র্যাবিস ভ্যাকসিন
ঘটনা সত্য। বিশ্বাস না হলে নিজে এসে যাচাই করুন। আপনি যাচাইকারী পরিচয় না দিয়েই বিড়াল কামড়েছে বলে টিকা চান। প্রথমে টিকেট করতে বলবে ৫ টাকার। যেটি সরকারি ফি। টিকেট নিয়ে আসলে ডোজ লিখে ভ্যাকসিন দেয়ার আগে ১০০ টাকা দাবি করবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঘটনা সত্য। বিশ্বাস না হলে নিজে এসে যাচাই করুন। আপনি যাচাইকারী পরিচয় না দিয়েই বিড়াল কামড়েছে বলে টিকা চান। প্রথমে টিকেট করতে বলবে ৫ টাকার। যেটি সরকারি ফি। টিকেট নিয়ে আসলে ডোজ লিখে ভ্যাকসিন দেয়ার আগে ১০০ টাকা দাবি করবে।
মিটার স্থাপন। ২য় ব্যাক্তি (Electrician) মারফত টাকা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন করতে গিয়ে ৫,০০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করতে গিয়ে একটি গুরুতর অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছি। আবেদন গ্রহণ করার সময় আমার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। অথচ সরকারি ভাতার জন্য আবেদন গ্রহণের ক্ষেত্রে এভাবে টাকা নেওয়া হচ্ছে কেন—এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি। যারা প্রকৃতপক্ষে প্রতিবন্ধী এবং সরকারি সহায়তার আশায় আবেদন করতে আসেন, তাদের অনেকেই আর্থিকভাবে অসচ্ছল। এমন অবস্থায় আবেদন গ্রহণের নামে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হলে বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। আমার প্রশ্ন হলো— প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন গ্রহণ করতে কি সত্যিই ৫,০০০ টাকা সরকারি ফি হিসেবে নির্ধারিত আছে? নাকি কোনো ব্যক্তি/চক্র অবৈধভাবে এই টাকা নিচ্ছে? বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
আসসালামু আলাইকুম। আমি —, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার একজন বাংলাদেশের নাগরিক। আমার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)–এর জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আবেদন করি। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট ও বৈধ কারণ উল্লেখ না করেই আমার আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়। বিষয়টি আমাকে অত্যন্ত হতাশ ও উদ্বিগ্ন করেছে। এরপর একটি দালাল চক্র আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং দাবি করে যে, তারা ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার এনআইডির বয়স সংশোধন করে দিতে পারবে। অথচ আইন অনুযায়ী বৈধ কাগজপত্র থাকলে শুধুমাত্র সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়েই এনআইডির তথ্য সংশোধন করার সুযোগ রয়েছে। এমন অবস্থায় সাধারণ নাগরিকদের হয়রানি করা এবং অবৈধভাবে অর্থ দাবি করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও দুঃখজনক
আমার লাইসেন্স এর স্মার্ট কার্ড রেডি হবার পরও কয়েকবার চেষ্টা করেছি, দায়িত্বরত আনসার সদস্য বলেছে রেডি হয়নি। যখন আমি ঘুষ অফার করেছি, তখন ৫০০ টাকা নিয়ে ভেতর থেকে স্মার্ট কার্ড এনে দিয়েছে।
Passport er jonno joma deya kagoj potro thik thakar poreo reject kore dey, gush porishodh korar por same kagoj potroi accept kore,3 ta passport er jonno 1500 kore total 4500 ney.answer bahini,ekjon police bahini alada Dalal er Kotha bole and bole je kagojpotro alada channel e joma dite hoy.
