১০০০ টাকার খাজনার চেক কাটার জন্য ৭৫০০ টাকা নিয়েছে।
১০০০ টাকার কাজনার চেকের এর জন্য ৭৫০০ টাকা নিয়েছে। তার থেকে কম টাকা দিলে কাজনার চেক কেটে দিবে না। এবং আমাকে বলা হয়েছে অন্য কোনো জায়গায় ও চেক কাটতে পারবো না তাদের ছাড়া।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১০০০ টাকার কাজনার চেকের এর জন্য ৭৫০০ টাকা নিয়েছে। তার থেকে কম টাকা দিলে কাজনার চেক কেটে দিবে না। এবং আমাকে বলা হয়েছে অন্য কোনো জায়গায় ও চেক কাটতে পারবো না তাদের ছাড়া।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য সকাল সকাল তাদের অফিসে যাই, গিয়ে তাদের রুলস মতো সবকিছু করি , এক্সাম দেই সেটায় পাশ করি। এরপর ভাইভাতেও পাশ করি। এরপর ড্রাইভিং প্রাক্টিকাল দেই সেখানে তারা আমাকে ফেইল করিয়ে দেয় এবং এক্টুপর অওই অফিসেরই একজন আমার কাছে এসে প্রাক্টিকালে পাশ করানোর জন্য ৪,০০০/- (চার হাজার টাকা) দাবী করেন । আমি সাথে সাথে তার দাবী প্রত্যাখ্যান করে দেই ।
৩০ শে জুন (২০২৬),৮ শতাংশ জমি সাব কবলা করা হয়। রেজিস্ট্রি অফিসে সেই জমিন নকল তুলতে একজন চায় ২০০০ দালাল। আর সাব রেজিস্টার অফিসের একজন কর্মচারী চায় ১৮০০।
Hsc পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রে থাকা বিভিন্ন মালামাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হয়।আমাদের কেন্দ্রের (গোপালগঞ্জ জেলার একটি কেন্দ্র) মালামাল জমা দেওয়ার পর ঢাকা বোর্ডের মালামাল বুঝে নেওয়ার দায়িত্বরত কর্মচারি ঘুষ দাবি করে এবং সবাই এটা দিতে অনেকটা বাধ্য। এটা দুই যায়গায় দিতে হয়-১. যেখানে অব্যবহৃত খাতা জমা দিতে হয়। ২.যেখানে শিক্ষার্থীদের সিগনেচার শীটসহ অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হয়। সেই মুহূর্তগুলো একসাথে প্রচন্ড বিব্রতকর এবং বিরক্তিকর। একজন সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হওয়ার পরও আমাদেরকে এগুলো ফেস করতে হয়। এখানে প্রথম যায়গায় ২০০ এবং দ্বিতীয় যায়গায় ৫০০ টাকা প্রত্যাশা করে।
আমার বাবা একটা সরকারি প্রতিষ্ঠানের জব করে। উনি মারা গিয়েছিল 2022 সালে। এরপরে উনার কলিগ রাই আমাদের কাছে পেনশনের কাজ কমপ্লিট করে দেওয়ার জন্য ঘুষ চেয়েছিল ২০ হাজার টাকা। কিন্তু হুট করে একদিন সকালবেলা ফোন দিয়ে বলে এখনই আরো দশ হাজার টাকা দিতে হবে। কিন্তু অফিসের বাহিরে। আমি বুঝে গিয়েছি এটা আরো নিজে একা খাওয়ার জন্য চাইছে। কিন্তু উপায়ান্তর না পেয়ে আমার দিতে হয়েছে। উল্টো আরো একদিন তাকে মেইন অফিসে যেখানে পেনশন ক্লিয়ার করে সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক হাজার টাকা দিয়েছি। টোটাল ৩১ হাজার টাকা। কিন্তু মেইন অফিসে যখন গিয়েছি। তখন মেইন অফিসার বলেছিল আপনাদের কোন ঘুষ দিতে হয়নি তো? অথচ যে ছিল আমাদের সাথে, সে আমাকে আগে বলে রেখেছিল যে। এখানে সবাই নিচে নিচে খায় কিন্তু উপরে দেখাবে কেউই ঘুষ নেয় না।
ঢাকা জেলার সাভার থানার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না, ট্রেড লাইসেন্স নিতে গেলে সরকার নির্ধারিত ফি এর অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। সকল প্রকার সনদ টাকা ছাড়া নেয়া জায়না
লাইসেন্সের ফিঙ্গার দেওয়ার সময় বাইরে থেকে এক বয়স্ক টাইপের লোক প্রায় জোর করেই আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে ছিলো,,,আমি ৩০০ দিয়ে রফা দফা করে চলে আসি
আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ১০ হাজার টাকা দাবি করছি আমি ৯০০০ টাকায় তফা করি কিন্তু সরকারি কোষ আকারে জমা হবে মাত্র দুই হাজার টাকা
ছোট বোনের মোবাইল হারিয়ে গিয়েছিলো, এর জন্য জিডি করতে গেলে থানায় দায়িত্ব রত কর্মকর্তা বলেন যে, যদি শুধু নামমাত্র জিডি করতে চান তাহলে ২০০ টাকা লাগবে, আর যদি সত্যি মোবাইল ফেরত চান তাহলে ৫০০ টাকা লাগবে। আমি বলেছি অবশ্যই মোবাইল ফেরত চাই, তারপর আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স আনতে গেলে খুজে পাই না! তারপর টাকা দিতে চাইলে লোক দিয়ে খুজে দেওয়ার আশ্বাস দেয়! অনেদুর থেকে গিয়েছিলাম বলে টাকা দিয়ে তারপর ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে এসেছিলাম।
After preparing all the documents, to prepare the acknowledgement slip, we needed to visit 2 officers. But showing new owner's address issue, we had to pay BDT=3,500/- as bribe to both the rooms & their office assistant. But ultimately no changes or documents were attached with the documents we prepared. Also, we had to visit Chattogram BRTA office 2days simultaneously for this simple issue which is outside of Chattogram city area.
