বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত
বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারণে হাটহাজারীতে অবস্থিত রেব সেন্টারের পারে অবস্থিত বিদ্যুৎ অফিসে যাই যাওয়ার পর আমাকে বলে সামনের মাস থেকে বিল কম আসবে ৫০০ টাকা দাও আমরা সিস্টেম করে দিব
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার কারণে হাটহাজারীতে অবস্থিত রেব সেন্টারের পারে অবস্থিত বিদ্যুৎ অফিসে যাই যাওয়ার পর আমাকে বলে সামনের মাস থেকে বিল কম আসবে ৫০০ টাকা দাও আমরা সিস্টেম করে দিব
আমার পিতার মৃত্যুর পর তার সম্পদ আমি তাহার পুত্র। আমার নামে নামজারি,মিউটেশন করতে আবেদন করি। এবং উক্ত সম্পত্তির একই দাগে অন্য অংশিদারের অংশ ভিপি থাকায় আমার জমি ভিপি নয় মর্মে একখানা প্রত্যায়ন দিবে ভূমি অফিস। এই কারনে ঘুষ চেয়েছে। বিশ হাজার টাকা। আমি একজন ৭০ উর্ধ বয়স্ক লোক। আমি তেমন কোন কাজ কর্ম করি না। যৌবনের জমানো সঞ্চয় খরচ করে চলি।
প্রথম পাসপোর্ট করানোর সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসার কাছে এসে ফোন দেওয়া হয় আমাকে। সব কাগজ ঠিকমতো দেখানোর পর, আমার বাবার চেয়েও বেশি বয়সী সেই ব্যক্তি আমাকে বলে, "বাবা, নাস্তাপাতির খরচটা..."। আগে থেকে এই নাস্তার ব্যাপারটা জানার কারণে ৫০০ টাকা দিয়ে দেই তাকে। আমার গ্রামের বাড়িতে আর একজন গিয়ে আমার চাচার সাথে কথা বলে, কিন্তু আমার চাচা "নাস্তাপাতি" এর ব্যাপারে না জানার কারণে কোনো টাকা পয়সা দেন নাই তাকে। এর কারণে পুলিশ ভেরিফিকেশনে আমার পাসপোর্ট ১-২ মাসের মত আটকিয়ে ছিল, এরপর আমার চাচাকে তার অফিসে গিয়ে "নাস্তাপাতি" খরচ বাবদ আরও ৫০০ টাকা দেওয়ার পর আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন পার হয়।
সিলেটে ২০১৮ সালে আমি পাসপোর্ট করতে যাই। আমার সব কাগজ থাকার পরেও ২/৩ বার ওরা আামকে ফেরত পাঠায়। এবং প্রতিবাদ করায় আমাকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দপয়ার হুমকিও দপয়। তারপর দালাল আমাক কগজে নিল কালি দিয়ে একটা টান/দাগ দিল ২০০০ টাকার মিনিময়ে এতেই আগের ভুল কাগজ হয়ে যায় সঠিক। আজ আমি কানাডার নাগরিক। দেশের প্রতি ঘিন্না হয়। দেশের প্রতি আর মায়া হয় না।
আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল এর ঝালকাঠি। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় বসবাস করি। তার প্রমান স্বরুপ আমার অফিস আইডি ও বর্তমান বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি দেখানোর পর ও আমাকে রিজেক্ট করে ঝালকাঠি থেকে পাসপোর্ট করার জন্য বলা হয়।নিরুপায় হয়ে ফিরে আসার জন্য বের হলাম।কিন্তু বিপত্তি তখন ই বাধ। ফটোকপির দোকান থেকে ডাক দিয়ে জানতে চায়।কি সমস্যা? সব শুনে তারা জানায়। ঢাকা থেকে ই পাসপোর্ট করে দেয়া যাবে বাট তাদের খরচ দিতে হবে ৩০০০ টাকা নিরুপায় হয়ে ২০০০ টাকায় রাজি হয়ে যাই আর সেই কাগজ পত্র দিয়ে ই আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।এভাবে হাজারে মানুষকে নানাণ সমস্যার কথা বলে বিপদে ফেলে ঘুষ এর মাধ্যমে কাজ হয়।
