জম্ম নিবন্ধন
আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে ছোট ভাইয়ের জন্য জম্ম নিবন্ধন করতে গেলে বলে যে, আবেদন পত্রে নামের ভুল আছে। নাম সংশোধন করার পর নতুন আবেদন করতে হবে। এই জন্যে তিন হাজার টাকা লাগবে। তা না হলে জম্ম নিবন্ধন করা যাবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে ছোট ভাইয়ের জন্য জম্ম নিবন্ধন করতে গেলে বলে যে, আবেদন পত্রে নামের ভুল আছে। নাম সংশোধন করার পর নতুন আবেদন করতে হবে। এই জন্যে তিন হাজার টাকা লাগবে। তা না হলে জম্ম নিবন্ধন করা যাবে না।
আমি তখন ইন্টারণ ডাক্তার। অন্য সরকারি মেডিকেল কলেকে। আব্বার হঠাৎ ড্রাগ রি একশন করায়, আব্বাকে চট্রগ্রাম মেডিকেলে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করায়৷ আব্বা ১০ /১৫ দিন হাসপাতালে ছিলেন। পরে যখন ছাড়পত্র দে, নার্স/আয়া বুয়া সবাই উঠে পড়ে লাগে আমার আম্মাকে বকশিস দেওয়ার জন্য। ওরা না কি অনেক কষ্ট করছে। কি কষ্ট করছে, ওরাই জানে। শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করছে। সারাদিন ওদেরকে ডাকতে ডাকতে আমি ক্লান্ত হয়ে যেতাম। এস এ ডাক্তার হয়েও। যদীও আমার মা থেকে ওরা জোর করে ১০০০ টাকা আদায় করেছিল..
আমি নিজ জেলা চট্টগ্রামের বাহিরে। আমার বাবার চাকরিসূত্রে ছোট থেকেই চট্টগ্রামেই বড় হওয়া। আমি নিজে নিজে কোনো দালাল মাধ্যম ছাড়া পাসপোর্ট করতে গেলে আমাকে নানা অহেতুক প্রশ্ন এবং হয়রানির শিকার করে। সব তথ্য সঠিক হওয়ার পরও আমার কাছে অহেতুক কিছু ডকুমেন্টস দাবি করে। তাদের চাহিদা মতো ডকুমেন্টস নিয়ে গেলে আবার ভিন্ন কাহিনি শুরু করে। পরবর্তীতে বিরক্ত হয়ে একজন দালালের কাছে যাই। দালাল ঐদিনই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিবে বলে আশ্বাস দেয় এবং ৪০০০ টাকা দাবি করে। দালাল পাসপোর্টে ফাইলের সাথে একটি বিশেষ কোড সংবলিত একটি কাগজ ধরিয়ে দেয়। পরে ঐ কাগজ নিয়ে সরাসরি উপপরিচালকের রুমে যেতে বলে। কোডটি দেখার সাথে সাথে সই করে দিয়ে আমাকে ছবি তুলতে পাঠায় এবং কোনো লাইনে দাড়ানো ছাড়া ছবি তুলি। পরবর্তী ৬ কর্মদিবসেই পাসপোর্ট
হেয়ানক ইউনিয়নের টাইম বাজারের খাস জমি আমার পিতা একজনের কাছ থেকে ৪০ বছর পূর্বে কৃরয় করে ও উপজেলা প্রশাসন হতে লিজ নিয়ে আমরা ভোগ দখল করছি। সম্প্রতি ২০২৫ সালে পুনরায় লিজ নেওয়ার জন্য/ দাখিলা পরিশোধপর পত্র প্রেরন করা হলে আমরা মহপশখালী উপজেলার সাবেক এসিল্যান্ড —-এর কাছে আবেদন করি। এসিল্যান্ড ইউনিয়েনের দায়িত্বপ্রাপ্ত তফশীলদারকে (—) তদনৃত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু এসিল্যান্ড বদলী হওয়ায় তফশীলদার — ঘুষ ছাড়া (৫০০০০/-) টাকা রিপোর্ট দিবে না মর্মে অবহিত করেন, যা পরবর্তীতে তফশীলদার —কে নগদ ৩৫০০০/- টাকা স্বাক্ষীসহ প্রদান করে সমাধান করতে হয়েছে
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ বলদিপুকুর সাব জোনাল অফিস এটি বৈরীগঞ্জ উত্তরবঙ্গের টোল প্লাজার পাশে অফিস বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১- এর বলদী পুকুর সাব জানার অফিসে মিটারের আবেদন দিলে প্রতিটি মিটার পরিদর্শন করে মিটার পাস করার জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয় টাকা না দিলে আবেদন যেকোনো কারণ দেখিয়ে বাতিল করে দেয় উনার নাম হচ্ছে — উনি প্রায় বেতন এর চেয়ে ডাবল টাকা প্রতি মাসে ঘুষ নেয় আর হয়রানি করায় রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর যে মহোদয়কে জানানো হলে উনি এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেননি এবং উক্ত বন্দি পুকুর সাব জোনাল অফিসের এজিএম মহোদয় বিষয়টি জানেন যেওনার অফিসের কর্মচারী ঘুষ নেন কিন্তু উনি কোন পদক্ষেপ নেন না প্রতিমাসে ২০০ থেকে ৪০০ মিটারের আবেদন জমা হয় দেড় ২ লাখ ঘুষ নেয়