আমাকে বল হলো আমার পণ্য কেটে নেওয়া হবে আমাকে ব্যবসা করতে দিবেনা। করলে ৫ ০০০ টাকা দিতে হবে। জীবিকর তাগিতে বাধ্য হয়ে দিয়েছি
Me and my priyo went to ramna at around 5 pm So we're just hanging out and stuff walking here and there.At point we're sitting on a designated area My fiance was fixing my hair and i put my head on her shoulders. From nowhere suddenly two ansar member came started recording without consent and falsely accused us of inappropriate acts. I tried to tell them We're just hanging out and we did nothing wrong but they tried to show superiority. At one point i got angry and said apnara paren shudu amader moto manushbder hoyrani korte. Erpore amare tapppr mare bollo police re dibe then 5k fine nibe then bollo bashai call dibe but deini and amr theke tk kuje . i was helpless 500 niye nilo amr te
ভুমি নিয়ে বিরোধ ১৪৪ ধারা সরজমিনে তদন্ত করা শেষে,আমরা সঠিক থাকা সত্ত্বেও তিনি,মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করেন,অথচ আমাদের কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করেন।আমরা ঐ টাকা প্রদান করি , তারপরেও অপর পক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খেয়ে মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করেন। তফসিল অফিসার, বানিয়াচং, তফসিল অফিস, তফসিল অফিসার বানিয়াচং।
আমার হেভি ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে, তবে সেটা হলো অনলাইন কপি, আমি আজ থেকে পাঁচ মাস আগে লাইসেন্স প্রাপ্ত হই। বর্তমানে আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য আবেদন করব তাই ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড প্রয়োজন। বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড দেওয়ার জন্য আমাদের কাছ থেকে সরকারি ফি নিয়েছে। কিন্তু বিআরটিএ স্মার্ট কার্ড দিতেছে না, বলছেন কার্ড প্রিন্ট বন্ধ আছে। কিন্তু অফিসে যোগাযোগ করার পর তারা আমাকে বলেছেন ১২০০০ টাকা দিলে তারা কার্ড প্রিন্ট করে দেবে। ১২০০০ টাকা আমার কাছে নেই আমি কিভাবে দেব, আমি একজন ড্রাইভার মানুষ। ঘটনাটি ঘটেছে বিআরটিএ মেট্রো সার্কেল-৩ দিয়াবাড়ি উত্তরা ঢাকা।
শিক্ষা অফিসে যেকোন কাজে ঘুষ দিতে ৷ তার মধ্যে রংপুরের শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের সন্তুষ্ট না করলে হয়রানির শেষ থাকে না ৷ এই ভুল সেই ভুল, ফাইল হারায় যাওয়া কত কাহিনী ৷ এগুলো দেখার কেউ নাই…
কারন ছারা বুল বুঝিয়ে এবং বুল তথ দিয়ে টাকা চাই, আমার জরুরি দরকার ছিলো ,তাই দিতে হয়,
আমি গিয়েছিলাম আমার বাবাকে নিয়ে আমার বাবা জমি বিক্রি করবে আমার দাদা ও দাদীর উত্তরাধিকারী । জমির পরিমাণ ছিল 9 শতাংশ, সূত্রে খাজনা রশিদ নিতে নিতে যাই তখন তারা বলতেছে তারা বলতেছে কাজ না রশিদ নিতে গেলে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে না হয় খাজনা রশিদ দেওয়া যাবে না । না হয় আরেকটি রাস্তা আছে নাম জারি করেন ২৫ হাজার টাকা দেন ৯ শতাংশ নাম জারি করিয়া দিব কোন উপায় না পেয়ে সর্বশেষে 20000 টাকা দিতে রাজি হই। সব সময় প্রতিটি সেবার জন্য গন্ডা ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কথা বলে না। জেলা নেত্রকোনা থানা কেন্দুয়া ইউনিয়ন গন্ডা ভূমি অফিস
অফিসে পাসপোর্ট করতে গেলে দালালদের একটা কোড দিতে হয় নাই তো বা আপনি যদি রাইট করি তদন্ত দেন তাও এটা ভুল তারা ধরেন আবার পুনরায় বাসা থেকে আবার যাতায়াত করার যাওয়া লাগে তারপরও দালাল কোড না দেখলে তার আ বার এটা ক্যান্সেল করে,, দালালের কোটের কারণে 1500 থেকে 2000 টাকা সরকারি ফি থেকে বাড়তি হয়,, চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে আর কোন অফিসে এমন হয় কিনা জানাবেন
NID সংশোধন করার কারনে নতুনভাবে NID দিয়ে EFT করতে এই দাবি করা হয়।