ে যাবে কিছুই লাগবে না শুধু টাকাটা বেশি দিতে হবে। আমিও বিভিন্ন যায়গা ঘুরেফিরে ক্লান্ত তখন আমি রাজি হয়ে যাই তখন আমাকে নিয়ে যায় তাদের বড় স্যারের কাছে উনার সাথে কথা হয় আনসার বাহিনী এক লোকের সাথে। আমার সাক্ষাৎ হয় স্যারের সাথে এবং ১৪ দিনে পাসপোর্ট রেডি ৪৫০০ টাকার পাসপোর্ট হয়ে যায় ৯০০০ টাকা আর কত ভিরম্বনা এই হলো সরকারি সেবা।
পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন । না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে জানিয়েছে ।
একজনের মাধ্যমে করতে হয়েছে । আমার আম্মুকে ওমরাহ করানোর জন্য পাসপোর্ট বানিয়ে ছিলাম 2023 সালে। আমাকে বলেছে এখনকার সিস্টেম এমনি আপনার পাসপোর্ট করাতে চাইলে বারতি টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং কি থানা ভেরিফিকেশন করতে ও 1000 টাকা দিতে হয়েছে।
আমার কাগজ পাতি সব ঠিক আছে,তারপর ও বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাকে একাধারে ৫ দিন হয়রানি করা হয়েছে। তারপর আমাকে একটা দোকান দেখিয়ে দিল (আরেকজন বহিরাগত)বল্ল ওনার কাছে যান সব ঠিক করে আসেন, গেলাম ওনি ৫০০০ টাকা চাইলো অতিষ্ঠ হয়ে টাকা দিলাম এখন আর কোন ভুল নাই! দরবেশ বাবার কেরামতি passport done.
নতুন পাসপোর্ট বানানো
জন্মসূত্রে আমি কুমিল্লার অধিবাসী সে হিসেবে আমার এনআইডি কুমিল্লায় করা হয়,কিন্তু আমরা এখন স্থায়ীভাবে ফেনীতে বসবাস করি ,এ বছর আমার পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হলে আমি যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানে প্রধান অফিসার যিনি ছিলেন তিনি কাগজপত্র নিয়ে ছেড়ে দেখে বললেন আপনি তো কুমিল্লার অধিবাসী সুতরাং আপনার এখানে পাসপোর্ট জমা নেওয়া হবে না, আমি বললাম বর্তমানে আমরা ফেনীতে জায়গা জমি কিনে নিয়েছি এবং জায়গার খতিয়ান দেখালাম তারপরও বলল যে হবে না, পরে আমি যার মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করিয়েছি তাকে বিষয়গুলো বললাম তিনি আমাকে বললেন যে অফিস টাইম শেষ হলে স্যারের সাথে দেখা করেন আর কিছু চা-নাস্তার জন্য ওনার হাতে দিলে আপনার আর পুলিশ ক্লিয়ারেন্সও লাগবেনা পাসপোর্ট অটোমেটিক আপনার হাতে পৌঁছে যাবে।
I lived most of my life abroad and never had NID, when i came back to BD to renew passport they said I need NID, for NID if i want the Digital passport, for old non-digital passport they said I need to pay 70000tk
passport korte gele taka chai
ঢাকাতে ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে পুরাতন পাসপোর্ট নবায়ন করতে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে গেলে বলা হয় বাসা ভাড়ার চুক্তিনামা,বিদ্যুৎ ও পানির বিলের কাগজ এবং বাড়িওয়ালার হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানের কাগজ জমা দিতে। ভাড়ার চুক্তিনামা, বিদ্যুৎ ও পানির বিল বুজলাম আমার দায়িত্ব। কিন্তু বাড়িওয়ালার হোল্ডিং ট্যাক্স এর কাগজ তো বাড়িওয়ালা দিবে না। অগ্যত্যা দরবেশ বাবা ধরে ৬০০০ টাকা দিলে সেদিনই কোন লাইন ছাড়া ও চাওয়া কাগজ ছাড়া পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ ও বায়োমেট্রিক করা হয়।