পাসপোর্ট করতে যেয়ে সব কাগজ ঠিকঠাক থাকার পরেও আমাকে ৩ বার এইটা নাই ওইটা নাই বলে ঘুরাচ্ছে। কিন্তু পাসপোর্ট করার সাইটে যেগুলো লিখা ছিলো সবগুলোই নিয়ে গেছি। এতোবার ঘুরানোর পরে বুঝলাম আর হবেনা এভাবে। তখন পাসপোর্ট অফিসের সামনের দোকানে কথা বলার পরে উনি আরো ২০০০ টাকা এক্সট্রা দাবি করলেন আর বললেন সোজা ঢুকে যান, নিয়ে নেবে। মজার ব্যাপার হলো যিনি প্রতিবার আমাকে ফেরত দিচ্ছিলেন এবার কোনো কথা না বলে কাগজ জমা নিয়ে নিলেন এবং সবকিছু ২০ মিনিটের মধ্যে শেষ।
Trade license approval purposes minimum range 10000 tk. Layout approval 40 k to 100k
নামজারী করতে অফিস ভেদে এই পরিমান বা তার চেয়ে বেশী লাগে যেটা সর্বোচ্চ ৫লক্ষ টাকাও হয়। এবার পদ্ধতি বলি। নামজারী আবেদন অনলাইনে জমা দেয়ার পর কোন প্রকার হার্ড কপি জমা দেয়ার বিধান না থাকলেও হার্ড কপি জমা না দিলে আবেদন পড়ে থাকবে কয়েক মাস। তারপর ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা কাগজপত্র যাচাই না করেই একটা ভুতুড়ে রিপোর্ট দিবেন না মঞ্জুরের জন্য। এসি ল্যান্ড শুনানি না করেই না-মঞ্জুর করে দিবেন অথবা পুনরায় আবেদন করতে বলবেন অথবা সকল মূল দলিল, পর্চা তুলে আনতে বলবেন যেটার খরচ চলে যাবে ১৫০০০টাকা। এই হল সিস্টেম। আরো অনেক কিছু জানাতে পারব কিন্তু লেখার জায়গা নেই।
মিরপুর বিআরটিসি তে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য ২ বছর আবেদন দিয়ে ঘুরেছি, পরে অফিসের এক সহকারীর মাধ্যমে দালালের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। ২০১৯ সালে সেই দালাল কে বাড়তি ৩০০০টাকা দিয়ে লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহনের ডাক পাই। পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ২০১৯ সালে যে লাইসেন্স পাওয়ার তারিখ ছিল তা পেয়েছি ২০২২ সালে
একজন সরকারি কর্মচারী যার দায়িত্ব সরকারি করা সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা দেখাও | কিন্তু এই দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি সমাপ্তকারী কন্ট্রাক্টর এর কাছ থেকে প্রতিদিন পাঁচশত টাকা করে দাবি করে |
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে বর্তমানে চরম ঘুষ ও দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। বিশেষ করে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বা জমি জমার টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন: ১. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) — ২. সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (গোপনীয়, রেকর্ড রুম, ত্রাণ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ও মিডিয়া সেল) — ৩. সার্ভেয়ার — এবং তাদের সাথে যুক্ত নিম্নপর্যায়ের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। জমিজমা বা ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো সাধারণ নাগরিক সেখানে গেলে এই চক্রটি সরাসরি ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে ফাইল আটকে রাখা, বিভিন্ন অজুহাতে ।
আমি তখন ২০১৬ সালে প্রাইমারি স্কুলে চাকুরি করতাম তো আমাদের বেতন করার জন্য গেলে আজ না কাল আসেন বলতো আবার বলতো নতুন চাকুরি মিস্টি খাওয়েবেন না এ ভাবে পাচ সাত ঘঘরার পরে 2000/- নিয়ে বেতন করে দিয়েছিল। এখন কি অবস্থা জানি না তবে ভুমি অফিস হিসাবরক্ষন brta সাব রেজিষ্ট্রার ঘুষের দৌরাত্ব বেশি।
আমি আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে, তারা বলে আমারও আমার স্ত্রীর জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন, আমার জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে, তারা আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখে দেখে লেখার পরেও আমার নামের মধ্যে ভুল করে ফেলে। সেই নাম ঠিক করার জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা চায়, আমি টাকা দিতে একটু গরিমসি করলে তারা আমাকে ২/৩মাস পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখে। শেষ পর্যন্ত টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন সংগ্রহ করি। তারপর আমি আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন করি।