আমরা ড্রাগ লাইসেন্স এর আবেদন করতে গেলে সেখানে ২২ হাজার টাকার একটি সুপারি বা ঘুষ চাওয়া হয়। আমাদের সকল প্রকার কাগজপত্র সঠিক ও আপডেটেড থাকার পরেও এটি পরিশোধ করে আমরা করতে বাধ্য হয়েছি। কেননা এটি পরিশোধ না করলে কোনভাবেই লাইসেন্স টি করা সম্ভব হচ্ছিল না।
আমি সবেমাত্র ১০ম গ্রেডের চাকরিতে জয়েন করেছি। পে-ফিক্সেশন করতে গেলে ফাইল হাত দেয় না। গড়িমসি করে। এরপর সিরাজগঞ্জ হিসাবরক্ষন অফিসে সরাসরি টাকা চেয়ে বসে। কত টাকা মুখে বলে না। যেহেতু আগেই সবাই বলছিলো টাকা ছাড়া কোন কাজ হবে না তাই আমি ৫০০ দিলাম। কোন সাড়া শব্দ নেই। এরপর ১০০০ দিলাম তবুও নাকচ করে দিলে আমি চলে এলাম আর টাকা না দিয়েই। পরে সেখানে অন্য এক পরিচিত ভাই ছিলো সে বলল কালকে আসেন ১০০০ টাকাতেই হবে। এরপর যথারীতি কাজ হয়ে গেল।
রুমানিয়াতে নিয়যুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা — রুমানিয়াতে বাংলাদেশিদের অবৈধ ভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মধ্যে ইউরোপে যাওয়ার জন্য বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশীদের প্রস্তাব করতো ২০০০ ইউরো ২ লক্ষ ৮০ টাকা আনুমানিক এর বিনিময়ে । রুমানিয়াতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ধংশ্ব করে দিয়েছে সে ।
যখন আমি চট্টগ্রাম গিয়েছিলাম আজ থেকে ৯ বছর আগে তখন টাকা বেশি চাওয়ায় আমাকে পুলিশের ভয় দেখায়, আমি টাকা দিয়ে অস্বীকার করলে আমাকে অপদস্ত করা হয়। মুচলেকা দিয়ে বেচে এসেছিলাম। ৯৯৯এ কল দিয়েও কাজ হয়নি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ভেরিফিকেশনের জন্য নাগপুর থানা থেকে ফোন করে দেখা করতে বলে। আমি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নিয়ে যাই। থানায় কম্পিউটার অপারেটরের সাথে দেখা করি , সে ৭০০৳ দাবি করে। আমার কাছে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট না থাকায় বাড়তি টাকা দাবি করে । ঝামেলা এড়াতে পরে ১০০০৳ দিয়ে সমাধান করা হয়।
ভূমি নামজারি করার জন্য এই টাকা টা দিতে হয়েছে। পুরো খতিয়ানে অবস্থিত ভূমির খাজনা পরিশোধ করতে হয়েছে- যেখানে আমাদের নিজস্ব মালিকানায় খুব বেশি জমি ছিলো না। অথচ খাজনা কাটার চ্যাকে খুবই সামান্য পরিমাণ টাকা দেখানো হয়েছিল। ঘটনা টা ২০২৪ সালের "জুলাই গণঅভ্যুত্থান" পরবর্তী সময়ে! সরাসরি ঘোষ দাবি করে নাই কিন্তু নামজারি করার ক্ষেত্রে পুরো খতিয়ানে অবস্থিত জমির খাজনা পরিশোধ করতে হবে কেন? সরকার নাকি এই বিষয়ে খুবই স্ট্রিক্ট ছিল, কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নাই বলেছিল। যদিও অনেকগুলো দাগ এর খাজনা পরিশোধের চ্যাক দিয়েছিল কিন্তু অফিসিয়াল খাজনা এত বেশি দেখায়নি। প্রথমে ভেবেছি এত একটা গণঅভ্যুত্থান হয়ে যাওয়ার পরও এভাবে কেউ প্যাচ ধরে কাজ করে দিতে চায় না। যদি খুব প্রয়োজন না হতো তাহলে এই ভাবে টাকা দিয়ে কাজ টা করাতাম না।
সমুদ্রগামী জাহাজ থেকে যেকোনো নাবিকের সাইন অফ করার জন্য সরকারি শিপিং অফিসের পিয়ন থেকে যাবতীয় অফিসার সকলকে ১০০-২০০৳ করে দেওয়া লাগে। তা নাহলে ডকুমেন্ট এক টেবিল হতে অন্য টেবিলে যাবে না এবং যদি আপনার কপাল ভালো হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা আপনাকে হয়রানি করবে। আর যদি কপাল খারাপ হয় তাহলে দিনের পর দিন।
আমি সেখানে অন্তত দশ বার গিয়েছি আর আমার পাসপোর্ট এর নাম ভুল থাকায় আটকে দিয়েছিল কিন্তু আমার আগের পাসপোর্ট এর নাম সঠিক আছে এবং আমার আইডি কার্ডের নাম সঠিক আছে শুধুমাত্র একটি অক্ষর চেঞ্জ হয়েছিল আইডি কার্ডে আর পাসপোর্ট অফিসের মেইন যিনি উনার কাছে আবেদন করেছে অন্তত ১০ বার কিন্তু উনি আমার এটা অ্যাপ্রুভ করেননি উনি বলেছে হয়ে গেছে হয়ে গেছে কিন্তু সিস্টেমে পেন্ডিং ছিল এরপর আমি গিয়েছিলাম আগারগাঁও সেখানেও আমার সমস্যার কথা বলেছি তারা আবার আমাকে আমার জেলায় চাঁদপুরে পাঠিয়ে দিয়েছে চাঁদপুরে আবার গিয়ে আমার সমস্যা দেখালে তারা বলে হয়ে যাবে কিন্তু কখনো হয়নি এরপর ওখানে আনসার ছিল সে আমার কাছে ১০ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি তাকে দেইনি বাহিরে বের হলে আরেক দালাল সে ৯ হাজার টাকা চাইলে দিয়েছিলাম এবং পেয়ে গেছি
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা দিতে গেলে, পরীক্ষার গাড়ি ভারা সহ, পাশ করার জন্য ২০০০ দিতে হয়, নয়তো ফেল করায় দেয়। এই টাকা নেয়, পরীক্ষা দেওয়ার জন্য সবাই যখন লাইন এ দাঁড়ানো অবস্থায়। একজন খাতা কলম নিয়ে, এই টাকা উঠায়।
আমি একটা ২০২২ সালে একটি জমি ক্রয় করিসিলাম। ২০২৬ সালে মালিকের উপস্থিতি তে নতুন (bds)পরচায় আমার নাম উঠানোর জন্য উনারা ঘুস দাবি করে। অথচ আমি জানি এটা করতে সরকার নিরধারিত ফিস মাত্র ১০০০/ টাকা। বা তার কম।কিন্তু উনারা নানান ঝামেলা দেখিয়ে ৩০০০০ টাকা দাবি করে। আরো মানুশ এর কাছ থেকে শুনলাম। এখানে দায়িত্বরত কম্রকরতা রা মানুশের সমসসা অনুযায়ী ১০,০০০ থেকে ৩ লাখ টাকা দাবি করে | আর ও শুনলাম কিছু অসাধু সাংবাদিক, উকিল রা এই কারসাজি তে সরাসরি জরিত আছে | আমরা সাধারণ মানুষ এই কতিপয় লকের কাছে জিম্মি | ভুমি অফিস আলম নগর হেমায়েতপুর সাভার ঢাকা
আমার জন্মনিবন্ধনে আমার আম্মুর নাম ভুল ছিল আর আমার জন্মতারিখটি ভুল ছিল। যা তারাই ইচ্ছাকৃত ভাবে সবারই ভুল লিখে রাখছে তাদের রেজিস্ট্রার খাতায় তো আমি যখন আমার ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন করতে যায় তখন তারা এগুলো ঠিক করতে বলে যে এই কাজ ইউনিয়নে হবে না উপজেলায় গিয়ে ঠিক করতে হবে তো কয়েক দিন দৌড়াদৌড়ি-র পর যখন সবকিছু নিয়ে যায় তখন যে উপজেলায় জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য যে ঐ পদে আছে তিনি আমার থেকে ২/৩ হাজার টাকা দাবি করে, তারপর তাকে অনেক বুঝানোর পর যে আমি স্টুডেন্ট আমার কাছে এতো টাকা নেই তারপর সে ১ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন ঠিক করে দেই।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছিলাম।এরপর আমাকে থানা থেকে কল দিলে আমি আমার ডকুমেন্টস নিয়ে যাই।বাট অফিসার আমার ডকুমেন্টস জমা নেয় না টাকা ছাড়া। টাকা দিতে বাধ্যা করে।এরপর আমার ফোন চেক করে আমি ভিডিও করছি কিনা।
থানা শিক্ষা অফিসে তারা প্রতি সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য ৫০০ টাকা চায়, এটা নাকি তাঁদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যাওয়ার ভাড়া, এই টাকা তাঁদের সরকার দেয় না। সরকারের দেওয়ার কথাও না কারণ এটা সংশোধন থানা শিক্ষা অফিসার নিজেই করবেন, এই সার্টিফিকেট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনদিনই যায় না। আমি টাকা দেইনাই বইলা আমারটা ১০ মাস ঘুরাইসে, যা কিনা ১ মাসেই করা সম্ভব ছিল।
এনআইডি করার জন্য নির্বাচন অফিসে গিয়েছিলাম।ওনার বললো ডকুমেন্টসে অনেকে ভুল আছে ঠিক করায় নিয়া আসেন। পরে বিষয় টা এক লোকের সাথে আলাপ করার পর উনি বলতেছে টাকা ১১০০০ দেন করে দিমু। তারপর টাকা দিয়া করাই নিছি।