বাবার শেষ বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাকরি থেকে অবসর নিবেন ভাবলেন, তিনি চাকরি করতেন নিরাপত্তা প্রহরীর , তারপর শুরু হল কাগজপত্র আর এ দপ্তর থেকে ও দপ্তর, বাবা স্টক করায় একহাত এবং পা প্রায় অকেজো, চিকিৎসা করার মত সঞ্চয় ছিল না, সবাই বলেছিল পেনশনের টাকা দিয়ে হয়তো চিকিৎসা করাবো, কিন্তু টাকা আর পাওয়া হলো না, তারপর বাধ্য হয়ে ঘুষের বিনিময়ে, মাত্র এক মাসের মধ্যে টাকা পাই, কিন্তু এরই মধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে, কিছু দিন পরে বাবা মারা যায়, তার পরে মায়ের নামে পেনশন চালু করতে একই সিন্ডিকেটর কবলে পরতে হয়, তাই আর কি করার আগে তো চিনতাম ওদের তাই আবার দুই নাম্বারি পন্থায় যেতে হলো, এই হলো সোনার বাংলাদেশ
আমি ঢাকা পঙ্গু হসপিটাল একটা রোগী নিয়ে যাই কাউন্টারে ঢোকার আগেও কিছু লোক এসে বলে ইমারজেন্সি দেখালে আমাদের কাছে ভালো ডাক্তার আছে সিরাল দেখা যায় অনেক দেরি হবে আমরা বলছি আমরা সিরালে দেখাবো অনেকক্ষণ অপেক্ষা করি কোন সময় ওটিতে নিবে ৫-৬ ঘণ্টা পর নিচে ওটি বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম একটু পর দেখে বলে ব্যাংকের কাপড় আনতে হবে বারোশো টাকা লাগবে আবার ডেকে বলে একটা রড আনতে হবে ৩০০ টাকা দিতে হবে এরপর আবার বলে হাদিয়া দিতে হবে ২০০ টাকা প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর বলে এটা অপারেশন করতে হবে এখানে তো অনেক দেরি হবে এই কাজটা যদি আপনার বাইরে করান তাহলে আমি করে দিব অলপ টাকায় ওই লোকটা ছিল যিনি ভেন্টিস করছে ওই এই সবগুলো টাকা আমি দিতে হইছে ও তো অনেক সমস্যা আছে এই জায়গায় হাতিয়ে দেবো ওই জায়গায় হাদিয়া দাও কেন ওরা
জন্ম নিবন্ধনে নাম সংশোধন করতে হবে পাসপোর্ট এর নাম অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে তাই আমি গিয়েছিলাম সিটি কর্পোরেশন অফিসে তারা কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করতে বলে আবেদিন কপি ওনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরে বলে ডিসি অফিস থেকে কাগজ পাস করে আনতে হবে অথবা ওনাদের কাছে টাকা দিলেও তারা করে দেবে দুপুর ১২ টায় টাকা দিয়ে আসার পরে বিকেল পাঁচটায় কাজ হয়ে গেছে এত অল্প সময়ে ডিসি অফিসে গেল কিভাবে এফিডেভিট করলো কিভাবে সেটা আমার মাথায় আসে না যারা টাকা না দেয় তারা মাসের পর মাস ঘুরেও কাজ করাতে পারে না আমার সামনে দেখলাম একজন এক সপ্তাহ আগে সদরঘাট ডিসি অফিসে কাগজ দিয়ে আসছে আজ জন্ম নিবন্ধন নিতে এসে দেখে তার কাগজে নাকি ভুল আছে আবার ডিসি অফিসে যেতে হবে টাকা না দিলে এরকম ভোগান্তির শিকার হতে হয়
আমার অফিসের একজন কর্মকর্তা সিলেকশন গ্রেডের ফাইনাল এপ্রুভাল করার জন্য।
আমার দলীয় নাম সংশোধনের জন্য ৫০০০ টাকা নিয়েছে এবং ম্যাজিস্ট্রেট যেখানে ছিল সই করে ম্যাজিস্ট্রেটের পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়েছে এবং এই দিকে কাগজপত্র ঠিক করে দেয় তাহলে নিয়েছে ৪০০০ টাকা সর্বমোট পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে
লাইসেন্স করতে নির্ধারিত ফি ছাড়া কোন টাকা লাগে নি। একটু ভাল করে প্রাক্টিক্যাল পরিক্ষা দিলেই পাশ করা যায়। তবে সমস্্যা হচ্ছে ্ওইখানে কিছু দালাল শ্রেণীর লোক থাকে তারা মুলত টাকা চায়।
হাটহাজারীতে অবস্থিত বিদ্যুৎ অফিসে যাওয়ার পর আমাকে বলা হয় ৫০০ টাকা দাও সামনে মাস থেকে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে
আমি একজন প্রবাসি। বর্তমানে আমার এম, আর, পি পাসপোর্ট। ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আমার জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজ ও পিতা-মাতার নামের বানান ভুল সংশোধনের জন্য চাহিত কাগজপত্র জমা সহ প্রয়োজনীয় সরকারি ফি পরিশোধ করে অনলাইনে আবেদন করি। কয়েকদিন পর স্হানীয় “নির্বাচন কমিশন অফিসে” গিয়ে দায়িত্ব রত অফিসারের সাথে দেখা করে অনলাইন আবেদনপত্র সহ আমি আমার যাবতীয় মূল কপি জমা দেয়। তিনি আমাকে আনান্য আর কাগজপত্রের লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে পুনরায় অফিসে আসতে বলে। আমি তার লিস্ট অনুযায়ী সব কাগজপত্র জমা দিলেও দিনের পর দিন আমাকে ঘুরাতে থাকে। আমি এক পর্যায়ে অধর্ষ হয়ে অফিসে গিয়ে সেই অফিসারকে বলি, আপনি কি চান? তারপর তার অফিসের এক কর্মচারী বিদ্যুৎ এর মেইন সুইচ অফ করে যাতে সি,সি ক্যামেরা বন্ধ থাকে। তারপর সে ২০০০০ টাকার দাবি করে।
আমার নাকি কাগজে সমস্যা। বাসায় গিয়ে জোর কাগজ আছে আবার নিয়ে আসতে হবে। ১০০০ চাইছিল। পরে তিনশ। পরে ভিক্ষা হিসেবে ৫০ টাকা দিয়েছিলাম। সেটাই ভিক্ষুকের মত হাত পেতে নিয়েছে
বিভিন্ন কারন দেখিয়ে ফাইলে সাইন না করা। দালাল দিয়ে তা ৫ মিনিটে করানো হয়েছে
চট্টগ্রামে(বিশেষ করে রাউজানে) শিক্ষকদের নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র -ছাত্রী ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করা হোক।প্রাইভেট ও কোচিং ব্যবসায়ীদের চক্রান্তের শিকার হয় সৎ ও নীতিবান শিক্ষকরা।সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানের ভাউচারের মাধ্যমে চুরি বন্ধ করা হোক।শিক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশ বাঁচাও।প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় জরিপ করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।শিক্ষকরা প্রাইভেটের ছাত্র ছাত্রীদের বেশি নম্বর দেয়।
জমির দাগ নাম্বার ভলিউমে চেক করতে গিয়েছি, প্রতিটি দাগ দেখার জন্য ২০০ টাকা করে দেয়া লাগছে।
Madrasha teacher bodlir application ar chapotro jonno principal tk Dabi Koren.
CDA অথরিটি বিল্ডিং নির্মাণ কাজে অনুমোদনের জন্য বিল্ডিং প্রতি ১০-লাখ - কোটি টাকা ঘুষ দাবি করে। শুনেছি বর্তমান চেয়ারম্যান ২০কোটি দিয়ে এই পদে এসেছে। তদারকির জন্য কোন ইন্জিনিয়ার আসে না। কারি কারি টাকা নিচ্ছে আর জন দূর্ভোগ বাড়াচ্ছে। স্টাফ নিয়োগ এ কোটি কোটি লেনদেন 🙄🙄🙄। যার যত পাওয়ার তার তত ছাড়!
আমি একটা প্রতিষ্ঠানে বার বছর ধরে চাকরি করি,আমার বাড়ি থেকে কর্মস্থলের দূরত্ব প্রায় ৫৫০ কি.মি. সম্প্রতি আমার স্ত্রীর মানসিক সমস্যা হয়।যার কারনে আমার কর্মরত অফিস প্রধানের মাধ্যমে ঢাকা হেড অফিসে মানবিক কারনে বদলির আবেদন করি।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বিগত ৫ মাস ধরে আমার আবেদনটি পেন্ডিং রয়ে গেতে।কিন্তু গত ২ দিন আগেও অনেক বড় বদলির অর্ডার হয়েছে যারা ২ লক্ষ টাকা উৎকোচ প্রদান করে বদলি হয়েছে। যাদের বদলি হয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে বলে ২ লক্ষ টাকা দিলে ওরা বদলির ব্যবস্থা করে দিবে।আসলে এ দেশের নিয়ম অনুযায়ী কোন কাজই হয় না।সব হয় ঘুষের মাধ্যমে। আমি আল্লাহ কাছে বিচার দিলাম।এই পৃথিবীতে না হলেও পরকালে এ বিচার হবে ইনশাআল্লাহ।