জন্ম নিবন্ধ নির্ধারিত ফি এর থেকে ২০০ টাকা বেশি দাবি করে। না হলে জন্ম নিবন্ধ পেতে অনেক দেরি হবে।
আমি নরসিংদী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অধীনে অনলাইনের মাধ্যমে ম্যারেজ সার্টিফিকেটের অ্যাপোস্টিল (Apostille) ভেরিফিকেশনের আবেদন করেছিলাম।আবেদন করার পর প্রায় সাড়ে তিন মাস পার হয়ে গেলেও ফাইলের কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। অনলাইন ট্র্যাকিংয়ে শুধু প্রথম ধাপে 'রিসিভড' দেখাচ্ছিল, কিন্তু কাজ আর সামনে এগোচ্ছিল না। অনেকদিন অপেক্ষার পর অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইমেইল করার কথাও ভেবেছিলাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি যে, এখানে মূলত ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল অনুমোদন পায় না। আগের নিয়মে কাজগুলো স্বাভাবিকভাবে হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘুষের প্রবণতা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেছে।কোনো উপায় না দেখে আমি আমার পরিবারের সদস্যদের সরাসরি নরসিংদী সদর অফিসসেখানে যাওয়ার
আমি আশুলিয়া সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা জমি বিক্রি করতে গেছিলাম । তো আমার জমিটা খালি ছিল । সামনে অল্প একটু দোকানের মতো ছিল যেখানে দু তিনটা রিক্সা রাখত । ওই জায়গা বিক্রি করার সময় সাব রেজিস্ট্রার গুগলে চার্জ দিয়ে দেখে যে ওইখানে স্থাপনা আছে অল্প একটু স্থাপনা । উনি এটার জন্য তিরিশ হাজার টাকা ডিমান্ড করে এবং তিরিশ হাজার টাকা উনাকে দিয়ে আমার জমির রেজিস্ট্রি করতে হয়েছে ।
আমার একাডেমিক সার্টিফিকেটে পিতা-মাতার নাম ভুল থাকায় শিক্ষা বোর্ডে যাই।ভুল সংশোধনের জন্য সরকারি নিয়ম কারণ অনুযায়ী আবেদন করে আসি, বিভিন্ন মিটিং ও কাগজপত্র যথাসময়ে জমা দেওয়ার পরেও ভুল আসে।পরবর্তীতে ব্যাঙ্ক ড্রাফটের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে পুনরায় আবেদন করে আসি।ফলাফল আবারও সেম।এইভাবে নিজে নিজে তিনবার চেষ্টা করি। তিনবারই সরকারি খরচের মাধ্যমে আমি সকল নিয়মকানুন মেনে ও কাগজপত্র জমা দিয়ে আসি ও মিটিংয়ে উপস্থিত হই।পরবর্তীতে সেখানকার এক কর্মচারীকে বিষয়টি শেয়ার করলে তিনি টাকা দাবি করে ও আশ্বাস দেয় আপনার আর আসা লাগবে না কাজ হয়ে গেলে আমরাই ডাকবো। পরবর্তীতে আমি কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিতে রাজি হয় এবং এক মাসের মধ্যে আমার কাগজটি সংশোধন হয়ে যায়।
পাসপোর্ট করতে গেছি ই পাসপোর্ট যদিও এক মাস আগে আমি একটা পাসপোর্ট করেছিলাম সেই পাসপোর্ট টা হারিয়ে গেছে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও না পাওয়াতে আমি আবারো পুনরায় পাসপোর্ট করতে গেছি আমার আগের পাসপোর্ট এর ফটোকপি ছিল এবং হারিয়ে যাওয়ার কারণে আমি থানায় জিটি করছি এই যেটির কপি ছিল আমার সমস্ত কাগজপত্র ওকে ছিল কিন্তু আগের পাসপোর্টে অবিবাহিত লেখা থাকার কারণে একমাস পরে যেটা করতে দিছি সেটা তো অবিবাহিতই দিছি কিন্তু তারা যেভাবে হোক বের করতে পারছে যে আমি বিবাহিত তখন আমারে বলতেছে কাবিননামা লাগবে আরো অনেক কাগজপত্র লাগবে না হয় পাসপোর্ট হবে না কিন্তু বাইরে আসার পরে এক দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হইছে তখন আমার পাসপোর্ট ওকে হয়ে গেছে আর কোন সমস্যা নেই
জেলা পরিষদ থেকে পাস হওয়া প্রকল্পের বিল ছাড়ের জন্য ১০% ঘুষ চাওয়া হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
খুলনা এলজিডি অফিসে লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি